প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রোয়েশিয়ায় শতাধিক আরোহী বহনকারী একটি যাত্রীবাহী ক্যাটামারান (বহু-হালবিশিষ্ট জলযান) এবং একটি পালতোলা নৌকার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চার জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার এক বন্দরের কর্মকর্তার বক্তব্যে এ তথ্য জানতে পারা গেছে।
ক্রোয়েশিয়ার ব্রাচ ও শোলতা দ্বীপের মধ্যবর্তী মধ্য অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে রোববারের ওই দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ থাকা চেক নাগরিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান স্প্লিট বন্দরের প্রধান ঝেলকো কুস্তেরা।
জাগরেব থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এদিকে, ওই নিখোঁজ ব্যক্তি দুর্ঘটনার সময় ফরাসি পতাকাবাহী পালতোলা নৌকাটিতে উপস্থিত আট চেক নাগরিকের একজন ছিলেন। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই তিন জন মারা যান। অপর চার জনকে সমুদ্র থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
কুস্তেরা বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডুবুরি দল ৫০ মিটারেরও বেশি গভীরে ডুবে যাওয়া পালতোলা নৌকাটি শনাক্ত করে। আমরা যাকে খুঁজছিলাম, তিনি নৌকার কেবিনে ছিলেন।’
তিনি আরো জানান, নৌকাটি এবং লাশ উদ্ধারের অভিযান কবে শুরু হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ, জাহাজটি যে গভীরতায় ডুবে গেছে, সেখানে উদ্ধারের অভিযান অত্যন্ত জটিল।
তিনি আঞ্চলিক সম্প্রচারমাধ্যম এন-ওয়ানকে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
স্প্লিট হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় তিন চেক নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। আরেকজন মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত নিয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বেসরকারি একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত ক্যাটামারানটিতে ১১৮ জন যাত্রী এবং সাত জন ক্রু উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটামারানটির কোনো আরোহী আহত হননি বলে জানা গেছে।
ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় বিমান, নৌ ও রেল দুর্ঘটনা তদন্ত দপ্তর জানিয়েছে, তারা এ দুর্ঘটনার বিষয়ে ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে। তবে সোমবার পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ এবং চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বাবিশ রোববার মৃতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন