ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারি বর্ষণে আবারও জলাবদ্ধ খুলনা নগরী


ভারি বর্ষণে আবারও জলাবদ্ধ খুলনা নগরী

মৌসুমি ও নিম্নচাপের প্রভাবে মধ্যরাতের ভারি বর্ষণে খুলনা মহানগরীসহ আশপাশের এলাকা আবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি থেমে গেলেও বৃহস্পতিবারও নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা গেছে।

সাধারণ মানুষরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন। বুধবার দুপুরে হালকা বৃষ্টি হলেও রাত দেড়টার পর তা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। ঘণ্টা খানেকের বৃষ্টিতে সড়ক পেরিয়ে বৃষ্টির পানি এসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যালয়, প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা ও বাসাবাড়িতে প্রবেশ করেছে। এভাবে বাসা থেকে বেরিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধ অবস্থার চিত্র দেখা গেছে। নগরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, বুধবার দুপুরের পর থেকে হালকা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও রাত দেড়টার পর ঘণ্টাব্যাপী টানা বর্ষণ শুরু হয়। ফলস্বরূপ নগরীর টুটপাড়া, নিরালা আবাসিক হাজী মেহের আলী রোড, দোলখোলা, নতুনবাজার, বাস্তুহারা কলোনি, মুজগুন্নী, বয়রা, দৌলতপুর, খালিশপুরের নিম্নাঞ্চল, শিপইয়ার্ড, লবণচরা, বাগমারাসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি বাসাবাড়িতে প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম জানান, ‘ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ জেগে দেখি—বাসার মধ্যে পানি ঢুকে গেছে। ভারি বৃষ্টি হলে ভোগান্তির একটি নতুন মাত্রা শুরু হয়। অল্প সময়ে বৃষ্টিতেই এখন পানি জমে যাচ্ছে।’

নগরীর বয়রা বাজারের বাসিন্দা পলাশ দাস বলেন, 'মুজগুন্নি স্কুল, শিক্ষা অফিসসহ আশপাশের এলাকার তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগের শেষ নেই। সিটি করপোরেশনের চেষ্টা কাজে আসছে না। নদী-খাল, ড্রেনগুলো দখলমুক্ত ও পরিকল্পিত কাজ করা জরুরি। নাহলে খুলনা শহরে বসবাস অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।'

খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, 'সর্বশেষ খুলনায় রেকর্ড ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ মৌসুমে এটি সবচেয়ে বেশি। আরো কটি দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।' উল্লেখ্য, গত ১১ জুন ভারি বর্ষণের ফলে খুলনা পুরো নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ওইদিন গড় বৃষ্টিপাতের হার ছিল ৭৫ মিলিমিটার।

আরও পড়ুন: ফেনীতে যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিলেন ১০০-এরও বেশি নারী-পুরুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইডব্লিউজি গ্লোবাল সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধি সারওয়াত সিরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


আইডব্লিউজি গ্লোবাল সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধি সারওয়াত সিরাজ

ক্রীড়াঙ্গনে জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন আইডব্ল्यूজি গ্লোবাল সামিট অন উইমেন অ্যান্ড স্পোর্ট ২০২৬’ আয়োজন হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।

আসন্ন ৯ জুলাই থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামের আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে তিনি সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।

এই সম্মেলনে ক্রীড়া সংগঠক, নীতিনির্ধারক, এবং ক্রীড়াবিদসহ মোট ১২০০ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।

ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘বিকেএসপি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি ক্রীড়াঙ্গনে নারীর সামগ্রিক সুরক্ষা, সমতা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এই কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। দেশের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়ায় উৎসাহিত করার জন্য সরকার চলমান ‘নতুন কুঁঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্যোগ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি’ উইং গঠনের লক্ষ্যে তার এই সফর ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সম্মিলনে তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাইলফলক হিসেবে উপস্থাপিত হবে।

ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ ও সাফল্য এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। আইডব্লিউজির এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে আমাদের অর্জনগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নারী নেতৃত্ব ও আইনি সুরক্ষার আধুনিক কৌশলগুলো আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাজে লাগাতে চাই।’

এই তিন দিনের সম্মেলনে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন দেশের অলিম্পিক কমিটির প্রতিনিধিদের সাথে নেটওয়ার্কিং এবং বিশেষ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশাবাদ অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশাবাদ অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, 'চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। রাজস্ব আদায় খুবই ভালো হবে। এনবিআর-এর সবাই প্রস্তুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব।'

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে এনবিআর-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই কথা বলেন। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এনবিআর-এর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। বৈঠকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, সরকার বেসরকারি খাতের সমস্যাগুলো বুঝতে এবং সেগুলির সমাধানে নিয়মিতভাবে ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তিনি আরো বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে সরকার ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি এও বলেছেন যে, যেসব সমস্যা এখনো রয়ে গেছে, সেগুলোর সমাধানের জন্য আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, এসব সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে "জলবায়ু পরিবর্তনে আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃহষ্পতিবার (৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

দুপুরের সময়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আবুসাঈদ। 

পরিবেশ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজিম উদ্দিন শেখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম, পিপিএম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, তরী বাংলাদেশ আহবায়ক শামীম আহমেদ, বিডি ক্লিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যোবায়ের শাওন, তরী বাংলাদেশের সদস্য সোহেল রানা ভ‚ইয়া প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে পানিবন্দী কয়েক হাজার মানুষ, নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


রাঙামাটিতে পানিবন্দী কয়েক হাজার মানুষ, নিহত ২

পাহাড়ে বৃষ্টি থামছেই না। কখনো ভারি বৃষ্টি হচ্ছে, কখনো মাঝারি, আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অফিস ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে রাঙামাটির ১৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৮০০এর অধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

রাঙামাটি সদর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলাবাসির জন্য পানি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় পাহাড় ধসে এক নিখোঁজ রয়েছে। এখনও তার নাম পরিচয়সর্বস্ব। আরও জানা গেছে, রাঙামাটি সদর এলাকার মগবানে ইউনিয়নে বানের কারণে দলমনি চাকমা নামের একজন মারা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, গত পাঁচদিনের টানা ভারি বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে ব্যাপক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এই পাহাড় ধসের ফলে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, কাপ্তাই-আসামবস্তি, রাজস্থলী-বাঙ্গালহালিয়া, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি দীঘিনালা ও সাজেক সড়কে চরম ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া রাঙামাটি শহরের উন্নয়নবোর্ড সংলগ্ন আভ্যন্তরিন সড়কও ভেঙ্গে গেছে। রাঙাপানি ভেদভেদী সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাঙামাটি সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেছেন, রাঙামাটি ১৬টি স্থানে পাহাড় ধসে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আপাতত মাটি সরিয়ে সড়ক চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে যদি বৃষ্টিপাত আরও অব্যাহত থাকে, তাহলে যানচালাচল বন্ধ হয়ে রাঙামাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

এদিকে পাহাড় ধসে বিলাইছড়িতে ৩৭টি স্থানে বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাউখালী উপজেলার অনেক মানুষের ঘর ভেঙে গেছে। এছাড়া নীচু অঞ্চলে প্লাবিত হয়ে রাঙামাটি তিনটি উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, রাঙামাটি ১৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৮০০এর বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরও জানালেন, ১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কাচালং নদীতে পানি বৃদ্ধি এবং দীঘিনালায় সড়কে পাহাড় ধসের কারণে পর্যটকদের সাজেকে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মাইকিং অব্যাহত রয়েছে। মাঠে পুলিশ, সেনাবাহিনী, ম্যাজিন্ট্রেট, ফায়ার সার্ভিস, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করছে।

এদিকে, বুধবার রাতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দীন রাঙামাটিতে হঠাৎ সফর করেছেন। তিনি রাঙামাটির বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১৩০০ মেট্টিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পরবর্তীতে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

এছাড়া রাঙামাটির বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনিও আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%