মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ পি.এম
ময়মনসিংহ, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলার ৩টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি। তিনি এ সময় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সকলকে অবহিত করার আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ও বিকেলে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবনির্মিত উন্নয়ন কাজগুলোর উদ্বোধন করেন এই এমপি।
উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- তারাকান্দায় ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজের নবনির্মিত ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন, ডোহাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এবং ফুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।
এছাড়া, তিনি তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে নির্মিত মিনি লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন এবং পুষ্পকানন পরিদর্শন করেন এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি। পরে, তিনি ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মউক) চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা, ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজের সভাপতি রাকিব তালুকদারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রমজান কাদিরভ, যিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, পঞ্চমবারের মতো রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মুসলিম-অধ্যুষিত চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে এই বিজয় অর্জন করেছেন।
রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার রাশিয়ায় জাতীয় সংসদ, আঞ্চলিক আইনসভা এবং গভর্নর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় পর, দেশটির কঠোর নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এই নির্বাচনকে একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ফলাফলে দেখা যায়, অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি, ফলে ক্রেমলিন-সমর্থিত দল ও প্রার্থীরা ব্যাপক জয় লাভ করেছে।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানায়, কাদিরভ চেচনিয়ায় ৯৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ছোট ও পাহাড়ি এই অঞ্চলের নির্বাচনের পরিচালনা নিয়ে অতীতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
কাদিরভ এসব সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এগুলো তার শাসনকে দুর্বল করার জন্য পশ্চিমা-সমর্থিত প্রচেষ্টা। তিনি নিয়মিতভাবে পুতিনের প্রতি নিজের আনুগত্য প্রকাশ করেন। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং দাবি করেন, ২০২২ সাল থেকে তার চেচেন বাহিনী সেখানে লড়াই করছে।
পুতিনের কাছ থেকে ব্যাপক স্বাধীনতা পেয়ে কাদিরভ চেচনিয়াকে অনেকটাই নিজের ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল হিসেবে পরিচালনা করেন। এর বিনিময়ে তিনি ইসলামপন্থি ও রাশিয়াবিরোধী বিদ্রোহের পর ১৯৯০-এর দশকে অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করছেন।
কাদিরভের ক্ষমতায় উত্থান ঘটে তার বাবা আখমাত কাদিরভের মৃত্যুর পর। ২০০৪ সালে বিদ্রোহীদের চালানো এক বোমা হামলায় আখমাত নিহত হন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কাদিরভের সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে।
এছাড়া সাংবাদিক ও সমকামী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগও রয়েছে। তবে কাদিরভ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে।" সভাটি মাগুরার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য অ্যাড. নেওয়াজ হালিমা আরলী।
এছাড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির, মাগুরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, কায়সার হামিদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (ওজোপাডিকো) পলাশ কুমার ঘোষ এবং জিপি মনজুরুল হাসান বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী মহোদয় সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, "ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাজ করলে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে।" তিনি আরো বলেন, কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করতে হবে এবং সৎ ও যোগ্য হলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গুপ্ত ও সুপ্তরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার মধ্যে মাত্র কয়েক মাসে কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক কার্ড ও ইমামদের ভাতা চালু করা হয়েছে। তিনি পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার প্রকৃত কারণ জনগণকে অবহিত করার মাধ্যমে গুপ্ত ও সুপ্তদের ষড়যন্ত্রের সুযোগ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন।
সবাইকে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই কথাটি স্মরণ রাখার আহ্বান জানান। মন্ত্রী পরে জেলা বিএনপির এক কর্মীসভায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারীর ক্ষমতায়ন, নিরাপত্তা এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব আরোপ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন। তিনি উল্লেখ করেন, অনলাইন হয়রানি, সাইবার বুলিং, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের মতো নতুন ঝুঁকিগুলোর মোকাবেলায়ও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব এবং সমাজে পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের যৌথ আয়োজনে ‘হোল অব স্কুল অ্যাপ্রোচ’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে ড. মামুন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্নআয়ের ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের নারীপ্রধানদের সামাজিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর শিক্ষা, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
ড. মামুন যৌন হয়রানি এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়াকে সহজ, নিরাপদ, গোপনীয় এবং কার্যকর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অভিযোগের পর ভুক্তভোগীর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা, জবাবদিহি এবং তদারকির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের ফলে নারীদের জন্য নতুন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ, সচেতনতা এবং কার্যকর ও গোপনীয় অভিযোগ ব্যবস্থার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
নারীর নেতৃত্ব বিকাশের প্রসঙ্গে ইউজিসি সদস্য বলেন, নারীর অংশগ্রহণকে কেবল কোটা বা প্রতিনিধিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের নেতৃত্বে উঠে আসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
নারীর নিরাপত্তা এবং ক্ষমতায়নের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমের সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইউজিসি বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়ের সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগাতে হবে।
এছাড়া উল্লেখ্য, কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর এবং উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলি কার্যক্রমের কারণে 'জাতিগত নিধন' (Ethnic Cleansing)-এর মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির ব্যাপারে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
গুতেরেস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী দিনে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের সময় গাজায় যে মাত্রায় হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, তা একেবারে নজিরবিহীন।
মহাসচিব গাজা ও পশ্চিম তীরের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, "অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি আমাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।" তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, বাসিন্দাদের উচ্ছেদ এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্র সমাধান (Two-State Solution)-কে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।
গুতেরেস স্পষ্টভাবে জানান, "আমাদের চোখের সামনে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া যাবে না।"
মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মহাসচিব অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলেন, "যথেষ্ট হয়েছে, আর নয় (Enough is enough)।" তিনি মন্তব্য করেন যে, এই অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির নামে বহুবার সাময়িক শান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই তার খেসারত দিতে হচ্ছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশের কথা উল্লেখ করে তিনি সকল পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গাজায় জাতিসংঘসহ সকল মানবিক সংস্থাকে নিরাপদে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই ফিলিস্তিনিদের ওপর এই ধরনের যৌথ শাস্তি (Collective Punishment) চাপিয়ে দেওয়াকে যৌক্তিক প্রমাণ করতে পারে না। তিনি অনতিবিলম্বে সমস্ত জিম্মিদের মুক্তি এবং অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ