১০:১৭ এম
ব্রাজিলের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা ও নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে সন্দেহ তৈরির অভিযোগের ভিত্তিতে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ দুই কর্মকর্তার ভিসার আবেদন বাতিল করেছে ব্রাজিলের সরকার। ব্রাজিলীয় দুই কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে।
বাতিল হওয়া ভিসা আবেদনকারী দুই মার্কিন কর্মকর্তা হলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সহকারী সচিব রাইলি এম. বার্নস এবং উপ-সহকারী সচিব স্যামুয়েল স্যামসন। ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের মতে, মার্কিন পরিকল্পনা আসন্ন অক্টোবর নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে একটি অপচেষ্টা। এই নির্বাচনে বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং কট্টর ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো মুখোমুখি হচ্ছেন। ফ্লাভিও হলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো পুত্র এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র।
একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ঘোলাটে করা এবং ভোট ব্যবস্থা নিয়ে সন্দেহ তৈরির জন্য গত শুক্রবার মার্কিন প্রতিনিধিদলের ভিসার আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে খাড়গের আপত্তিকর মন্তব্যে বিজেপির তীব্র বিক্ষোভ ভারতজুড়ে
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বার্নস ও স্যামসনের সফরটি ছিল মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর রুটিন আলোচনা। তিনি বলেন, নির্বাচনে দুর্বল করার এমন অভিযোগটি ভিত্তিহীন।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে হেরে যাওয়ার পর জাইর বলসোনারো ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছিলেন। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তার ২৭ বছরের কারাদণ্ড হয় এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দী আছেন। ফ্লাভিও বলসোনারো এবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে আবারো ব্রাজিলের ভোটিং ব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন তুলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন