ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পশ্চিম তীরে ‘জাতিগত নিধন’-এর আশঙ্কা, গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জাতিসংঘের মহাসচিবের


পশ্চিম তীরে ‘জাতিগত নিধন’-এর আশঙ্কা, গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জাতিসংঘের মহাসচিবের

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলি কার্যক্রমের কারণে 'জাতিগত নিধন' (Ethnic Cleansing)-এর মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির ব্যাপারে কঠোর সমালোচনা করেছেন।

গুতেরেস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী দিনে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের সময় গাজায় যে মাত্রায় হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, তা একেবারে নজিরবিহীন।

মহাসচিব গাজা ও পশ্চিম তীরের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, "অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি আমাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।" তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, বাসিন্দাদের উচ্ছেদ এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্র সমাধান (Two-State Solution)-কে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

গুতেরেস স্পষ্টভাবে জানান, "আমাদের চোখের সামনে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া যাবে না।"

মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মহাসচিব অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলেন, "যথেষ্ট হয়েছে, আর নয় (Enough is enough)।" তিনি মন্তব্য করেন যে, এই অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির নামে বহুবার সাময়িক শান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই তার খেসারত দিতে হচ্ছে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশের কথা উল্লেখ করে তিনি সকল পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গাজায় জাতিসংঘসহ সকল মানবিক সংস্থাকে নিরাপদে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই ফিলিস্তিনিদের ওপর এই ধরনের যৌথ শাস্তি (Collective Punishment) চাপিয়ে দেওয়াকে যৌক্তিক প্রমাণ করতে পারে না। তিনি অনতিবিলম্বে সমস্ত জিম্মিদের মুক্তি এবং অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বি'শ্বাসঘাতকদের’ তীব্র নিন্দা জানালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


বি

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ ব্যাপকভাবে কমে গেছে—এমন খবরের তীব্র বিরোধিতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রায় সাত মাস পর এই সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, "কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতকেরা বলতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদ কমে গেছে। এটি সত্য নয়।"

তিনি আরও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে এবং বর্তমানে তা এমন মাত্রায় বাড়ানো হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়ার উদয়কাঠীতে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেলেন রাসেল হুজুরের পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


বানারীপাড়ার উদয়কাঠীতে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেলেন রাসেল হুজুরের পরিবার
 
দীর্ঘ ৪৫ বছর ভোগদখলে থাকা পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধের অবসান হয়েছে বরিশালের বানারীপাড়ায়। স্থানীয়ভাবে সালিশ, কাগজপত্র যাচাই ও জমি পরিমাপের পর প্রকৃত মালিকের পরিবারকে ৮ কাঠা জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জমি ফিরে পাওয়ার পর মানবিক ও ধর্মীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উদ্ধারকৃত সম্পত্তির মধ্য থেকে ৭ শতাংশ জমি স্থানীয় মসজিদের নামে দান করেছেন হাফেজ মোহাম্মদ রাসেল হুজুরের পরিবার।
 
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৭ নম্বর তেতলা মৌজায়।
 
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেতলা মৌজার এসএ ১২২ খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক চাঁদবরুর কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে শাহসের আলী ও তাঁর ছেলেরা ওই জমির স্বত্ব লাভ করেন। পরবর্তীতে তাঁদের কাছ থেকে দুটি পৃথক খণ্ড দলিলের মাধ্যমে মোট সাড়ে ১২ কাঠা জমির মালিকানা পান মো. ওয়াজেদ আলী মিয়া, পিতা—নবীর উদ্দিন ঘরামী।
 
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ২০১৮ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য শাহে আলম তালুকদারের রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে স্থানীয় হুমায়ুন কবির (গাজী) মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁদের সাড়ে ১২ কাঠা জমির মধ্যে ৮ কাঠা জমি জোরপূর্বক দখল করে নেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
 
পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর ওয়াজেদ আলী মিয়ার পরিবার ও হাফেজ মোহাম্মদ রাসেল হুজুর জমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেন। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের নজরে এলে তাঁদের মধ্যস্থতায় শেরেবাংলা বাজারে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
 
বৈঠকে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে উভয় পক্ষের দলিলপত্র যাচাই-বাছাই এবং বিরোধপূর্ণ জমি সরেজমিনে পরিমাপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচজন অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার যৌথভাবে জমিটি জরিপ করেন। তাঁরা হলেন—আউয়ার নিবাসী মো. সাইদুর রহমান, তেতলা নিবাসী বিজয় মহুরী, নান্দুহার নিবাসী মহারাজ, শুটিয়াকাঠী নিবাসী জসিম এবং বাইশারী নিবাসী মো. আ. খালেক।
 
জরিপ ও পরবর্তী সমন্বয়ের পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর (২ আশ্বিন) উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সরেজমিনে রাসেল হুজুরের পরিবারকে ৮ কাঠা জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
 
এ সময় হুমায়ুন কবিরের মুরগির খামারের একটি অংশ রাসেলের জমির সীমানার মধ্যে পড়ে যাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিশেষ বিবেচনায় পশ্চিম সীমানা থেকে ৮ ফুট চওড়া করে উত্তর সীমানা পর্যন্ত জায়গা তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দক্ষিণ সীমানা রাস্তার অর্ধেক পর্যন্ত সমন্বয় করে রাসেল হুজুরের ৮ কাঠা জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
 
দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান এবং জমি ফিরে পাওয়ার পর হাফেজ মোহাম্মদ রাসেল হুজুর উদ্ধারকৃত সম্পত্তির মধ্য থেকে ৭ শতাংশ জমি স্থানীয় একটি মসজিদের নামে দান করে দেন। বর্তমানে ওই জমিতে নির্মিত মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নিয়মিত পাঞ্জেগানা নামাজ আদায় করছেন।
 
জমি ফিরে পাওয়ার ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তাঁদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে কাগজপত্র ও পরিমাপের ভিত্তিতে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে একটি জটিল সমস্যার সমাধান হয়েছে।
 
এ ঘটনায় বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষের অভিযোগ ইসলামী দলের নেতাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষের অভিযোগ ইসলামী দলের নেতাদের

দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির কারণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পেট্রোল, কেরোসিনসহ জ্বালানির মূল্য হ্রাস এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নেতৃবৃন্দ পৃথক বিবৃতিতে অবিলম্বে পেট্রোল কেরোসিনসহ জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস করার পাশাপাশি কিশোর গ্যাং দমন, চুরি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পেট্রোল, কেরোসিনসহ জ্বালানির মূল্য হ্রাস এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, "একদিকে পেট্রোল কেরোসিনসহ বারংবার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি হচ্ছে, অপরদিকে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি আর চাঁদাবাজি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় জননিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।" আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ছিনতাইকারীসহ চিহ্নিত অপরাধীদের তালিকা থাকা সত্ত্বেও কেন তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক ও অলিগলিতে পথচারীদের টার্গেট করে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, মহিলাদের অলংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়া হচ্ছে। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে সাধারণ পথচারীসহ পুলিশ সদস্যরাও গুরুতর আহত হচ্ছেন। "যে দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা নেই, সে দেশের সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা কে দিবে, জনগণ জানতে চায়।"

তিনি আরও বলেন, "কিছু অপরাধীদের গ্রেফতার করে আদালতে বা জেল হাজতে পাঠানো হলেও এরা অদৃশ্য কারণে জামিনে বেরিয়ে এসে আবার পুরনো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।" আমিরে খেলাফত মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী অবিলম্বে পেট্রোল কেরোসিনসহ জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস এবং কিশোর গ্যাং দমন, চুরি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

বাতিল প্রতিরোধ প্রতিরোধ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব হাজী জালাল উদ্দিন বকুল জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি আরও ২০ টাকা বৃদ্ধি করায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

হাজী জালাল উদ্দিন বকুল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, "সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় যখন লাগামহীনভাবে বাড়ছে, তখন সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে।" তিনি বলেন, "ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সবচেয়ে ব্যাপক। কারণ পরিবহন ও কৃষি খাতে ডিজেলের ব্যবহার বেশি।" ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপরই পড়বে। ইতোমধ্যে উচ্চমূল্যের বাজারে নতুন করে এই মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে। তিনি জনস্বার্থ বিবেচনায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জনদুর্ভোগ কমিয়ে আনার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের ওসি দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


চাঁদপুরের ওসি দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন

চাঁদপুরের কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম দুই মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিকে সংশোধনের সুযোগ দিতে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। একাধিক মাদক মামলায় জড়ানোর পর জামিনে বেরিয়ে একই কর্মকাণ্ডে ফেরার অভিযোগের কারণে তাদের এই বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে যে, উপজেলার আকানিয়া-নাছিরপুর গ্রামের জালাল ও হেলাল দীর্ঘ সময় ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা দায়ের হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তারা আবারও মাদক ব্যবসায় ফিরে আসার অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কচুয়া থানার ওসি আজিজুল ইসলাম আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের নৈতিক পরিবর্তনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় দুজনকে থানায় ডেকে এনে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানো হয়।

তিন দিনের তাবলিগ শেষে মঙ্গলবার জোহরের নামাজ আদায় করে তারা থানায় এসে ওসি আজিজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নতুনভাবে জীবন শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা প্রতিশ্রুতি দেন যে, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন, প্রতি মাসে তিন দিন তাবলিগে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা ও সেবন থেকে বিরত থাকবেন।

ওসি মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "শুধু মামলা দিয়ে সব সময় মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। তাদের নৈতিকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে তারা সমাজে ফিরে আসুক—এটাই লক্ষ্য।"

ওসির এই উদ্যোগ স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%