ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রিকসের উন্নয়ন ব্যাংকে শিগগিরই যোগ দেবে ইরান


ব্রিকসের উন্নয়ন ব্যাংকে শিগগিরই যোগ দেবে ইরান

ইরান শিগগিরই ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এনডিবি) সদস্য হতে যাচ্ছে, বলে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি নিশ্চিত করেছেন। ভারতে বর্তমানে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে অবস্থান করছেন হেম্মাতি। তিনি জানালেন, ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হচ্ছে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা।

ভারতের সভাপতিত্বে ব্রিকসের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে হেম্মাতি বলেন, ইরান ও ভারতের মধ্যে মুদ্রা, ব্যাংকিং ও ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভালো সহযোগিতা গড়ে উঠেছে। আরও বলেন, ব্রিকস সম্মেলন ইরানের জন্য সদস্য দেশগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এসব দেশের সাথে ইরানের মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন ও পারস্পরিক যোগাযোগ রয়েছে।

ব্রিকস সদস্যদের মধ্যে মুদ্রা ও আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে হেম্মাতি মন্তব্য করেন, সদস্য দেশগুলো নিজেদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার করে পরস্পরের সাথে বাণিজ্য করতে সক্ষম। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আমরা সদস্য দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় মুদ্রা সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছি। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে বিপাকে ফেলতে হুথিদের সহায়তা করছে চীন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এত বৈরিতার পরও রাশিয়া-চীনের সঙ্গে কেন একসঙ্গে কাজ করে এফবিআই?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


এত বৈরিতার পরও রাশিয়া-চীনের সঙ্গে কেন একসঙ্গে কাজ করে এফবিআই?

ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ ও বৈশ্বিক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের মধ্যেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ মোকাবিলায় কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক আইন প্রয়োগকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছে। এই কার্যক্রমের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির পরিচালক কাশ প্যাটেল। বাস্তবমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় একটি নতুন মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। যেখানে গভীর রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পাশে সরিয়ে রেখে নাগরিক সুরক্ষা এবং বৈশ্বিক অপরাধ দমনে যৌথ উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘকাল অচলাবস্থা বজায় থাকার পর বেইজিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের বরফ উল্লেখযোগ্যভাবে গলতে শুরু করেছে। দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বরফ গলিয়ে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল ২০২৫ সালের নভেম্বরে চীন সফর করেন এবং সেখানে চীনের জননিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী শু দাতোংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তিনি পুনরায় চীন সফর করে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর এবং জননিরাপত্তা মন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহোংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মে ২০২৫-এর চীন সফর এবং ফেন্টানাইল মাদক উৎপাদনকারী রাসায়নিক রোধ সংক্রান্ত সমঝোতার ভিত্তিতে এই সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ উন্মোচিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের এই যৌথ প্রয়াস শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই সীমাবদ্ধ নেই বরং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। বর্তমানে উভয় দেশের মধ্যে সাইবার জালিয়াতি, শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংস অপরাধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক অপরাধী চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত চারটি বিশেষায়িত ওয়ার্কিং গ্রুপ নিয়মিত কাজ করছে। এই কাঠামোর অধীনে দুই দেশের কর্মকর্তারা প্রতি মাসে একে অপরের দেশে গিয়ে পারস্পরিক তদারকি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করছেন। প্রতিদিনই দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ইতিবাচক ফলস্বরূপ সম্প্রতি, ‘অপারেশন স্যান্ড ডলার’ নামক একটি সফল যৌথ অভিযানে এফবিআই, চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এবং দুবাই পুলিশ মিলে একটি বড় সাইবার স্ক্যাম চক্রের অবসান ঘটায়। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ৩০ কোটি ডলার সমমূল্যের অর্থ উদ্ধার হয়েছে এবং পাচারকৃত হাজার হাজার শ্রমিককে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

একই বাস্তববাদী নীতির অংশ হিসেবে রাশিয়ার সঙ্গেও যোগাযোগের একটি নতুন পথ উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে কাশ প্যাটেল মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যেখানে রাশিয়ান ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) তাকে স্বাগত জানাবে। ২০১৩ সালে রবার্ট মুলারের পর এবারই প্রথম কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত এফবিআই পরিচালক রাশিয়া সফর করতে যাচ্ছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনারের সাম্প্রতিক রাশিয়া সফর এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এই নিরাপত্তা সহযোগিতা নতুন গতি লাভ করেছে। রাশিয়ার আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে এই উদীয়মান গোয়েন্দা ও আইন প্রয়োগকারী সহযোগিতাকে প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছেন।

এফবিআইয়ের এই পদক্ষেপের সমান্তরালে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যান্য শীর্ষ বিভাগও বেইজিংয়ের সাথে কৌশলগত যোগাযোগ পুনর্বাহালের তাগিদ দিচ্ছে। পেন্টাগনের পলিসি প্রধান এলব্রিজ কোলবি এবং মার্কিন যুদ্ধের সচিব পিট হেগসেথ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক হটলাইন ও সংকট ব্যবস্থাপনা কৌশলগুলো পুনরায় চালু করার ওপর জোর দিয়েছেন। সামরিক বাহিনীর মধ্যে এই যোগাযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্য হলো সমুদ্র বা আকাশে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা যাতে বড় ধরনের সংঘাতের রূপ না নেয় তা নিশ্চিত করা।

সূত্র: আরটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখতে ‘ইলেকট্রিক শক’, যা বললেন সেই নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখতে ‘ইলেকট্রিক শক’, যা বললেন সেই নারী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সরকারি অনুষ্ঠানের সময়, তার পাশে দণ্ডায়মান এক নারীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনব এবং অদ্ভুত জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য এবং নারীর অঙ্গভঙ্গি নিয়ে এক্স (সাবেক টুইটার)-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চর্চার ঝড় উঠেছে।

তবে সব ধরনের উদ্ভট তথ্য এবং ভুয়া তত্ত্বের অবসান ঘটিয়ে খোদ ওই নারী বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্টকে জাগাতে কোনো বোতাম টিপে চেষ্টা করার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি মূলত অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে নিজের পেটে হাত রেখে দাঁড়িয়েছিলেন।

গত সোমবার ওভাল অফিসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে। সেদিন শিশুদের টিকা নিয়ে সুপারিশ সংশোধনের জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বলছেন যে, শিশুদের বিভিন্ন টিকা একত্রে না দিয়ে সময়ের ব্যবধান রেখে কয়েক ধাপে দেওয়া উচিত। সেই নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষরের সময় ট্রাম্পের ডান পাশে যুক্তরাষ্ট্রের হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস সেক্রেটারি রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং বাঁ পাশে ছিলেন ওই নারী। সেখানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি বারবার মাথা নাড়ছেন এবং পেটে হাত দিয়ে আছেন। এই দৃশ্যটি প্রকাশের পর ইন্টারনেটে কিছু ব্যবহারকারী দাবি করতে থাকেন যে, প্রেসিডেন্টকে জাগিয়ে রাখতে ওই নারী বৈদ্যুতিক শক বা বিশেষ সিগন্যাল দিচ্ছিলেন।

এই ব্যাপারে ব্যাপক কৌতূহল এবং জল্পনার মধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা নারীর আসল পরিচয় শনাক্ত করতে সমর্থ হন। তিনি হলেন জয়মি লি ফ্র্যাঙ্কলিন, যিনি রক্ষণশীল মিডিয়া এবং লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘দ্য কনজারভেটর’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন এবং হাস্যকর তত্ত্বে তিনি নিজেও বেশ অবাক হন। পরে তিনি এক্স-এ পোস্ট করা এমন একটি উদ্ভট দাবি-সংবলিত বার্তা রি-টুইট করে নিজের প্রেগন্যান্সির কথা জানান। এর আগে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের পর ফ্র্যাঙ্কলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে উপস্থিত থাকায় তিনি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনার বাসিন্দা জয়মি লি ফ্র্যাঙ্কলিন রাজনীতির ক্ষেত্রে কাজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তথ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি পূর্বে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মী ছিলেন। ২০২০ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পূর্বে, ২০১৯ সালে তিনি মার্কিন সিনেটে লেজিসলেটিভ ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করেন এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণায় কোয়ালিশন কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের হোয়াইট হাউসে ডিরেক্টর অব করেসপন্ডেন্স হিসেবেও সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

বর্তমানে ফ্র্যাঙ্কলিন নিজের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান ‘দ্য কনজারভেটর’ পরিচালনা করছেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি অনুযায়ী, এটি রাজনীতি, সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, ফ্যাশন, রূপচর্চা এবং নারীত্বের সমন্বয়ে গঠিত একটি লাইফস্টাইল ও মিডিয়া ব্র্যান্ড। এর মূল লক্ষ্য হলো তরুণ রক্ষণশীল খ্রিষ্টান নারীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মৌলিক প্রতিবেদন, মতামত ও বিশ্লেষণমূলক বিষয়বস্তু তৈরি ও প্রকাশ করা।

সাধারণ একটি সরকারি অনুষ্ঠানের ফ্র্যাঙ্কলিনের শারীরিক অবস্থান এবং পেটে হাত রাখার স্বাভাবিক ঘটনা কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি তার এই স্পষ্ট বক্তব্যের মাধ্যমেই অবসান ঘটেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


নড়াইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নড়াইলের কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোর হাতে মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করা হবে। যদি কোনও পুলিশ সদস্যের মাদকের সঙ্গে সম্পর্কিত কোন প্রমাণ পাওয়া যায় তবে তার বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজে মব সংস্কৃতি রোধ এবং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও দস্যুতা প্রতিরোধে টহল পুলিশিং ও বিট পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হবে।

ডিআইজি জানান, চলতি বছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো হবে।

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার, সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এম এম মাহবুবুর রশিদ লাবলুসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ বছর ভারতে নিষিদ্ধ, তবু ভক্তদের কাছে যেভাবে পৌঁছাচ্ছে আতিফের গান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


১০ বছর ভারতে নিষিদ্ধ, তবু ভক্তদের কাছে যেভাবে পৌঁছাচ্ছে আতিফের গান

ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে আর কাজ করেননি পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম।

যদিও পেশাগত দূরত্ব তৈরি হলেও ভারতীয় শ্রোতাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একটুও ফিকে হয়নি, সেই কথা জানিয়েছেন গায়ক নিজেই। বরং নানা উপায়ে এখনও ভারতীয় ভক্তরা তাঁর গান শুনে চলেছেন।

ক্রিস ফেডের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভারতে কাজ করতে না পারা, অনুরাগীদের ভালোবাসা এবং নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন আতিফ। তাঁর মতে, ভারতে কাজের সুযোগ হারানোর ফলে ক্যারিয়ারের গতিপথ বদলে গেলেও এই পরিস্থিতি তাকে সংগীত নিয়ে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ দিয়েছে।

ভারতে তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে আতিফ বলেন, ‘ভারতে আমাকে নিষিদ্ধ করার প্রায় ১০ বছর হয়ে গেল। এটি ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত। পাকিস্তানি শিল্পীদের নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এখন পাকিস্তানেও ভারতীয় শিল্পীদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

২০১৬ সালের ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে পাকিস্তানি শিল্পীদের ভারতে কাজের ওপর বিধিনিষেধ আরো জোরালো হয়ে ওঠে। ওই বছর গুরগাঁওতে আতিফের একটি কনসার্টও বাতিল করা হয়েছিল। পরে ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন পাকিস্তানি শিল্পী, অভিনেতা ও প্রযুক্তিবিদদের নিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনে পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোরভাবে কার্যকর হয়।

দীর্ঘদিন ভারতে কোনো গান প্রকাশ না করলেও তার সংগীত যে এখনও ভারতীয় শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে, তা জানিয়েছেন আতিফ। তিনি বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে আমি সেখানে কোনও গান করিনি। আমার ভক্তরা ভিপিএন ব্যবহার করে গান শুনছেন। কেউ কেউ সিডি বানিয়ে অন্যদের দিচ্ছেন। আমি পাইরেসিকে সমর্থন করি না, কিন্তু সঙ্গীত যেখানে পৌঁছানোর, সেখানে ঠিকই পৌঁছে যাবে।’

নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথাও স্মরণ করেন এই গায়ক। তাঁর প্রথম দিকের গান রেডিও, সিডি, ক্যাসেট এবং মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে বর্তমান সময়ের পরিস্থিতিরও যেন মিল খুঁজে পান তিনি।

ভারতীয় অনুরাগীদের জন্য বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন আতিফ। তিনি বলেন, ‘মন খারাপ করবেন না। আমি সবসময় বলতে চেয়েছি, আমি তোমাদের মিস করি। ভারতীয় কাজকে মিস করি না, কিন্তু তোমাদের মিস করি।’

এরপর ভারতীয় শ্রোতাদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা যদি আমার গান ভালোবাসো, তাহলে জানো কোথায় আমাকে খুঁজে পাবে। আমার গান অবশ্যই তোমাদের কাছে পৌঁছাবে।’

তবে ভারতে কাজের সুযোগ হারানোকে কেবল নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন না আতিফ। বরং তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি তাকে সংগীত তৈরিতে আরও মনোযোগী করেছে।

গায়কের ভাষ্য, প্লেব্যাক সিঙ্গিং থেকে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। তবে ভারতে কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা না এলে হয়তো নিজের মতো করে সংগীত তৈরির দিকে এতটা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হতো না। এমনকি যাঁরা তাঁকে ভারতে কাজ করতে বাধা দিয়েছেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কারণ এই পরিস্থিতিই তাঁকে একজন শিল্পী হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ দিয়েছে।

ভারতীয় শ্রোতাদের সঙ্গে আতিফের সম্পর্ক কিন্তু তাঁর বলিউড ক্যারিয়ারেরও আগে থেকেই রয়েছে। পাকিস্তানি ব্যান্ড ‘জাল’-এর সদস্য থাকাকালীন ‘আদাত’ গানটি তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। ২০০৪ সালে তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘জল পরী’-তে গানটির একটি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।

২০০৫ সালে ‘জেহের’ সিনেমার ‘ওহ লামহে’ গান দিয়ে বলিউডে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আতিফ। এরপর ‘তেরে হোনে লাগা হুঁ’, ‘পেহলি নাজার মে’, ‘তু জানে না’, ‘জিনা জিনা’ এবং ‘দিল দিয়া গাল্লাঁ’-এর মতো একাধিক জনপ্রিয় গান উপহার দেন তিনি।

বলিউডের পাশাপাশি পাকিস্তানের সংগীতাঙ্গনেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন আতিফ। ‘দুরি’ এবং ‘মেরি কাহানি’র মতো অ্যালবামের পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন। ২০১১ সালে পাকিস্তানি সিনেমা ‘বোল’-এর মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। ২০০৮ সালে পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক সম্মান ‘তমঘা-ই-ইমতিয়াজ’ও পান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%