জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৩:১৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন একটি কাজ নিয়ে মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ দর্শকমহলে হাজির হয়েছেন। তিনি মডেল আলতাফের সঙ্গে জুটি গড়ে একটি মিউজিক ভিডিওতে উপস্থিত হয়েছেন, যা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
সংগীতশিল্পী আসিফ আলতাফের লেখা, সুর করা ও গাওয়া নতুন গানটির শিরোনাম ‘পেনসিল হিল’। এই গানের মিউজিক ভিডিওতেই আলতাফ ও মৌ চমক নিয়ে সদ্য হাজির হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
দীর্ঘদিন পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করা প্রসঙ্গে মৌ বলেন, 'ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে “আমার গরুর গাড়িতে” গানের মিউজিক ভিডিওতে জাহিদ হাসানের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলাম। এখন মিউজিক ভিডিওর ধরন পাল্টেছে। প্রচুর মিউজিক ভিডিও হচ্ছে। অনেক প্রস্তাব পাই কিন্তু করা হয়ে ওঠে না। আসিফ আলতাফ যখন জানালেন “পেনসিল হিল” শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে আমাকেই লাগবে। নাম শুনে বেশ আগ্রহ হলো। গানটা শুনলাম। খুব ব্যতিক্রমী একটা গান। আধুনিক জীবনের বিষাদ ফুটে উঠেছে গানে। রাজি হয়ে গেলাম।'
নতুন গানটি প্রসঙ্গে সংগীতশিল্পী আসিফ আলতাফ বলেন, 'পেনসিল হিল' অনেক আগে লেখা ও সুর করা একটি গান। আমি চেয়েছিলাম গানের সঙ্গে মানানসই একজন শিল্পী। হঠাৎ মনে হলো আমাদের শৈশবের প্রিয় শিল্পী মৌকে প্রস্তাব দিয়ে দেখা যেতে পারে। মৌয়ের রাজি হওয়াটা ছিল আমার জন্য আনন্দের সংবাদ।
এবারের ঈদুল আজহায় গানটি আসিফ আলতাফের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ পেয়েছে। গানটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শক ও শ্রোতা মহলে সাড়া ফেলেছে গানটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় গত মে মাসে এইচআইভি-এইডসে আক্রান্ত হয়ে মোট তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে জেলাটিতে মোট সাতজনের মৃত্যু হলো। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে পুরুষ-পুরুষ যৌনসম্পর্ক এবং পুরুষ যৌনকর্মীর মাধ্যমে সংক্রমণের হার বেড়ে গেছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এইচআইভি-এইডস এইচটিসি/এআরটি সেন্টারের কাউন্সেলর কাম অ্যাডমিন মো. আরিফ হাসান জানিয়েছেন, বর্তমানে কুমিল্লা জেলায় ৩৮৫ জন এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত ৮ মে ৩৫ বছর বয়সি একজন, ১৩ মে ৪৯ বছর বয়সি একজন এবং ২৫ মে ২১ বছর বয়সি এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনই কুমিল্লার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন ২০২১ সালে এইচআইভি আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছিলেন এবং বাকি দুজনের ক্ষেত্রে রোগটি শেষ পর্যায়ে গিয়ে ধরা পড়েছে। চলতি বছরে জানুয়ারিতে দুজন, মার্চে একজন, এপ্রিলে একজন এবং মে মাসে তিনজনসহ মোট সাতজনের মৃত্যু ঘটেছে।
কুমেক হাসপাতালের এআরটি সেন্টারে চিকিৎসা নিতে আসা এক নারী জানিয়েছেন, তার স্বামী আগে থেকেই এইচআইভি আক্রান্ত ছিলেন কিন্তু বিষয়টি পরিবারের কাছে গোপন রেখেছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি পরীক্ষা করে এইচআইভি পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। তিনি একটি শিশুসন্তান নিয়ে সামাজিক ও পারিবারিক বাধা সত্ত্বেও নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।
কুমেক এইচটিসি/এআরটি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৬৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ৩৭ জন এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন একই সঙ্গে যক্ষ্মা (টিবি) রোগেও আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ১৮ জন পুরুষ-পুরুষ যৌনসম্পর্কের মাধ্যমে, ৩ জন বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে এবং ২ জন বিদেশে অবস্থানকালে আক্রান্ত হয়েছেন।
মো. আরিফ হাসান বলেন, ‘অতীতে অধিকাংশ সংক্রমণ রক্ত সঞ্চালন বা অন্যান্য কারণে হলেও বর্তমানে নতুন শনাক্তদের বেশিরভাগই যৌনবাহিত সংক্রমণের শিকার। ২০১৯ সাল থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ৯১ জন পুরুষ-পুরুষ যৌনসম্পর্কের মাধ্যমে, ৪০ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ৪৯ জন প্রবাস থেকে ফেরার পর, ৪১ জন আক্রান্ত জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে এবং ২১ জন নারী যৌনকর্মীর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ হাজার ৬৪৬টি এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ২৭৮ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪০ জন টিবিতেও আক্রান্ত ছিলেন। এ সময়ের মধ্যে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৩ জন চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমানে এআরটি সেন্টারের আওতায় মোট ৬১৫ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন।
সরকারী ব্যবস্থাপনায় এইচআইভি আক্রান্তদের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের বিষয়টি জানিয়ে মো. আরিফ হাসান বলেন, নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে হতাশার বিষয় হলো, গত প্রায় দুই বছর ধরে এই সেবার সঙ্গে যুক্ত কাউন্সেলর ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁরা রোগীদের সেবাদান অব্যাহত রেখেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ ২০২৭ সালরে ডিইও ব্যাচে দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ সময়সীমা ১১ জুলাই ২০২৬।
চাকরির বিবরণ—
১. শিক্ষা শাখা (মাস্টার অব স্পেশাল এডুকেশন)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি বিএড (অনার্স) ইন স্পেশাল এডুকেশন এবং ইনক্লুসিভ এডুকেশন ও মাস্টার অব স্পেশাল এডুকেশন। প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৪.০০ পেতে হবে। ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ, যাঁরা ও-লেভেলে যেকোনো ২টি বিষয়ে ন্যূনতম এ গ্রেড এবং ৪টি বিষয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড পেতে হবে। এছাড়া, এ-লেভেলে যেকোনো ৩টি বিষয়ে ন্যূনতম গ্রেড থাকতে হবে।
চার বছর মেয়াদের বিএড (অনার্স) ইন স্পেশাল এডুকেশন এবং ইনক্লুসিভ এডুকেশন ও মাস্টার অব স্পেশাল এডুকেশন উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ-৩.০০ (৪-স্কেলে) থাকাও প্রয়োজন।
২. শিক্ষা শাখা (সাধারণ বিষয়)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সরকার কর্তৃক স্বীকৃত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজি/পদার্থবিজ্ঞান/রসায়ন/মনোবিজ্ঞান বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান)–সহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে।
প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৪.০০ পেতে হবে এবং ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ও-লেভেলে যেকোনো ২টি বিষয়ে ন্যূনতম এ গ্রেড ও ৪টি বিষয়ে ন্যূনতম ৪ গ্রেড পেতে হবে। তদুপরি, চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ও মাস্টার্স উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ-৩.০০ (৪-স্কেলে) থাকতে হবে।
৩. শিক্ষা শাখা (ইঞ্জিনিয়ার)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সরকার কর্তৃক স্বীকৃত স্বনামধন্য পাবলিক/প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যারোস্পেস ও অ্যাভিওনিকস)/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং/ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৪.৫০ পেতে হবে। এছাড়া, ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ও-লেভেলে যেকোনো ৩টি বিষয়ে ন্যূনতম এ গ্রেড ও ৩টি বিষয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড এবং এ-লেভেলে যেকোনো ১টি বিষয়ে ন্যূনতম A গ্রেড, ২টি বিষয়ে ন্যূনতম ৪ গ্রেড থাকতে হবে। পরে, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম সিজিপিএ-৩.০০ (৪-স্কেলে) থাকতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা (ন্যূনতম)
পুরুষ-
ক। উচ্চতা: ১৬২.৫ সে.মি.(৫'-৪")
খ। বুকের মাপ: স্বাভাবিক ৭৬ সেমি (৩০"), সম্প্রসারিত ৮১ সেমি (৩২")
গ। ওজন: ৫০ কেজি
মহিলা-
ক। উচ্চতা: ১৫৫ সেমি (৫'-১")
খ। বুকের মাপ: স্বাভাবিক ৭১ সেমি (২৮"), সম্প্রসারিত ৭৬ সেমি (৩০")
গ। ওজন: ৪৬ কেজি
বয়সসীমা
১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর হতে হবে।
বৈবাহিক অবস্থা
বিবাহিত/অবিবাহিত।
বেতন ভাতা
সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী।
অযোগ্যতা
১. দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণযোগ্য নয়।
২. সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অথবা যেকোনো সরকারি চাকরি হতে বরখাস্ত কিংবা অপসারিত হলে আবেদন করতে পারবেন না। আইএসএসবি কর্তৃক দুবার স্ক্রিন্ড আউট/প্রত্যাখ্যাত প্রার্থীরা (একবার স্ক্রিন্ড আউট এবং একবার প্রত্যাখ্যাত) আবেদন করতে পারবেন। তবে, যাদের গ্র্যাজুয়েট/মাস্টার্স/সমমানের ডিগ্রি অর্জনের পূর্বে ২ (দুই) বার স্ক্রিন্ড আউট/প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাঁরা ন্যূনতম ৫ বছর পর গ্র্যাজুয়েট/মাস্টার্স/সমমানের ডিগ্রি অর্জন সাপেক্ষে আইএসএসবিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
৩. সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর আপিল মেডিক্যাল বোর্ড কর্তৃক অযোগ্য বিবেচিত হলে। কোনো বিচারালয় হতে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে। একজন বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ বা অঙ্গীকারবদ্ধ হলে আবেদন করতে পারবেন না।
আবেদনের নিয়ম
প্রার্থীগণকে https://joinnavy.navy.mil.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে হোমপেজের APPLY NOW–এ ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।
আবেদন ফি
১০০০ টাকা।
আবেদনের সময়সীমা
আবেদন শুরু: ৭ মে ২০২৬
আবেদন শেষ: ১১ জুলাই ২০২৬
*বিস্তারিত তথ্যের জন্য দেখুন https://joinnavy.navy.mil.bd/ এই ঠিকানায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর যেই চেষ্টা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) করেছে, সেটি ব্যর্থ হয়েছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দিলেও, গত দুদিন ধরে ৬ শিশুসহ ওই ২৮ জন নারী, পুরুষ সীমান্তের শূন্যরেখায় মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোররাতে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশুকে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৫-আর পিলারের নিকটে দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছিল ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
ওই বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে, তারা দ্রুত বিজিবিকে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই পুশইনে প্রতিরোধ গড়ে তুললেন এবং ওই ২৮ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় ফিরিয়ে পাঠিয়ে দেন।
এ বিষয় সম্পর্কে বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, বৃহস্পতিবার প্রথমে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করলো। পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় পতাকা বৈঠকে তারা পুশইনের বিষয়টি স্বীকার করলো এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ওই ২৮ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দিল।
তবে শুক্রবার (৫ জুন) পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজিবিকে জানানো হয়নি। জানা গেছে, বর্তমানে ওই ২৮ জন শূন্যরেখা থেকে ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।
এদিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের সীমান্তে জনবল বৃদ্ধিসহ পুশইনের বিভিন্ন তৎপরতা অব্যাহত রাখার ফলে বিজিবিও সীমান্তে জনবল বাড়িয়ে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিজিবি রাজশাহীর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, ‘বিএসএফের সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের জানানোর কথা ছিল। তারা যদি আমাদের জানিয়ে থাকতো, তাহলে আমরাও আমাদের করণীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা আমাদের কিছু জানায়নি। এমন অবস্থায় সীমান্তে রাতদিন সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ