বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪০ এম
হিমালয় ও তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে নেপালের বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগের ফলে প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি নেপালের মোট স্থাপিত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩.২ গিগাওয়াটের ১২ শতাংশেরও বেশি।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি ঢলের কারণে নেপালের ভোটেকোশি নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ও অবকাঠামোয় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। বন্যার পানির সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে কয়েকটি জেলায়। এর ফলে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু এবং একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকশ মানুষ।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্যোগের ফলে ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। জলবিদ্যুৎনির্ভর নেপালের অর্থনীতিতে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি নদীগুলোকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তুলছে নেপাল। ফলে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা নেপাল সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, ভোটেকোশি, ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের দ্রুত নদীর তীর থেকে সরে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নুওয়াকোট জেলার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, ভবনগুলো ঘন কাদায় ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত কাদা জমে থাকতে দেখা গেছে। কাদার নিচে চাপা পড়েছে যানবাহন। গাছ ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে আটকে আছে বন্যার ধ্বংসাবশেষ।
হিমবাহ থেকে তুষারধসের আশঙ্কা
কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের (আইসিআইএমওডি) জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, হিমবাহ থেকে সৃষ্ট একটি তুষারধসই আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে পেছনে থাকতে পারে।
নেপালের সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বতেও একই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ভূমিধসে অন্তত তিনজন নিহত এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ড্রোনের ফুটেজে সড়ক ধ্বংস এবং কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে ভবন চাপা পড়ার চিত্র দেখা গেছে।
হিমালয়ে বাড়ছে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি
হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই বড় হুমকি হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ার মতো ঘটনা বাড়ছে।
গত বছরের আগস্টেও তিব্বতে অতিরিক্ত তাপমাত্রার মধ্যে একটি হিমবাহ-হ্রদের পানি উপচে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত নয়জন নিহত হন এবং নেপাল-চীন সংযোগকারী একটি সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
সূত্র : এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চারদিকে কাদা, পাথর এবং প্রবল স্রোতের তাণ্ডব চলছে। মুহূর্তের মধ্যে চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে ঘরবাড়ি। ভয়াবহ বন্যার এই পরিস্থিতিতে, স্রোতে ভেসে গেলেও একটি আমগাছের ডাল আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে গেছেন ২৪ বছর বয়সী নেপালি শ্রমিক বিবেক কুমাল।
বুধবার সকালে, তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন বিদেউর এলাকায় একটি নতুন বাড়ির শৌচাগারের গর্ত খোঁড়ার কাজ করছিলেন বিবেক। হঠাৎ করে বিকট শব্দ শুনে ওপরে থাকা সহকর্মীরা তাকে দ্রুত গর্ত থেকে উঠে পালিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি বের হওয়ার আগেই কাদা ও পানির প্রচণ্ড স্রোত তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
স্রোতের তোড়ে ভেসে যাওয়ার সময় ভাগ্যক্রমে একটি আমগাছের শক্ত ডাল ধরে ফেলেন বিবেক। পরে বেঁচে ফেরা বিবেক কুমাল জানান, "আমগাছটি আঁকড়ে ধরে না থাকলে আমি হয়তো আর বেঁচে ফিরতে পারতাম না।"
গাছের ওপর আটকে থাকা অবস্থায়, তিনি নিজের চোখের সামনে কর্মস্থলটি পানির তোড়ে নিশ্চিহ্ন হতে দেখেন। এ সময় কাদা ও পাথরের আঘাতে তার ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে উদ্ধারকারী দল তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
বর্তমানে, বিবেকের মতো বন্যায় আক্রান্ত অনেকেই কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পাশের শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছে ১১ বছর বয়সী রিহানা লামিছানে। স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে নদী পার হওয়ার সময় প্রবল স্রোতে পড়ে আহত হয় সে।
সহপাঠীদের কী হয়েছে, তা এখনো জানতে পারেনি রিহানা। তবে প্রাণে বেঁচে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারায় সে স্বস্তি প্রকাশ করেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত শতাধিক আক্রান্ত মানুষকে জীবিত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকার মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামা ওবায়েদ সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জোটে যুক্ত হচ্ছে। সার্ক, বিমসটেক, ইন্দো-প্যাসিফিক ও ব্রিকসের মতো বিভিন্ন কৌশলগত জোটের বিস্তার ঘটছে। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোটের বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্ভাব্যভাবে জোটে যুক্ত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে কি না, সেসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মরত। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। সব দিক পর্যালোচনা করেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ন্যাটোর আদলে গঠিত জোটটির মূল শর্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর যৌথ আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে এই জোটের কার্যক্রম শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সদস্য দেশগুলোর অর্থায়ন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে আগ্রহী অন্যান্য দেশের জন্যও জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে জানিয়েছেন, মার্কিন চাপের মুখে তারা পিছু হটবেন না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও আদালত তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আকানে জানান, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর তার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তিনি আরও বলেন, যদি আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, তবুও তারা হাল ছাড়বে না।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, আইসিসির মতো একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানকে কখনোই বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, "আমরা এটি বন্ধ হতে দিতে পারি না। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করব।"
ইসরাইল নিয়ে তদন্তের জের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি এবং সম্ভাব্য মার্কিন কর্মকর্তাদের যুদ্ধাপরাধের তদন্তের কারণে আইসিসিকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, গত সপ্তাহে আকানে ছাড়াও আইসিসির সেনেগালিজ জ্যেষ্ঠ ট্রায়াল আইনজীবী আবদুলায়ে সেইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগের তদন্তের কারণে এর আগে আইসিসির আরও কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
জাপানের সহায়তা চান আকানে
আইসিসির সবচেয়ে বড় অর্থদাতা জাপান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সরকারের নিন্দাকে ‘দুর্বল’ বলে সমালোচনা করা হলেও তিনি মঙ্গলবার বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা জাপানের দায়িত্ব।
তাকাইচি বলেন, "আইসিসির বৃহত্তম অর্থদাতা হিসেবে, আমাদের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে রক্ষা করতে হবে।" তিনি আরও যোগ করেন যে, জাপান যখন এবং যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে হস্তক্ষেপ করবে।
আকানে আশা প্রকাশ করেছেন যে, আদালতের বৃহত্তম অর্থদাতা দেশ হিসেবে জাপান মার্কিন চাপের মুখে পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, "আমি আশা করি, জাপান কম শক্তিশালী সদস্য দেশগুলোর কাছে পৌঁছাবে, যারা [আইসিসি] ছেড়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে পারে, এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে উৎসাহিত করবে।"
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাস।
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাসহ জেলার পাঁচ থানা—নাচোল, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে কিংবা কোনো পুলিশ সদস্য চাঁদা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে কঠোর আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী পুলিশ সদস্য হলেও কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি এই কড়া বার্তা ও নির্দেশনামা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, "পুলিশের প্রধান কাজ জনগণকে সেবা দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য যদি নিজে অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। থানায় সেবা নিতে আসা কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই অহেতুক হয়রানি বা হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সব থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
জেলা জুড়ে চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত শক্ত থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সাধারণ জনগণকে কোনো প্রকার ভয় না পেয়ে যেকোনো অনিয়ম, হয়রানি বা চাঁদাবাজির তথ্য সরাসরি পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। একই সাথে তিনি নিশ্চিত করেন যে, সঠিক তথ্যপ্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ