ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়ানগরে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্র্যাকের পাওয়ার টিলার বিতরণ


জিয়ানগরে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্র্যাকের পাওয়ার টিলার বিতরণ

“আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা, সমৃদ্ধ কৃষক” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের জিয়ানগর শাখার উদ্যোগে কৃষকের মাঝে একটি পাওয়ার টিলার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বিকালে জিয়ানগর ব্র্যাক সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্র্যাক শাখা ব্যবস্থাপক অহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়ানগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মনিরুজ্জামান। ব্র্যাক মাইক্রোফিন্যান্স (দাবি) কর্মসূচির সৌজন্যে প্রধান অতিথি কৃষক মো. খলিলুর রহমানের হাতে পাওয়ার টিলারের চাবি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. আবু মুসা আসয়ারী, জেলা প্রতিনিধি মো. জাহিদুল ইসলাম, এরিয়া ম্যানেজার উজ্জল কুমার হাজরা এবং এক্সটেনশন অফিসার ইমদাদুল হক। এছাড়া অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি (সেলপ) কর্মকর্তা হাফিজা খাতুন।
কৃষক মো. খলিলুর রহমান তার অনুভূতিতে জানান, “এই সহায়তা আমার কৃষিকাজকে আরও সহজ করবে। আমি নিজে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্য কৃষকদেরও সেবা দিতে চাই।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিস্টিক ফাইব্রোসিসের জেনেরিক ওষুধে বেক্সিমকো ফার্মার সাফল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


সিস্টিক ফাইব্রোসিসের জেনেরিক ওষুধে বেক্সিমকো ফার্মার সাফল্য

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি বিরল এবং প্রাণঘাতী সিস্টিক ফাইব্রোসিস (সিএফ) রোগীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের জেনেরিক ওষুধ সরবরাহ শুরু করেছে।

২০২৬ সালের ১৫ জুন, বিকাল ৬টায় রাজধানীর টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠানটির কারখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সাউথ আফ্রিকাসহ ছয়টি দেশের রোগী ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওষুধটি হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘রাইট টু ব্রিদ’-এর প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বেক্সিমকো ফার্মা ‘ট্রিকো’ (TRIKO) নামে ইলেক্সাক্যাফটর, টেজাক্যাফটর এবং আইভাক্যাফটরের সমন্বয়ে তৈরি একটি ওষুধ বাজারে এনেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভার্টেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস (Vertex Pharmaceuticals)-এর উদ্ভাবিত ‘ট্রিকাফটা’ (Trikafta)-এর জেনেরিক সংস্করণ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জীবনরক্ষাকারী অত্যন্ত ব্যায়বহুল এ ওষুধটি বিশ্বের হাজার হাজার সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীর জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগে আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের একটি জোটের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর ওয়াশিংটনের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত নর্থ আমেরিকান সিস্টিক ফাইব্রোসিস কনফারেন্সে (এনএসিএফসি) এই উদ্যোগটি সর্বসমক্ষে ঘোষণা করা হয়েছিল। আজকের অনুষ্ঠানটি বেক্সিমকো ফার্মা কর্তৃক সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী বংশগত রোগ। এতে ফুসফুস এবং পরিপাকতন্ত্রে ঘন শ্লেষ্মা জমে গিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে। এখনও পর্যন্ত, এই রোগে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীর অল্প বয়সে মৃত্যু ঘটে। বর্তমানে, বিশ্বে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, আরও প্রায় ৮০ হাজার রোগী শনাক্ত হয়নি, যাদের ৮২ শতাংশই নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশে বসবাস করে।

ট্রিকাফটা সিস্টিক ফাইব্রোসিস চিকিৎসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং রোগীদের আয়ু বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধটির মাধ্যমে বার্ষিক চিকিৎসা ব্যয় ৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার হওয়ায়, অধিকাংশ রোগীর জন্য এটি নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। এমনকি পেটেন্ট সুরক্ষার কারণে এখন পর্যন্ত এর কোনো জেনেরিক সংস্করণ নেই।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস (TRIPS) চুক্তির অধীনে, বাংলাদেশসহ এলডিসিভুক্ত দেশগুলো ওষুধের পেটেন্ট সুরক্ষা কার্যকর করার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়। এর ফলে, বেক্সিমকো ফার্মা আইনগতভাবে পেটেন্টধারী যে কোনো ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। সিস্টিক ফাইব্রোসিসের এই সাশ্রয়ী চিকিৎসা উদ্যোগও সেই সুযোগের ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হয়েছে।

বেক্সিমকো ফার্মার জেনেরিক সংস্করণ ট্রিকোর বার্ষিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১২ হাজার ৭৫০ ডলার এবং শিশুদের জন্য ৬ হাজার ৩৭৫ ডলার, যা মূল ওষুধের যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৯৬ শতাংশ কম। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, ব্র্যান্ডেড ওষুধে একজন শিশুর চিকিৎসার খরচে ট্রিকোর মাধ্যমে ৫৮ জন শিশুর চিকিৎসা সম্ভব।

এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি ‘বেক্সডেকো’ (BEXDECO) নামে আইভাক্যাফটরের জেনেরিক সংস্করণও বাজারে এনেছে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ট্যাবলেট ৫ ডলার।

প্রাথমিক পর্যায়ে ‘সিএফ বায়ার্স ক্লাব’-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট রোগীদের কাছে ওষুধ সরবরাহ করা হবে। এবং পরবর্তীতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীদের কাছে এ চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

‘রাইট টু ব্রিদ’ গ্লোবাল ক্যাম্পেইনের নেত্রী, যুক্তরাজ্য ভিত্তিক রোগী অধিকারকর্মী এবং সিস্টিক ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত এক শিশুর মা গেইল প্লেজার বলেন, ‘জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার প্রতিটি মানুষের মৌলিক মানবাধিকার। কিন্তু উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমান যুগান্তকারী ওষুধগুলো বিশ্বের অধিকাংশ সিএফ রোগীর নাগালের বাইরে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোগী ও অধিকার সংগঠনগুলোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মা প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।’

বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রাব্বুর রেজা বলেন, ‘বেক্সিমকো ফার্মা সবসময়ই রোগীদের অপূর্ণ চিকিৎসা চাহিদা পূরণে কাজ করে আসছে, বিশেষ করে যেসব রোগের ক্ষেত্রে কার্যকর চিকিৎসার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এই অর্থবহ উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আমাদের বিশ্বাস, এই জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সহজলভ্য হওয়ায় সিস্টিক ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত হাজারো রোগীর জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যারা এতদিন উচ্চ চিকিৎসা ব্যায়ের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রোয়েশিয়ায় নৌযান সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ক্রোয়েশিয়ায় নৌযান সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

ক্রোয়েশিয়ায় শতাধিক আরোহী বহনকারী একটি যাত্রীবাহী ক্যাটামারান (বহু-হালবিশিষ্ট জলযান) এবং একটি পালতোলা নৌকার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চার জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার এক বন্দরের কর্মকর্তার বক্তব্যে এ তথ্য জানতে পারা গেছে।

ক্রোয়েশিয়ার ব্রাচ ও শোলতা দ্বীপের মধ্যবর্তী মধ্য অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে রোববারের ওই দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ থাকা চেক নাগরিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান স্প্লিট বন্দরের প্রধান ঝেলকো কুস্তেরা।

জাগরেব থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

এদিকে, ওই নিখোঁজ ব্যক্তি দুর্ঘটনার সময় ফরাসি পতাকাবাহী পালতোলা নৌকাটিতে উপস্থিত আট চেক নাগরিকের একজন ছিলেন। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই তিন জন মারা যান। অপর চার জনকে সমুদ্র থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

কুস্তেরা বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডুবুরি দল ৫০ মিটারেরও বেশি গভীরে ডুবে যাওয়া পালতোলা নৌকাটি শনাক্ত করে। আমরা যাকে খুঁজছিলাম, তিনি নৌকার কেবিনে ছিলেন।’

তিনি আরো জানান, নৌকাটি এবং লাশ উদ্ধারের অভিযান কবে শুরু হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ, জাহাজটি যে গভীরতায় ডুবে গেছে, সেখানে উদ্ধারের অভিযান অত্যন্ত জটিল।

তিনি আঞ্চলিক সম্প্রচারমাধ্যম এন-ওয়ানকে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

স্প্লিট হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় তিন চেক নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। আরেকজন মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত নিয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বেসরকারি একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত ক্যাটামারানটিতে ১১৮ জন যাত্রী এবং সাত জন ক্রু উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাটামারানটির কোনো আরোহী আহত হননি বলে জানা গেছে।

ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় বিমান, নৌ ও রেল দুর্ঘটনা তদন্ত দপ্তর জানিয়েছে, তারা এ দুর্ঘটনার বিষয়ে ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে। তবে সোমবার পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ এবং চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বাবিশ রোববার মৃতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে অনলাইনে সরাসরি পণ্য বিক্রির নতুন সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


বিশ্ববাজারে অনলাইনে সরাসরি পণ্য বিক্রির নতুন সুযোগ

বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, মার্কেটপ্লেস এবং বিদেশে অবস্থানরত সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের ওয়্যারহাউসের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সরাসরি বিদেশি ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ করে দিয়েছে।

এজন্য সীমান্তপারের ই-কমার্স বাণিজ্যে তরাণ্বিত করতে সংশ্লিষ্টদের আশা রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) প্রকাশিত এক সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, এই উদ্যোগ ব্যবসা-থেকে-ভোক্তা (বি-টু-সি) ভিত্তিক রপ্তানি কার্যক্রমকে সহজতর করতে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের পণ্য তালিকাভুক্ত ও প্রদর্শন করতে পারবেন, যা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য আরও সহজ হবে।

নির্দেশিকা অনুসারে, রপ্তানিকারকরা প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষুদ্র মূল্যমানের পণ্য সিএফআর (কষ্ট অ্যান্ড ফ্রেইট) শর্তে রপ্তানি করতে পারবেন। এছাড়াও, ১ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত চালানের ক্ষেত্রে ইএক্সপি ফর্ম দাখিলের বাধ্যবাধকতা বাতিল করা হয়েছে। তবে, এ ধরনের চালানের সম্পূর্ণ মূল্য ব্যাংকিং চ্যানেল বা অনুমোদিত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে অগ্রিম নিতে হবে।

নতুন ব্যবস্থায়, শিপিং ডকুমেন্ট সরাসরি বিদেশি ক্রেতার নামে ইস্যু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্স কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, পণ্য ফেরত বা পণ্যের গুণগত মান নিয়ে আপত্তির ক্ষেত্রে বিদেশি ক্রেতাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এই সাথেই, আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন, রেজিস্ট্রেশন, সদস্যপদ ও অন্যান্য সেবামূলক ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে বৈধভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, এই উদ্যোগের ফলস্বরূপ দেশের আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্স কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হবে। এতদিন বি-টু-বি-টু-সি মডেলে বিদেশে আগাম পণ্য পাঠিয়ে বিক্রি করতে হত, কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা সরাসরি বৈশ্বিক ভোক্তাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে পারবেন। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ হবে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিজিটাল বাণিজ্যের বৈশ্বিক সম্প্রসারণের এই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নীতিগত সহায়তা দেশের রপ্তানি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করতে সরকার কাজ করছে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করতে সরকার কাজ করছে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন যে, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা এবং হতাহতদের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আজ, কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারী দলের সদস্য মো. আবুল কালামের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী আরও জানান, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা-৪৪-এর উপধারা-১ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি-১২৫-এর উপবিধি-৪-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গত ৭ মে, ২০২৪ তারিখে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য "মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪" জারি করেছে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানালেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিং করার জন্য, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পীড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ।

এছাড়াও, ট্রাফিক কালমিং (Traffic calming) ব্যবস্থা যেমন রামবেল স্ট্রিপ (Rumble Strip), স্পীড কন্টোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান এবং চ্যানেলাইজেশন গ্রহণ করা হয়েছে।

মহাসড়কে তথ্য প্রযুক্তি (আইটিএস) ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যান্য সংস্থার সাথে, যেমন বিআরটিএ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়পূর্বক গতিসীমা বাস্তবায়ন করা হবে।

সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ প্রদান করা হবে। রোড সেফটি অডিট এবং ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ব্লাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝূকিপূর্ণ অংশগুলো বিশ্লেষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%