ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফাঁদে ফেলে বিমান কর্মকর্তাদের জিম্মি করে মৌসুমী


ফাঁদে ফেলে বিমান কর্মকর্তাদের জিম্মি করে মৌসুমী

 

ঠিকাদারদের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যাতায়াত। কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয়। এরপর গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। অভিযোগ, সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে কর্মকর্তাদের ফাঁদে ফেলে দাবি করা হয় লাখ লাখ টাকা, দাবি করা হয় অবৈধ সুবিধার। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মৌসুমী আক্তার লিমার বিরুদ্ধে।

বিশেষ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে ‘হানিট্যাপ’ পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রতিবেদকের হাতে থাকা বিভিন্ন নথি, যোগাযোগের তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে এসব অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফ হত্যা: দুর্গাপুরে অপূর্ব নামের যুবক গ্রেপ্তার

বিমানের কর্মকর্তাদের ফাঁদে ফেলার অভিযোগ

প্রাপ্ত নথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একাধিক কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলার অভিযোগ রয়েছে মৌসুমীর বিরুদ্ধে।
চাকরি ও পারিবারিক নিরাপত্তার কারণে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগীদের দুইজন জানান, মৌসুমী একা নয়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের হয়ে কাজ করে তারা। অবৈধ পণ্যের চোরাচালান বন্ধে তৎপর এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কর্মকর্তাদের টার্গেট করা হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও বিভিন্ন তথ্যকে হাতিয়ার করে কর্মকর্তাদের ওপর চাপ তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কিছু অসাধু কর্মচারী এবং বিভিন্ন টেন্ডারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বা ঠিকাদারদের সাথে বারবার যোগাযোগ করা হলেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে বিমানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সৎ কর্মকর্তাদের কাজ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একাধিক সম্পর্কের তথ্য

মৌসুমী আক্তার লিমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও রয়েছে নানা তথ্য। প্রাপ্ত নথিতে ব্যাংকার, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রথম বিয়ে, দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন
নথি অনুযায়ী, মৌসুমীর প্রথম বিয়ে হয়েছিল পঞ্চগড়ের মিলন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। পরবর্তীতে ৮ অক্টোবর ২০২৩ রিশান নামে আরেক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন তিনি। দ্বিতীয় বিয়ের সময় নিকাহনামায় মৌসুমী নিজেকে ‘অবিবাহিত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফের পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহায়তা, স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস ডেপুটি স্পিকারের

আয় না থাকলেও ৩ লাখ টাকার এফডিআর

মৌসুমীর নিয়মিত কোনো আয় না থাকলেও ২০২৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংকে তার নামে ৩ লাখ টাকার একটি এফডিআর করা হয়। এই অর্থের উৎস কী, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

৬ মাসে ৩২৯ বার ফোন

মৌসুমির গত ছয় মাসের কল লিস্টের তথ্যও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, তার একটি নম্বর থেকে প্রথম স্বামী মিলনের নম্বরে ৩২৯ বার ফোনকল করা হয়েছে।
এ ছাড়া পঞ্চগড়ের আইনজীবী (মূলত পাথর ব্যবসায়ী) আক্তারুল আলম সঙ্গেও সম্পর্কের তথ্য রয়েছে। সাভারের চাপাইনে একাধিকবার মিলিত হয়েছে তারা। যা শিকার করেছে আক্তারুল আলম। সিলেটের এক ব্যাংকের সঙ্গেও মৌসুমীর সম্পর্কের সত্যতা মিলেছে।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এলেন চীনা যুবক

প্রতিবেদকের সাথে কথা বলেননি মৌসুমী

অভিযোগগুলোর বিষয়ে মৌসুমী আক্তার লিমার বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে গেটের নিরাপত্তাকর্মী তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে হারিয়ে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


বাবাকে হারিয়ে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

বাবা হারানোর বেদনা মানুষের জীবনে অন্যতম গভীর ক্ষত। জীবনের প্রতিটি পথচলার সময় ছায়ার মতো লিওনেল মেসিকে আগলে রেখেছিলেন তার বাবা হোর্হে মেসি। জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কে হারিয়ে, লিওনেল মেসি কি এখন ফুটবল নিয়েও নতুনভাবে ভাবছেন?

বাবার মৃত্যুর পর মেসির হৃদয়স্পর্শী বার্তায় তার অবসরের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আবেগঘন বার্তায়, বাবাকে হারানোর শোক ও অপূরণীয় শূন্যতার কথা তিনি তুলে ধরেছেন। স্মৃতিচারণায় জানিয়েছেন, শেষ বিশ্বকাপ খেলার জন্য বাবার প্রবল আগ্রহ ছিল। বিশ্বকাপের ফাইনালে জয়ের পর বাবার হাতে ট্রফি তুলে দিতে না পারার আক্ষেপ তার মনে কুরে কুরে খাচ্ছে। প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে ওঠা কথোপকথন আর কখনো হবে না— এই বাস্তবতাও তার শোককে আরও ভারী করছে।

শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, ফুটবলার হিসেবে মেসির যাত্রাপথে বাবার অবদান গভীর। ছোটবেলার দিনগুলো থেকে ক্যারিয়ারের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে বাবার উপস্থিতি, সমর্থন ও ত্যাগ উল্লেখ করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এখানেই উঠে এসেছে প্রশ্ন— জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটিকে হারানোর পর ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার শক্তি ও আগ্রহ তিনি আদৌ ধরে রাখতে পারবেন তো?

‘তুমি ছাড়া আমি কী করব জানি না, কীভাবে সামনে এগোব বুঝতে পারছি না। আমি শুধু ফুটবল খেলতাম। এখন আমার যথেষ্ট সংশয় আছে যে আমি আর বেশি দিন খেলা চালিয়ে যাব কি না। শুরু থেকেই তুমি আমার পাশে ছিলে, অথচ শেষের দিকে মোটে একটুখানি বাকি ছিল। তুমি আর একটুখানি সময় টিকতে পারলে না কেন, যাতে আমরা একসঙ্গে শেষ করতে পারতাম।’

মেসির এই মহাতারকা হওয়ার পেছনে তার বাবার ত্যাগ, পরিশ্রম ও নিরলস সমর্থন ছিল অপরিসীম। নিজ কাজের ক্লান্তি দূরে সরিয়ে ছোট্ট ছেলেকে নিয়মিত অনুশীলনে নিয়ে যেতেন। ৩৯ বছর বয়সি মেসি পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, তার বাবার সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল পরিবারকে ভালো রাখা এবং ছেলের খেলা উপভোগ করা। কাজের পরও তিনি ছেলেকে অনুশীলনে পৌঁছে দিতেন, যদিও অনেক সময় মেসিকে তার মা নিয়ে যেতেন।

শুধু বাবা হিসেবেই নয়, মেসির জীবনে তার বাবা ছিলেন একই সঙ্গে বন্ধু, অভিভাবক ও এজেন্ট। ক্যারিয়ারে নানা বাঁকে মতের অমিল কিংবা ঝগড়া হলেও বাবার সিদ্ধান্তই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে— সেই সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে মেসি লিখেছেন, জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিতে তার বাবা ছিলেন, যাকে তার প্রয়োজন ছিল।

বাবাকে হারানোর শোক ধারণ করে, মেসি নিজের সন্তানদেরও একই মূল্যবোধে বড় করার অঙ্গীকার করলেন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও আদর্শ তিনি নিজ সন্তানদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান। তাই প্রিয় বাবাকে পাশে না পেলেও, তার শেখানো জীবনবোধ, ভালোবাসা ও পারিবারিক মূল্যবোধের মধ্য দিয়েই তাকে আজীবন নিজের এবং সন্তানদের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ কি পাকিস্তানি গাড়ির পরীক্ষামূলক বাজার হতে যাচ্ছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


বাংলাদেশ কি পাকিস্তানি গাড়ির পরীক্ষামূলক বাজার হতে যাচ্ছে?

বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানে সংযোজিত গাড়ি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটি একদিকে ক্রেতাদের সামনে বিকল্প বাড়াতে পারে, তেমনি অন্যান্য বাণিজ্য কৌশলের আলোচনাকেও সামনে এনেছে।

কেবল গাড়ি নয়, যে কোনো পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দেশ নয়; পণ্যের গুণগত মান হওয়া উচিত মূল বিবেচনা। তদুপরি, বাংলাদেশী ক্রেতাদের স্বার্থ, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বিকাশের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

সম্প্রতি ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’ এবং বাংলাদেশের একটি কম্পানির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় আশা করা হচ্ছে এই বছর ১০০টি গাড়ি আমদানি করা হবে।

আগামী চার বছরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৮০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। এই প্রস্তাবকে দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক উষ্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের গাড়ি শিল্প সম্প্রসারণের জন্য এটির অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে বাংলাদেশের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কেবল পাকিস্তানি গাড়ি বাজারে প্রবেশ করা উচিত কি না; তাও নয়।

বরং প্রধান প্রশ্ন হলো, এই গাড়িগুলো বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্য মূল্য, নিরাপত্তা, গুণমান, প্রযুক্তি, নির্ভরযোগ্যতা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার সেরা সমন্বয় দিতে পারে কিনা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার ক্রেতাদের জন্য আরো ভালো সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে কিনা; এটি একটিকে কার্যকর পরীক্ষাও হতে পারে।

বাংলাদেশকে গাড়ি বাজারে প্রতিযোগিতাকে অবশ্যই স্বাগত জানানো উচিত। তবে একসঙ্গে অন্যান্য সুযোগগুলো খতিয়ে দেখা দরকার। যদি উদ্দেশ্য হয় ক্রেতাদের আরো বেশি বিকল্প এবং সাশ্রয়ী মূল্য দেওয়া, তবে ঢাকার জন্য এই খোঁজ কেবল পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।

বাংলাদেশের উচিত ভারত, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি নির্মাণকারী দেশের যানবাহন ও বাণিজ্যিক প্রস্তাবগুলোর মধ্যে সক্রিয়ভাবে তুলনা করা। বাজার কে দখল করবে, সেটি বাজারই ঠিক করবে; কূটনীতি নয়।

পাকিস্তান নিজেই এখনো তার অটোমোটিভ নিয়ন্ত্রন কাঠামো শক্তিশালী করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। ২০২৫ সালে দেশটির ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট বোর্ড স্থানীয়ভাবে তৈরি ও সংযোজিত গাড়ির জন্য নিরাপত্তা, গুণমান ও পরিবেশগত মানদণ্ড চালু করে। একই সময়ে, সংসদীয় আলোচনায় গাড়ির গুণমানের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি বেড়িয়ে এসেছে।

২০২৫ সালের একটি সংসদীয় আলোচনা, আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছিল যে, পাকিস্তানি নির্মাতা ও সংযোজনকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ২০০টি গাড়ির নিরাপত্তা মানদণ্ডের মধ্যে মাত্র ১৮টি মেনে চলে। তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত; কারণ এটি প্রতিটি পাকিস্তানি গাড়ির কোনো স্বাধীন নিরীক্ষা নয়। বরং এটি ছিল একটি সংসদীয় কমিটির উপস্থাপিত তথ্য।

আবারও, রাতিটির জন্য গাড়ির গুণমান সম্পর্কে ঢালাও আশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে, প্রতিটি মডেলের মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়টি পরীক্ষা করা উচিত। ঢাকার জন্য প্রশ্নটি খুবই সহজ ও স্পষ্ট- বাংলাদেশের যে মডেলের গাড়ি রপ্তানির প্রস্তাব করা হচ্ছে, সেটি কি বাংলাদেশের এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা, নির্গমন ও কারিগরি প্রয়োজনীয়তাগুলো পূরণ করে? এবং এই মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়টি কি স্বাধীনভাবে প্রমাণ করা সম্ভব?

প্রশ্নটি পাকিস্তানের পক্ষ-বিপক্ষের নয়। এটি ক্রেতাদের সুরক্ষার মৌলিক বিষয়। পাকিস্তানের সড়ক নিরাপত্তার রেকর্ডের প্রেক্ষাপটও এখানে প্রাসঙ্গিক। ২০১৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১১ দশমিক ৯ জন। তবে সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে একাধিক কারণ থাকে; যার মধ্যে চালকের আচরণ, সড়কের অবস্থা, আইনের প্রয়োগ, গাড়ির অবস্থা এবং জরুরি উদ্ধার সেবা অন্যতম।

এটি নিশ্চিত করে না যে পাকিস্তানি যাত্রীবাহী গাড়িগুলো স্বভাবগতভাবে অনিরাপদ। তবে এটি গাড়ির নিরাপত্তা এবং যান্ত্রিক মানদণ্ডের কঠোর পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তা বাড়ায়।

আরেকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো, ‘মেড ইন পাকিস্তান’ শব্দগুচ্ছের আড়ালে যেন বাস্তবতা হারিয়ে না যায়। ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’ মূলত ‘জেডব্লিউ-এসইজেড’ এবং ‘এসএআইসি’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক অটোমোটিভ সাপ্লাই চেইনের অংশ। একটি গাড়ি পাকিস্তানে সংযোজিত হওয়ার মানে এই নয় যে তার ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি বা যন্ত্রাংশগুলো সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানি। অতএব, বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত মাপকাঠি কোন দেশে সংযোজিত তা নয়। আসল বিবেচনা হওয়া উচিত গাড়িটি কেমন সেটি।

পাকিস্তানে সংযোজিত একটি ‘এমজি’ গাড়িকে একটি সাধারণ স্কোরকার্ডের ভিত্তিতে চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, জাপান অথবা দক্ষিণ কোরিয়ার সমমানের গাড়ির সঙ্গে তুলনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গাড়িতে কয়টি এয়ারব্যাগ আছে? মডেলটিতে কি এবিএস এবং ইলেকট্রনিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল আছে? ক্র্যাশ-টেস্টে এর পারফরম্যান্স কি? এটি কোন নির্গমন মানদণ্ড পূরণ করে? ওয়ারেন্টির মেয়াদ কতদিন? জ্বালানি বা বিদ্যুৎ বাবদ আনুমানিক খরচ কত হবে? খুচরা যন্ত্রাংশ কতটা সহজে পাওয়া যাবে? তিন, পাঁচ বা সাত বছর পর সার্ভিসিং খরচ কেমন হবে? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- শুল্ক, কর, নিবন্ধন, ফাইন্যান্সিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের পর গাড়িটির জন্য একজন ক্রেতার প্রকৃত মোট খরচ কত হবে?

একই নীতি বিক্রয়োত্তর সেবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বড় আকারের কোনো আমদানি কর্মসূচি অনুমোদন করার আগে বাংলাদেশের জানা উচিত, কে ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা দেবে, গাড়ির ত্রুটিজনিত কারণে তা তুলে নেওয়ার খরচ কে বহন করবেন, কত দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা যাবে এবং ঢাকার বাইরে দক্ষ টেকনিশিয়ান ও ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম পাওয়া যাবে কি না।

এ কারণে প্রস্তাবিত ৫ হাজার ৮০০ ইউনিটের আমদানি কর্মসূচিটি প্রধান অটোমেবল বাজারের তুলনায় ছোট হলেও, এর বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা ও ঝুঁকি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার জন্য যথেষ্ট বড়। পাকিস্তানের বর্তমান রপ্তানি রেকর্ড আমাদের জন্য একটি দরকারি প্রেক্ষাপট প্রদান করে। পাকিস্তানের সিনেটে উপস্থাপিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত তিন অর্থবছরে ২০টি দেশে পাকিস্তান স্থানীয়ভাবে সংযোজিত মাত্র ৪৩৪টি গাড়ি রপ্তানি করেছে। এই গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ।

এই পরিসংখ্যানের পাশে চার বছরে বাংলাদেশে ৫ হাজার ৮০০ গাড়ি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রাকে একটু বেশী আগ্রাসী ও উচ্চাকাঙ্খী মনে হতে পারে। পাকিস্তানের অটোমোটিভ রপ্তানির পরিমাণ এখনো খুব সীমিত। ফলে বাংলাদেশের এই প্রস্তাবিত কর্মসূচীটি সফল হলে তা পাকিস্তানের যাত্রীবাহী গাড়ির রপ্তানিতে একটি বড় সম্প্রসারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ঠিক এই কারণে বাংলাদেশ উচিত প্রথম চালানের গাড়িগুলোকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা।

যদি গাড়িগুলো ভালো পারফর্ম করে, তবে ক্রেতারাই লাভবান হবেন। বিদ্যমান গাড়ি পরিবেশকদের উপর আরো বেশি প্রতিযোগিতামূলক চাপ পড়বে। গাড়ির দাম সাশ্রয়ী হতে পারে, সুযোগ-সুবিধার মান বাড়তে পারে এবং নির্মাতাদের আরো ভালো ওয়ারেন্টি ও সেবা দিতে হতে পারে। সুতরাং শেষ পর্যন্ত ক্রেতারাই লাভবান হবেন।

তবে একসঙ্গে অন্যান্য গাড়ি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব আহ্বান করার জন্য ঢাকার উচিত পাকিস্তানের এই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া সুযোগটিকে কাজে লাগানো। চীন যদি কম খরচে আরো উন্নত সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক গাড়ি দিতে পারে, ভারত যদি একটি প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে কমপ্যাক্ট গাড়ি দিতে পারে, থাইল্যান্ড বা ইন্দোনেশিয়া যদি আরো শক্তিশালী উৎপাদন গুণমান ও যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে পারে, এবং জাপানি বা কোরিয়ান নির্মাতারা যদি গাড়ির দীর্ঘস্থায়ী মেয়াদে চমৎকার নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা দিতে পারে; তবে বাংলাদেশের উচিত সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। যাতে ক্রেতাদের বেছে নেওয়ার সুযোগ বাড়ে।

মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত একটি প্রতিযোগিতামূলক সোর্সিং কৌশল তৈরি করা। কেবল ব্র্যান্ডের সংখ্যা বাড়ানোর নয়, বাংলাদেশী ক্রেতারা যাতে অর্থপূর্ণ প্রতিযোগিতা থেকে লাভবান হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি আমদানিকারককে একই ধরনের নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তা, নির্গমন বিধি, পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ক্রেতা-সুরক্ষার বাধ্যবাধকতার সম্মুখীন হতে হবে।

প্রতিটি প্রস্তুতকারককে তাদের ওয়ারেন্টির শর্তাবলী এবং ত্রুটিজনিত কারণে গাড়ি তুলে নেয়ার ব্যবস্থা স্পষ্ট করতে হবে এবং প্রতিটি গাড়িকে তার নিজস্ব কারিগরি যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে।

যানবাহন আমদানির জন্য বাংলাদেশের ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত নীতিমালা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অটোমোবাইল নীতিতে গাড়ির গুণমান, নিরাপত্তা এবং নির্গমন মানদণ্ড প্রণয়ন ও প্রয়োগের ওপর স্পষ্টভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। সেই ব্যবস্থাগুলোকে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা উচিত। এখানে আরো বড় একটি অর্থনৈতিক সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ যদি তার নিজস্ব অটোমোবাইল শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে চায়, তবে তাকে কৌশলগতভাবে এই আমদানি প্রস্তাবটি কাজে লাগাতে হবে।

বিদেশী নির্মাতাদের কেবল গাড়ি বিক্রির কাজে নয়; বরং বাংলাদেশে সংযোজন কারখানা স্থাপন, স্থানীয় সরবরাহকারী গড়ে তোলা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে যন্ত্রাংশ তৈরি করতে উৎসাহিত করা সম্ভব। ফলে প্রতিযোগিতাকে একটি শিল্প-নীতি কৌশল হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

পাকিস্তানি গাড়িগুলো যদি দেশের মানদণ্ড পূরণ করে এবং ক্রেতাদের প্রকৃত মূল্য দিতে পারে, তবে বাংলাদেশের সেগুলোকে অবশ্যই স্বাগত জানানো উচিত। তবে ঢাকার উচিত একই সাথে অন্যান্য দেশ এবং নির্মাতাদের কাছ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব আহ্বান করা। প্রশ্নটি কখনোই হওয়া উচিত নয় যে, বাংলাদেশ কোন দেশকে বেশি সুবিধা দেবে? বরং প্রশ্নটি হওয়া উচিত, কোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাংলাদেশি ক্রেতাদের নিরাপদ, সুসজ্জিত এবং নির্ভরযোগ্য গাড়িটি দিচ্ছে; যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের ক্ষেত্রে হবে সবচেয়ে সাশ্রয়ী? বিকাশমান বা ক্রমবর্ধমান ক্রেতাবাজারের জন্য ঠিক এই মানদণ্ডটি প্রয়োজন। বাণিজ্য কূটনীতি হয়তো সুযোগের দ্বার খুলতে পারে, তবে একটি প্রতিযোগিতামূলক অটোমোবাইল বাজারে কোন গাড়িগুলো রাস্তায় চলবে তা কূটনীতিকরা নয়; বরং চূড়ান্তভাবে ক্রেতারাই নির্ধারণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লাসহ ৬ জেলায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


কুমিল্লাসহ ৬ জেলায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ

কুমিল্লাসহ ৬ জেলার মধ্যে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে গ্রাহকরা বাসাবাড়ি এবং সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাচ্ছেন না। ফলে, তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত গ্যাসের স্বল্পচাপ ও স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের দ্বারা বুধবার (১২ আগস্ট) একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে, বিশেষ করে কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত গ্যাসের স্বল্পচাপ ও স্বল্পতা বিদ্যমান।

এ কারণে, গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে ৮৮০ যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


গোপালগঞ্জে ৮৮০ যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে

গোপালগঞ্জে সরকারি সহযোগিতা ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বর্তমানে ৮৮০ জন যক্ষ্মা রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালবেলা জেলা শহরের পাঁচুরিয়া এলাকায় অবস্থিত ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়কেন্দ্র সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ পায়। এই দিন সকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের এক্স-রে রুম এবং জিন এক্সপার্ট রুম ঘুরে দেখেন। এ সময় ব্র্যাকের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের সূত্র অনুযায়ী, সময়মত শনাক্ত ও চিকিৎসা নিলে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। তাই যক্ষ্মার লক্ষণ দেখা দিলে কোনও ধরনের দেরি না করে পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়কেন্দ্রে সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের যথাযথ সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ কেন্দ্রে বিনামূল্যে বুকের এক্সরে এবং জিন এক্সপার্ট পদ্ধতির মাধ্যমে কফ পরীক্ষা করা হয়। যদি যক্ষ্মারোগ সনাক্ত নিশ্চিত হয় তবে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা হয়। মাঠ পর্যায়ে ব্র্যাক কর্মীরা মোবিলাইজেশনের মাধ্যমে ডোর টু ডোর গিয়ে সন্দেহভাজন যক্ষ্মা রোগীদের জন্য কফ-পট বিতরণ করে কফ সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যান। গোপালগঞ্জ জেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী, বর্তমানে ৮৮০ জন যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসার আওতায় এসেছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। রোগটির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়কেন্দ্র অথবা নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%