ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরন্টো রুটে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা


২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরন্টো রুটে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা

বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে ১২ বছরের সফলতার প্রেক্ষাপটে ১৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, সংস্থাটি ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই একটি ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ উড়োজাহাজের মাধ্যমে ঢাকা-যশোর রুটে তাদের যাত্রা শুরু করে। বর্তমান মুহূর্তে, ইউএস-বাংলা ২৫টি উড়োজাহাজের বহর নিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ২০টি গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বহরে তিনটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ এবং ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে ইউএস-বাংলার। ৯০ শতাংশের বেশি অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ডও তাদের রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ পাঁচটি রুটসহ, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও চীনে ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে তারা।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

সংস্থাটি জানায়, ২০২৭ সালের মধ্যে তাদের বহরে আরও ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও কাঠমান্ডু রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আরও নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম, কলম্বো, জহুর বারু, পেনাং ও হংকংসহ নতুন গন্তব্য রয়েছে।

২০২৮ সালের মধ্যে লন্ডন, রোমসহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরেন্টো এবং সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এগিয়ে যাচ্ছে।

ইউএস-বাংলা আরও জানায়, তারা ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ‘বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে এবং বিদেশে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের কর্মরত আছেন, এবং তারা যাত্রীসেবার পাশাপাশি কার্গো পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ দরিদ্রদের স্বল্পমূল্যে এলপিজি সরবরাহ করবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


গ্রামীণ দরিদ্রদের স্বল্পমূল্যে এলপিজি সরবরাহ করবে সরকার

গ্রামের অসচ্ছল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রান্নার জন্য কাঠ, খড়কুটো ও ঘুঁটের ব্যবহার কমিয়ে এলপিজিকে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

এ বিষয়ে সুলভমূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলির সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ এবং খাতসংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে আগামীীর সময়-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের এই উদ্যোগটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি, পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নেও এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। তাছাড়া প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।

এ প্রসঙ্গে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিসিসে (আইইইএফএ) বাংলাদেশের জ্বালানি খাতবিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেছেন, "এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। প্রতিবেশী ভারতেও এমন সুবিধা দেওয়া হয় এবং এটি সেখানে বেশ কার্যকর। কিন্তু গ্রামের অসচ্ছল মানুষের পাশাপাশি ঢাকা ও অন্যান্য শহরে বস্তিতে বসবাস করা অনেক দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। তাদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা দরকার।"

তিনি আরও যোগ করেন, "এই উদ্যোগ সফল করতে সব থেকে আগে প্রকৃত অসচ্ছল পরিবারগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে স্বচ্ছ ডাটাবেস তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে ভর্তুকির মূল্যে এই সিলিন্ডারগুলো যেন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কিংবা কোন চায়ের দোকানে পাচার না হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।"

দীর্ঘকাল ধরে দেশের একটি বিশাল অংশ রান্নার কাজে প্রথাগত কাঠ, খড়কুটো কিংবা ঘুঁটের ওপর নির্ভরশীল রয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন নির্বিচারে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে চুলার ক্ষতিকর ধোঁয়া গ্রামীণ নারী ও শিশুদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করছে।

অবশ্য গ্রামের সচ্ছল কিছু মানুষ বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন, তবে আকাশছোঁয়া দামের কারণে নিয়মিতভাবে এটি ব্যবহার করতে পারছেন না।

মুখ্যত বাসাবাড়িতে রান্নায়, কারখানা, বাণিজ্যিক ও গাড়ির জ্বালানি হিসেবে (অটো গ্যাস) এলপিজি ব্যবহৃত হচ্ছে। গত ৭ বছরে দেশের এলপিজির ব্যবহার দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ১৫ লাখ টন ছাড়িয়েছে। এলপিজির ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় বাসাবাড়িতে। বর্তমানে এই জ্বালানির গড় মাসিক বাজার ১ লাখ ৩০ হাজার টন।

বর্তমানে দেশে সরবরাহ করা এলপিজির ৯৮ শতাংশই আসছে বেসরকারিভাবে, আর মাত্র ২ শতাংশ এলপিজি সরকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি এলপিজি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়েছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। বর্তমানে সরকারি কোম্পানি সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা এবং এই দাম দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা এলপিজির দাম দ্বিগুণ থেকে কখনও কখনও আরও বেশি হয়ে থাকে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতিমাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে, কিন্তু বাজারে সেই দামে কখনোই এলপিজি পাওয়া যায় না। বিভিন্ন অজুহাতে খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছামতো বাড়তি দাম আদায় করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তাদের প্রান্তিক জনগণের জ্বালানিসংকট সমাধানে নানান মডেল ও বিকল্প প্রযুক্তির ব্যবহার করে আসছে। দরিদ্র পরিবারে সুলভমূল্যে বা বিনা মূল্যে এলপিজি সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সফল প্রকল্প কার্যকর করেছে।

ভারতে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা বহু পরিবারকে বিনা মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার ও রেগুলেটরের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ভারতের এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সরাসরি ব্যাংকে ভর্তুকি দেওয়া। এখানে গ্রাহকরা বাজারমূল্যেই সিলিন্ডার কেনেন, কিন্তু সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ ভর্তুকির টাকা সরাসরি দরিদ্র সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠায়। যার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দুর্নীতি বা কালোবাজারির সুযোগ থাকে না।

অন্যদিকে, পাকিস্তানে শীতকালে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসচ্ছল পরিবারের জন্য মাঝে মাঝে কোটা বা কম দামে সিলিন্ডার সরবরাহের অস্থায়ী ঘোষণা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই ধাপে চাকরিজীবীদের মিলবে ৪ দিন করে ছুটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


দুই ধাপে চাকরিজীবীদের মিলবে ৪ দিন করে ছুটি

সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামী আগস্ট মাসে দুই দফায় দুদিন ছুটি পাচ্ছেন। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ছুটি মিলবে।

আগস্ট মাসের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। তার পরের দিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট (বুধবার) অফিস খোলা থাকবে।

এছাড়া আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপরের দিন, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) অফিস যথারীতি খোলা থাকবে।

যেহেতু ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটি বুধবার পড়েছে, তাই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। যদি কেউ ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এর ছুটির সঙ্গে বৃহস্পতিবার নৈমিত্তিক ছুটি গ্রহণ করেন, তাহলে পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হবে। এভাবে চার দিনের ছুটি সুবিধা পাওয়া যাবে।

এভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটির সঙ্গে একদিন ছুটি নিলে পুনরায় চার দিনের ছুটির সুযোগ থাকবে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগে নির্বাহী আদেশে একদিন বাড়তি ছুটির মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তারা টানা সাত দিনের জন্য দীর্ঘ অবকাশ পেয়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার জন্য সাধারণ ছুটির পরিধিও বাড়ানো হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহুবলে সংবাদ প্রকাশের জেরে ২ সাংবাদিকের উপর বিএনপি নেতার হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রহমত আলী হবিগঞ্জ থেকে

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


বাহুবলে সংবাদ প্রকাশের জেরে ২ সাংবাদিকের উপর বিএনপি নেতার হামলা

 হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন ও মাদক কারবারের সংবাদ প্রকাশ করার জেরে দৈনিক ইনকিলাব ও এনপিবি নিউজের বাহুবল উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান নোমান-এর ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও আরেক সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা সৈবাল এর উপরও হামলা চালানো হয়। হামলার নেতৃত্ব দেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রকিব এবং কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।

অভিযোগ রয়েছে, হামলার ঘটনা ঘটেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ঢুকে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরের দিকে বাহুবল ইউএনও অফিসের সিএ এর কার্যালয়ে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।

হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক হাবিবুর রহমান নোমান এবং গোলাম মোস্তফা সৈবালকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এর আগে বাহুবলের হরিতলা এলাকায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, বালু ও মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য নিয়ে সাংবাদিক নোমান বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন। ফলে ক্ষিপ্ত হন বালু মহাল ও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আব্দুর রকিব। তিনি সাংবাদিক নোমানকে এলাকায় মাদক ও বালু মহাল নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে নিষেধ করেন এবং বলেন, 'যদি এসব লিখলে বাহুবলের বদনাম হবে।'

কিন্তু নোমান আহমেদ সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখলে রকিব আরও ক্ষুব্ধ হন।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নোমান আহমেদ পেশাগত প্রয়োজনে ইউএনও অফিসে গেলে ওৎ পেতে থাকা আব্দুর রকিব সিএ-এর কার্যালয়ে ঢুকে আচমকা তার ওপর হামলা চালান।

হামলায় সাংবাদিক নোমান গুরুতর আহত হন। এ সময় আহত সাংবাদিক নোমানকে দেখতে গেলে সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা সৈবালের উপরও অতর্কित হামলা চালানো হয়। হামলায় নোমান ও সৈবালের শরীরে ও মাথায় গুরুতর জখম হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিক ও সহকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এদিকে গুরুতর আহত সাংবাদিক সৈবালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

সরকারি দপ্তরে ঢুকে প্রকাশ্য দিবালোকে সাংবাদিকের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় বাহুবলসহ পুরো জেলা জুড়ে সাংবাদিক সমাজ ও স্থানীয় সুধীসমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। হামলার সাথে জড়িত বিএনপি নেতা ও বালু খেকো আব্দুর রকিব ও তার সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে বাহুবল প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান মাসুম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, 'পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন সংবাদকর্মীর ওপর ইউএনও অফিসের ভেতর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।' আব্দুর রকিব শুধু সাংবাদিক নোমান ও সৈবালের ওপর হামলা করেননি, বরং মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, 'আমরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত বালু ও মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় বাহুবলের সাংবাদিক সমাজ কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।' এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা একটি নতুন রূপ নিয়েছে।

মার্কিন হামলার কড়া জবাব দিতে এবার কুয়েত ও ওমানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাসমূহে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান। অন্যদিকে, নিজেদের আকাশসীমায় ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডান ধবংস করেছে।

এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে। মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, এই হামলায় একটি মিসাইল ডিফেন্স রাডার, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগার এবং দুটি ‘হিমারস’ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

আইআরজিসি টিকা বলেছে, এটি সম্প্রতি ইরানের বেসামরিক স্থাপনায়—বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কে—মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে মার্কিন কর্মকাণ্ডের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই কারণে তাদের এই ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রাখার সংকল্প চূড়ান্ত হয়েছে।

কুয়েতের ঘটনার পরপরই, ওমানেও জোড়া মার্কিন রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে তারা। আইআরজিসি জানায়, ওমানের ঘানেম অঞ্চলে একটি মার্কিন এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং হরমুজ প্রণালিতে একটি মেরিটাইম কন্ট্রোল রাডার ধ্বংস করা হয়েছে। এটিকে ১৩তম হামলা উল্লেখ করে ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখনও আইআরজিসি নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে, এই সংঘাতের উত্তাপ জর্ডানে অনুভূত হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। জর্ডানের রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস দল দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলে। ফলে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%