বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৩৬ পি.এম
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরিফ সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় এই সফরের প্রয়োজন হয়েছে।
দুই দিনের এই সরকারি সফরে তিনি সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সফরে পাকিস্তান-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় হবে।
এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌদি আরবে যাচ্ছে।
প্রতিনিধিদলে উপস্থিত আছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান এবং সরকারের আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও কর্মকর্তা।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগও বাড়ছে।
এদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তান বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে আমরা অন্যান্য দেশের সঙ্গে এখনও সম্পৃক্ত রয়েছি।
হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সমন্বিত ও টেকসই সমাধান বের করতে আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চাইছে।
বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণে ইসলামাবাদ ও রিয়াদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ছয়জন মারা গেছেন। এই তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৩৩ জন। এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা মোট এক লক্ষ ৩৩ হাজার ৬৩৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছিল ৮৫। একই সময়ের মধ্যে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৪০ জন।
বিশেষ করে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ৮৭৯ জন। এদিকে, একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৫৮৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্টের মধ্যে সন্দেহজনক হামের কারণে মোট ৭৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয় নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জনের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালদ্বীপের প্রতিনিধি জানান, মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
তাদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতালয়ের কনস্যুলার সহকারী মো. ইবাদ উল্লাহ। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম কাউন্সিলর) মো. মুহতাছিম বিল্ল্যাহ।
পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, আন্দোলনের বিভিন্ন ধাপ, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব সৈয়দ আমজাদ আলী, মালদ্বীপ বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ ফোরাম মালদ্বীপের সাধারণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. আলমগীর সিকদার।
এছাড়া এই অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং বাংলাদেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রথম সচিব (শ্রম কাউন্সিলর) মো. মুহতাছিম বিল্ল্যাহ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। শহিদদের আত্মত্যাগ জাতিকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে। তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের টিকিট পায় আলবিসেলেস্তারা। বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম এ ঘটনা ঘটে। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পরও রোমাঞ্চকর জয় অর্জন করেছিল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডকে হারানোর দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ১৫ জুলাই, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল জয়ের মাস পেরোনোর আগেই ‘জাতীয় ফুটবল দল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এএফএ। এ কারণে প্রতিবছর এই দিনটি দেশে বিশেষভাবে পালন করা হবে। বুধবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এএফএ’র নির্বাহী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এক বিবৃতিতে আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থা জানায়, লিওনেল স্কালোনির দল শুরুতে থ্রি লায়ন্সদের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়লেও হাল ছাড়েনি। এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের জোড়া গোলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দল জয় পায়। সেই ঐতিহাসিক জয় পুরো আর্জেন্টিনা জাতিকে আনন্দাশ্রুতে ভাসিয়েছিল এবং দেশটির লাখো মানুষ রাজপথে নেমে জয়োল্লাসে মেতে উঠেছিলেন। আর্জেন্টিনার সেই জয়ের পরপরই বিতর্কও শুরু হয়, যা গড়ায় ফিফা তদন্ত পর্যন্ত। খেলা শেষে গ্যালারি থেকে ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ লেখা একটি ব্যানার মাঠে ছুড়ে দেন এক সমর্থক। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো সেটি কুড়িয়ে নেন এবং খেলোয়াড়রা তা উঁচিয়ে ধরে উল্লাস করেন। সেই ছবি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ আটলান্টিকের ফকল্যান্ড দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক জান্তার অধীনে থাকা আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ৭৪ দিনের সেই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা প্রাণ হারান, আর জয় পায় যুক্তরাজ্য। রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক এই সংবেদনশীলতার কারণে ব্যানার কাণ্ড নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক নালিশ জানায় ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে নেপালের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ চালু করার কথা জানান। এ উদ্যোগটি শিক্ষা, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
এ ঘোষণা তিনি বৃহস্পতিবার নেপাল থেকে কাঠমান্ডুর ধুমবারাহিতে অবস্থিত ন্যাশনাল কলেজের আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে দেন। এই সম্মেলনটি ক্রস-কালচারাল ও মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিভিন্ন দেশের গবেষক, মনোবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশগ্রহণ করেন।
উপাচার্য এ সময় বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়, যা প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী এবং আড়াই হাজারের বেশি কলেজ নিয়ে দেশের উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রায় ৫০টি বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করা হয় এবং মনোবিজ্ঞান এখানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে অনেক দেশবাসী শিক্ষার্থী মানসিক আঘাত ও ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, দক্ষ কাউন্সেলিং ব্যবস্থা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত না করে টেকসই মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
ড. আমানুল্লাহ জানান, বর্তমানে দেশে কাউন্সেলিং, অ্যাপ্লাইড এবং সোশ্যাল সাইকোলজিস্টের তীব্র অভাব রয়েছে। বর্তমান চাহিদা পূরণের জন্য অন্তত ৩০ হাজার মনোবিজ্ঞানীর প্রয়োজন, কিন্তু কর্মরত আছেন মাত্র ৩০০ জন। এ সংকট কাটাতে প্রত্যেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে কাউন্সেলিং সেবা চালু এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ মনোবিজ্ঞানী তৈরিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ, একাডেমিক বিনিময় এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে। শিগগিরই মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে।
তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়সহ নেপালের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্কভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ঘোষিত স্কলারশিপের সুযোগ গ্রহণ করতে আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশ-নেপালের শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।
সম্মেলনে সার্কের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ার, নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান, কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. অচ্যুত ওয়াগল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ