০৭:৩০ এম
বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলকে ১ ১ গোলে রুখে দিয়ে মরক্কো আবারও নিজেদের কৌশলগত পরিপক্বতা প্রদর্শন করেছে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি মরক্কোর ট্যাকটিক্সের কারণে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
মরক্কো শুরু থেকেই উচ্চ প্রেসিং কৌশল গ্রহণ করে, যা ব্রাজিলের ডিফেন্সিভ লাইন ও মাঝমাঠে যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে ব্রাজিলের ব্যাকলাইন থেকে বল বের করার সময় তারা দুই থেকে তিনজন খেলোয়াড় দিয়ে খুব দ্রুত চাপ তৈরি করে, ফলে সেলেসাওদের বিল্ড আপ অনেক সময় ব্যাহত হয়।
মাঝমাঠে মরক্কোর সংগঠিত অবস্থান ব্রাজিলকে ফাইনাল থার্ডে সহজে প্রবেশ করতে দেয়নি। যদিও ব্রাজিল বল দখলে এগিয়ে ছিল, তারা কার্যকর পাসিং রিদম তৈরি করতে পারেনি, যার অন্যতম কারণ ছিল মরক্কোর ব্লকড ডিফেন্সিভ সেটআপ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
কাউন্টার অ্যাটাকে মরক্কো ছিল সবচেয়ে বেশ কার্যকর। তাদের দ্রুত বল আদান প্রদান ব্রাজিলের ডিফেন্সকে বারবার অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলেছে। ২১তম মিনিটে তাদের গোলটিও এসেছে এমনই এক দ্রুত ট্রানজিশন থেকে, যেখানে ব্রাহিম দিয়াজের পাস ও সাইবারির ফিনিশিং ছিল নিখুঁত।
ডিফেন্সিভ সংগঠনে মরক্কো ছিল অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ। তারা বক্সের ভেতরে জায়গা কমিয়ে এনে ব্রাজিলের উইঙ্গারদের স্বাধীনতা সীমিত করে দেয়, ফলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ছাড়া ব্রাজিল খুব বেশি জায়গা তৈরি করতে পারেনি।
অন্যদিকে, ব্রাজিল কিছু সময় পজিশন ধরে রাখলেও মরক্কোর ব্লক ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে। মরক্কো কাসেমিরো ও গিমারায়েসদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ম্যাচের টেম্পো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একক দক্ষতার কারণে ব্রাজিল সমতায় ফিরলেও পুরো ম্যাচে মরক্কোর ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। আনচেলত্তির দলের জন্য এটি ছিল কঠিন এক কৌশলগত পরীক্ষা।
আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন