মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২১ পি.এম
উত্তর মেরু অঞ্চল হয়ে ইউরোপে যাতায়াতকারী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম কনটেইনারবাহী জাহাজ দেশে ফিরে এসেছে। মঙ্গলবার, বন্দরনগরী বুসানে জাহাজটির ক্যাপ্টেন ও কর্মীদের স্বাগত জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। রবিবার, ৫০ দিনের যাত্রা শেষে দেশে ফেরে জাহাজটি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্যানস্টার অ্যাক্রো’ নামের জাহাজটি যাত্রাপথে যুক্তরাজ্যের ফেলিক্সস্টো, নেদারল্যান্ডসের রটারডাম ও পোল্যান্ডের গদানস্ক বন্দরে থামা ছিল। বিভিন্ন কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক বাধা সত্ত্বেও, দক্ষিণ কোরিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে এই পথে নিয়মিত জাহাজ চলাচল শুরু করার পরিকল্পনা করছে।
অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট লি উল্লেখ করেন, প্রচলিত সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচলে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা থেকে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উত্তর মেরু হয়ে নতুন এই সমুদ্রপথ চালু হলে সংকটের সময় পণ্য পরিবহনের জন্য একটি বিকল্প পাওয়া যাবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্র ও মৎস্যমন্ত্রী হোয়াং জং উ জানিয়েছেন, ২০২৭ সালে এই পথে আরও কয়েকটি পরীক্ষামূলক যাত্রা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কনটেইনারবাহী জাহাজ ও গাড়ি পরিবহনের জাহাজ অংশগ্রহণ করবে।
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই পথে নিয়মিত জাহাজ চলাচল শুরু করতে চায়। মন্ত্রীর আশা, ২০৪০ সালের দিকে এই পথটি বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হয়ে উঠবে। আগামী ১৫ বছরের মধ্যে বছরের ছয় মাসের বেশি সময় এই পথে জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে উত্তর মেরু অঞ্চলের সমুদ্রের বরফ কমছে। ফলে এই পথে জাহাজ চলাচল আগের চেয়ে সহজ হয়ে উঠছে। কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, সুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপে যাওয়ার তুলনায় উত্তর মেরুর এই পথে যাত্রার সময় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম পথ ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন হোয়াং।
উত্তর মেরু হয়ে প্রস্তাবিত সমুদ্রপথটি রাশিয়ার উপকূল ঘেঁষে গেছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মস্কোর সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। তাই এই পথে জাহাজ চলাচল নিয়ে কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন বলেন, রাশিয়া এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, "এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টিও রয়েছে।"
প্রেসিডেন্ট লি বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা বজায় রেখেই এই সমুদ্রপথের উন্নয়ন করা হবে। তিনি এ নিয়ে অন্যান্য দেশগুলোর উদ্বেগ দূর করতে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই পথে জাহাজ চলাচল লাভজনক হবে কি না, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির আইনপ্রণেতা কাং সেউং কিউর কার্যালয় এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সমুদ্র ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষামূলক যাত্রায় জাহাজটির লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ৩০০ টিইইউ পণ্য পরিবহন করা। টিইইউ হলো ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কনটেইনারের সমপরিমাণ পণ্য পরিবহনের হিসাব।
কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর সময় জাহাজটিতে রপ্তানিপণ্য ছিল মাত্র ৭৩৭ টিইইউ। দেশে ফেরার সময় জাহাজটিতে ছিল ১ হাজার ৭৪৩ টিইইউ খালি কনটেইনার। ফেরার পথে কোনো আমদানি পণ্যও আনা হয়নি। প্রেসিডেন্ট লি বলেন, ইউরোপে পণ্য খালাস করার পর ফেরার পথে জাহাজে পণ্য তোলার ব্যবস্থা করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পথে নিয়মিত জাহাজ চলাচল লাভজনক করতে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা, বরফের মধ্যে জাহাজের গতি, বিশেষ বিমার বাড়তি খরচ এবং অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয়।
এসব বাধা কাটিয়ে উঠতে পারলে উত্তর মেরু হয়ে নতুন এই সমুদ্রপথ দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যের আরেকটি বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। তবে পথটি বাণিজ্যিকভাবে কতটা সফল হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন সাধারণ শিক্ষায় বারবার অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, এসএসসি পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার সাধারণ শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে চায়। তিনি উল্লেখ করেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যশিক্ষার সঙ্গে সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিটি শিশুকে সুশিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে বেলা ১২টার দিকে পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করা ৬১২ কর্মকর্তার ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকস্বল্পতা কাটানোর পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি এবং পাঠদানে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী সরকারি কলেজকে সাধারণ মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ। শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে সরকারি বরাদ্দের অপচয় রোধেরও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সারের ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ, সরকারি চাকরির নিয়োগে দুর্নীতি ও বাণিজ্যের প্রতিবাদে শরীয়তপুর পৌরসভা মিলনায়তনে নাগরিক সভা আয়োজন করেছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ করছি, বিদেশে আওয়ামী লীগ, দেশে বিএনপি। এ দুই শক্তির কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাচ্ছে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা নষ্ট হয়েছে। ক্ষমতায় বসে বিএনপি সরকার পুনরায় দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছে।’
নাহিদ ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনের আগে হাত মিলিয়েছিল বিএনপি। তারা একটা সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের এখন নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। ফলে আমরা দেখছি, চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে। যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, সেই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে তারা অনেক দূরে সরে গেছে।’
সিন্ডিকেট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। ১ হাজার ২০০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে। অথচ সেই দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না; একেকটি সিলিন্ডার ২,৬০০ টাকা হয়ে গেছে। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর সেই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই শরীয়তপুর বার নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে; কাউকে মনোনয়নপত্র তুলতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা সেটা হতে দেব না। আপনারা যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছেন, যারা দেশপ্রেমিক এবং এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কাজ করতে চান, আপনারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিন। স্বৈরাচার, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন। আমরা প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই। যারা রাতের ভোট করেছে, তাদের পরিণতির কথা মনে রাখতে হবে।’
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব। এছাড়া আবদুল্লাহ মো. হোসাইন, শরীয়তপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন ও সদস্যসচিব সবুজ তালুকদারসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের মুলতানে, শের শাহ সেতুর নিকটে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রেহমান বাবা এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ এবং উদ্ধারকর্মীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জিও টিভি এই খবর প্রকাশ করে।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য মুলতানের নিশতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে ১৩টি বগি থেকে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটি বগিতে উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
এক যাত্রীর উদ্ধৃতি অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে ঘটেছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রেনটি করাচি থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল।
এক যাত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পূর্বে রোহরির কাছে ট্রেনের নয় নম্বর বগির নাট-বল্টু মেরামত করা হয়েছিল। তবে ওই মেরামতের সঙ্গে দুর্ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দুর্ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। তিনি আহত যাত্রীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়াও, আহত ব্যক্তিদের যেন বিলম্ব ছাড়াই সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ