১০:০২ পি.এম
শুরুটা আশানুরূপ না হলেও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ৩-০ গোলে হাইতিকে উড়িয়ে দিয়ে সেলেসাওরা গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এই ম্যাচে আলোচনায় এসেছে সেলেসাও ফুটবলারদের নাচ। বিশেষ করে মাতেউস কুনিয়ার উদযাপনের নাচটি দ্বিতীয় গোলের পর নজর কাড়ে।
কুনিয়ার এ ধরনের উদযাপন অবশ্য নতুন নয়। ক্লাব পর্যায়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে একই ভঙ্গিতে নেচে উদযাপন করতে দেখা গেছে কুনিয়াকে। গতকালকের ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের এই উদযাপন নিয়ে সমর্থকদের উদ্বেগ বেড়েছে। চলুন, এরপর এর পেছনের কারণটি জেনে নেই।
ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রতীরের শহর জোয়াও পেসোসা। এখানে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা কুনিয়া। ক্লাব ক্যারিয়ারে জার্মানি এবং স্পেন হয়ে পাড়ি জমিয়েছেন ইংল্যান্ডে। গত মৌসুমে উলভস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন। ইউনাইটেডের লাল জার্সিতে এক মৌসুমে গোল করার পর কুনিয়ার নাচটি নিয়মিত হয়ে উঠেছে। এবার, সেই উদযাপন নিয়ে এসেছে নিজের প্রথম বিশ্বকাপে।
আরও পড়ুন: নাইম হাসান ৫০ উইকেটের ক্লাবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নেন ৪ উইকেট
হাইতির সঙ্গে ম্যাচে প্রথম গোলের পর নেচেছেন কুনিয়া। দ্বিতীয় গোলে তিনি দিয়েছেন ডাইভ। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের দুটো উদযাপনের পেছনে ছিল তার সমুদ্রপাড়ের জীবনের স্মৃতি।
সাগরপারের ছেলে কুনিয়া অবসরে সুযোগ পেলেই ছুটে যান সমুদ্রসৈকতে। বেশ কয়েক বছর ধরে সার্ফিংয়ে তার আগ্রহ বেড়ে গেছে। কিন্তু ইংল্যান্ডে খেলার কারণে এটি আর হয়ে উঠছে না। তাই ছুটি পেলেই কুনিয়া ছোটেন নিজের এলাকায়। সেখানকার বন্ধুদের সঙ্গে সার্ফিং করা যেন তার জন্য এক নেশায় পরিণত হয়েছে। সেই বন্ধুরা তাকে বলেছেন, যেন গোল করার পর সার্ফিংয়ের এই উদযাপন করেন।
গত বছর লিভারপুলের বিপক্ষে ইউনাইটেডে এমন উদযাপনের পর তিনি সার্ফিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ব্রাজিলে গেলেই আমার বন্ধুরা বলে, “তুই তো সার্ফ করতে পারিস না। আগে তোকে প্যাডল আপ করে সার্ফ বোর্ডে দাঁড়িয়ে থাকা শিখতে হবে।” আমি বলেছি, ঠিক আছে, আরও ভালো করতে হবে। আমি ফুটবল আর সার্ফিং—দুটিই ভালোবাসি। এই দুটিই আমার জীবনের অংশ।’
আরও পড়ুন: আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসির দাবি, বিএনপির অফিস বন্ধ হয়নি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন