ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লাকী আখান্দের জন্মদিনে ‘দলছুট’-এর বিশেষ উপহার


লাকী আখান্দের জন্মদিনে ‘দলছুট’-এর বিশেষ উপহার

আজ ৭ জুন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখান্দের জন্মবার্ষিকী। এই দিনে ১৯৫৬ সালে তিনি পৃথিবীকে আলোকিত করেছিলেন। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ উপহার নিয়ে এসেছে ব্যান্ড ‘দলছুট’।

‘দলছুট’ একটি নতুনভাবে পরিবেশন করেছে লাকীর বিখ্যাত গান ‘এই নীল মনিহার’। শনিবার রাতে এই খবরটি নিশ্চিত করেন ‘দলছুট’ প্রধান বাপ্পা মজুমদার।

গানটির কথা লিখেছিলেন এস এম হেদায়েত। নিজের সুরে গানটি গেয়েছিলেন লাকী আখান্দ। ১৯৮৪ সালে তিনি নিজের নামে প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন। এই গান সেই অ্যালবামের একটি অংশ, এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রজন্মের অনেক শিল্পী গানটি কাভার করেছেন।

আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি

লাকী আখান্দের জন্ম ঢাকায়। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তিনি বাবার কাছে সংগীতে হাতেখড়ি নেন। সাত বছর বয়সেই তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে বেতার ও টেলিভিশনে গান গাওয়া শুরু করেন। আর মাত্র ১৪ বছর বয়সে বিখ্যাত এইচএমভি পাকিস্তানের সুরকার হন তিনি।

লাকীর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে তার ছোট ভাই হ্যাপী আখান্দের অ্যালবামের সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে। সেটি ছিল ১৯৭৫ সালের কথা। এরপর পাঁচ বছর পর তিনি সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকীর কালজয়ী ছবি ‘ঘুড্ডি’র সংগীত পরিচালনা করেন। এই ছবিতে হ্যাপীর অ্যালবাম থেকে ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ গানটি ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। আজও সেই গান শ্রোতাদের মুখে মুখে ঘোরে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইনমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এই ধন্যবাদ জানান।

তিনি একই সঙ্গে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা উল্লেখ করে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের মতো একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনার তদন্ত দ্রুত চালনা, অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।

এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভবিষ্যতেও একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে সভায় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যবৃন্দরা এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলা : উচ্চ আদালতেও মৃত্যুদণ্ড বহালের আশা আইনমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


রামিসা হত্যা মামলা : উচ্চ আদালতেও মৃত্যুদণ্ড বহালের আশা আইনমন্ত্রীর

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যার অপরাধে আসামি সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় বহাল থাকবে বলে তাঁর আশা রয়েছে।

রায় ঘোষণার পর আজ (রোববার) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করে মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে এমন একটি বেদনাদায়ক ঘটনার বিচার সম্পন্ন করতে পেরেছি। ঘোষিত শাস্তিতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট এবং আমরা আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।’

মন্ত্রী জানান, প্রধান বিচারপতির সম্মতিতে শিশু ট্রাইব্যুনালকে আদালতের অবকাশের বাইরে রাখা হয়েছিল। এর ফলে ২৪ মে মামলাটি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছে। গত ১ জুন অভিযোগ গঠন, পরবর্তী দিনগুলোতে সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির জবানবন্দি ও যুক্তিতর্ক শেষে কার্যত ছয় কার্যদিবসের মধ্যেই রায় ঘোষণা করা হয়েছে; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি প্রথম।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ার কোনো ধাপে যাতে ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেজন্য আইন অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। আসামিপক্ষ আইনজীবী নিয়োগ না করায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবীও নিয়োগ দেওয়া হয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাতিলের কারণে বিচারকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল না।

তিনি বলেন, আমার প্রত্যাশা আগামী তিন মাসের মধ্যে এ বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব, যদি সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এটিকে প্রাধান্য দিয়ে শুনানি করেন। তিনি মনে করেন, তাঁরা সেটি করবেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেলের ব্যাপারে তিনি বলেন, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পরেও বিচারকে অন্য খাতে প্রবাহিত করতে, বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার জন্য তিনি মামলার রেকর্ডে নেই এমন একজনের নাম বলেছিলেন। এই কাজটি তিনি করেছেন বিচার থেকে মানুষের ফোকাস অন্যদিকে ঘোরাতে। কিন্তু আমরা আমাদের জায়গায় অটল ছিলাম এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে দ্রুত এগিয়ে গেছি।

উচ্চ আদালতে বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ডেথ রেফারেন্স মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আরও গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিশু রাজন ও রাকিব হত্যাসহ দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা মামলাগুলোর বিষয়েও আমরা সচেতন। আইনে কতদিনের মধ্যে এ ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে সেটির উল্লেখ না থাকলেও শিশু আছিয়া ও রামিসার মামলাসহ সব ডেথ রেফারেন্স যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তির জন্য আমরা কাজ করে যাব।’

তিনি বলেন, শুধু কঠোর আইন দিয়ে এ ধরনের অপরাধ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা সম্ভব নয়। সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ নির্মূলে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ (রোববার) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইনের শিকার ছোট্ট রোজিনা বাড়ি ফিরতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


পুশইনের শিকার ছোট্ট রোজিনা বাড়ি ফিরতে চায়

ভারতের কলকাতার একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে রোজিনা আক্তার। তার জীবন সেখানেই বাবা-মা ও পাঁচ ভাইবোনকে নিয়ে সুখের মাঝে কাটছিল। কিন্তু ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রোজিনার বাবা-মা, ভাইবোনসহ ১১ জনকে ঠাকুরগাঁও সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে বদলে যায় সবকিছু। যে চোখে এক সময় রোজিনা স্বপ্ন দেখত লেখাপড়া করে অনেক বড় হবে, আজ সেই চোখেই ভয়, অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতার ছাপ রয়ে গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তে গত শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি তা প্রতিহত করে। পরে তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তারা তিন দিন ধরে কাঁটাতারের ওপারে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। এখনও বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নেয়নি। দুই দফা পতাকা বৈঠক হলেও কোনো সমাধান মেলেনি।

ফলে, সীমান্তসংলগ্ন জমিতে তারা তিন দিন ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কখনো প্রখর রোদে, কখনো বৃষ্টিতে ভিজে, খাবার ও গোসলের সুযোগ ছাড়াই বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন অবস্থায় মশালগাঁও সীমান্ত এলাকার গ্রামবাসীরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু শুকনো খাবার দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কাতর প্রতিবন্ধী ছোট ভাই এবং নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা মাকে নিয়ে রোজিনার কান্না যেন থামছেই না। সে দ্রুত বাড়ি ফিরতে চায়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৪৯/৭-এসের কাছে বিএসএফ ১১ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। তারা বর্তমানে ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৫০ গজ ভেতরে অবস্থান করছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দমদম এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২৬ মে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হেফাজতে নেয় এবং একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখে যেখানে আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন অবস্থান করছিলেন। পরে তাদেরকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

তাদের দাবি, ভারতীয় পুলিশের একটি গাড়িতে করে ৮৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বহরগাঁও ক্যাম্পে নেওয়ার পর একদিন সেখানে রাখা হয়। এরপর ৬ জুন রাতে সীমান্তের দিকে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

দিনাজপুর ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনার উপরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক চলমান রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীর চরে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


নদীর চরে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ভদ্দর শিকদার (৪০) নামে এক জেলের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টার সময় উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পশ্চিম লোন্দা গ্রামের টিয়াখালী নদীর পাশে অবস্থিত একটি ইটভাটাসংলগ্ন চর থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত ভদ্দর ওই গ্রামের ইউসুফ আলী শিকদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ভদ্দর শিকদার পেশায় একজন জেলে ছিলেন। তিনি তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তবে মাছ ধরার সুবাদে তিনি বেশির ভাগ সময় নদীর চরে কাটাতে অভ্যস্ত ছিলেন। সকালে স্থানীয় মানুষজন যখন তার মৃতদেহ ওই চরে পড়ে থাকতে দেখতে পান তখন তারা পুলিশকে সংবাদ দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তার শরীর থেকে চামরা খসে পড়ে ফুলে ফেঁপে ওঠায় মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি কেউ। এ বিষয়ে পায়রা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ নয়ন কারকুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের ধারণা, অন্তত তিনদিন আগে ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন বিদ্যমান। এসব চিহ্ন বজ্রপাতের আঘাত অথবা অন্য কোনো আঘাত হতে পারে। কিন্তু মৃত্যুর কারণ ঠিক কি, সেটি সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%