১০:৩০ এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানগুলোর বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে প্রদর্শন করেছে। এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানও রয়েছে, যা ইরানের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়ে ভূপাতিত হয়েছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি একটি টিজারে প্রদর্শনীতে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী তুলে ধরেছে। প্রদর্শনীতে দেখা যায়, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটির পাইলটের ইজেকশন সিট, বিমানের ককপিটের ক্যানোপির একটি অংশ এবং লেজের একটি অংশও।
প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্যান্য সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি ভূপাতিত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশও রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পারস্য উপসাগরে মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ এবারই প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রদর্শিত হচ্ছে।
এর আগে, আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানিয়েছিলেন যে, ১২ দিনের যুদ্ধের পর আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সকে একটি নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, এই প্রকল্পটি দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয় এবং এর মাধ্যমে নতুন একটি দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে যুদ্ধের সময় ওই ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়েছে।
মোহেবি আরও দাবি করেছেন, সংঘাতের সময় ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে, আইআরজিসি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসের দাবি করেছে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে তেলের দাম বেড়ে ১১০ ডলারে পৌঁছেছে
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএস) বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, চালকসহ ও চালকবিহীন যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত স্থানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন