প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কয়েক মাসের স্থগিতাদেশের পর আবারও মার্কিন ডলার ইরাকে সরবরাহ করা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দুই সহকারীর বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানযোগে সীমিত পরিসরে নগদ মার্কিন ডলার আবার বাগদাদে পাঠানো হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত এপ্রিল মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের একটি চালান স্থগিত করে। একই সাথে ইরাকের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার কিছু অংশও স্থগিত করা হয়েছিল।
এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ছিল যে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা ইরাকে মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থানে হামলা চালাচ্ছে এবং বাগদাদ সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
ইরাকে পাঠানো এই নগদ ডলার প্রধানত দেশের তেল বিক্রির আয় থেকে আসে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকে।
এসব অর্থ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যেমন স্থানীয় বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, খুচরা ডলার লেনদেন এবং বিদেশ ভ্রমণ ও অন্যান্য বৈধ প্রয়োজন। তবে স্থগিতাদেশের সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসংক্রান্ত ইলেকট্রনিক ডলার লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ ছিল না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
এ মুহূর্তে দুর্নীতির অভিযোগে বহু কর্মকর্তা ও আইনপ্রণেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলেই যুক্তরাষ্ট্র ডলার সরবরাহ আংশিকভাবে পুনরায় চালু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের সঙ্গে স্থগিত থাকা নিরাপত্তা সহযোগিতা পুরোপুরি পুনর্বহাল করেনি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কিংবা ট্রেজারি তথা অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন