প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লেবাননে নিহতের সংখ্যা এখন ৪ হাজারের বেশি ছাড়িয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মধ্যে, ইসরায়েলি হামলা এখানে অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ, বেকা উপত্যকা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তথ্য অনুসারে, গত শুক্রবার একদিনেই নিহত হয়েছেন ৮৪ জন। এ নিয়ে নিহতের মোট সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি মানুষ।
লেবাননের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ক্রমবর্ধমান।
অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করছে, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো এবং অবস্থানে লক্ষ্য রেখে অভিযান চালাচ্ছে।
সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানানো হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৫৭ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন।
শনিবারের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের হামলায় নিহতের সংখ্যা পূর্বের হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি দেখা গেছে। সংশোধিত হিসাবে দেখা যায়, শুক্রবার একদিনেই ৮৩ জন নিহত এবং ১৪১ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহত এবং আহতদের মধ্যে অধিকাংশই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। দেশের পূর্বাঞ্চলেও হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
এ পরিস্থিতিতে, ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এই ঘোষণা দিয়েছে।
একটি বিবৃতিতে ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ বলছে, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির লঙ্ঘন এবং এই কারণেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলো। এটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রথম পদক্ষেপ।’
এদিকে চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু এবং বারো হাজারেরও বেশি আহত হওয়ার কারণে লেবাননে মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল এবং জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন