প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৪০ কোটি ডলারের নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজে প্রথমবারের মতো সফর করেছেন। তিনি এই বিলাসবহুল উড়োজাহাজ নিয়ে বেশ গর্বিত। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, ‘আপনি চাইলে এটি লুকিয়ে রাখতে পারেন, অথবা সবাইকে দেখাতে পারেন।’
বোয়িং ৭৪৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটির রং আগের মতো হালকা নীল নয়। বরং এখন ট্রাম্পের পছন্দের গাঢ় নীল, লাল এবং সোনালি রঙে রঙ করা হয়েছে। এর ভেতরে রয়েছে দামি কার্পেট, শোয়ার মতো আসন, চামড়ার চেয়ার এবং কাঠের দারুণ কারুকাজ।
বর্তমান প্রেসিডেনশিয়াল বিমানগুলোর বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে। নতুন বিমান আসতে অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। এই জন্য নতুন উড়োজাহাজটি মাঝের সময় ব্যবহারের জন্য সাময়িকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
যদিও দ্রুত তৈরির কারণে এই উড়োজাহাজে কিছু ঘাটতি থেকে গেছে। এটি আগের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে সজ্জিত নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মূলত দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য বেশি উপকারী। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলনে এই বিমানেই যাবেন।
প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজের ছবি তোলা নিষেধ থাকলেও, হোয়াইট হাউসের কর্মীরা উড়োজাহাজের ভেতরের চমৎকার সব ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। মূলত ট্রাম্প বুধবার এই উড়োজাহাজে চড়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে গিয়েছিলেন। কাতারকে এই উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘যারা আমাদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেছে, এটি তাদেরই উপহার।’ ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হলে উড়োজাহাজটি ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরি’তে রাখা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন