শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২৯ এম
ভোলার দৌলতখান হাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি'র মত বিনিময় সভা। এই সভার আয়োজন করে হাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপি, যা শনিবার ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবর পত্রের প্রধান সম্পাদক এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাফরুজা সুলতানা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন তালুকদার। বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান মিয়া, বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি প্রভাষক নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম টপি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মশিউর রহমান লিটন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আলমগীর হোসেন মাস্টার, এবং সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন রাশেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অত্যন্ত কঠোর। তিনি বলেন, "আপনারা সাংগঠনিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করে দলকে শক্তিশালী করতে হবে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। অতীত সরকার পালিয়ে যাওয়ার একটাই কারণ হচ্ছে তারা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে। গুম খুন এমনকি আয়না ঘর তৈরি করে মানুষ মেরেছে।" তিনি আগামী নির্বাচনে হাফিজ ইব্রাহিম এর পক্ষে ধানের শীষের জন্য মাঠে কাজ করতে সকলকে আহবান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুলাদীতে এক বৃদ্ধা সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যাতে তিনি তার মেয়ে, পুত্রবধু ও মেয়ের সাবেক স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য অভিযোগ করেছেন। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মুলাদী রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার পৌর সদরের চরডিক্রী গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৬৫) অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ে সুফিয়া, পুত্রবধু নাসিমা বেগম এবং সাবেক জামাতা সিদ্দিক সরদার তাকে মারধর করেছেন। তিনি জানান, জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তারা তার উপর অত্যাচার চালাচ্ছেন। এসময় তার অন্য দুই মেয়ে আয়শা আক্তার সুমী ও ফারজানা ইয়াসমিন হাসি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম বলেন, তার মেজো মেয়ে সুফিয়া বেগমের সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর তিনি সুফিয়াকে তার বাড়িতে আশ্রয় দেন। জমি নিয়ে সুফিয়ার সঙ্গে বিবাদ শুরু হলে স্থানীয়ভাবে সালিস মিমাংশায় মৃত জয়নাল আবেদীনের জায়গা-জমি তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ৪ মেয়ের মাঝে বণ্টন করা হয়। চলতি বছরের জুন মাসে মেয়ে সুফিয়া ও পুত্রবধু নাসিমা বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে তার জমি দলিল করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ফাতেমা এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৯ জুলাই তাকে মারধর করেন তারা। ওই ঘটনায় ফাতেমা বেগম বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি মুলাদী থানায় প্রেরণ করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
অপরদিকে, মামলা করায় মেয়ে, পুত্রবধু ও জামাতা ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো মারধর করেন এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। ফাতেমা বেগম আরও বলেন, ‘সুফিয়া তার বর্তমান স্বামী আলী মোল্লা ও পূর্বের স্বামী সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে মিলে লোকজন নিয়ে আমাকে এবং আমার অন্য দুই মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তারা যেকোনো উপায়ে আমার থেকে জমির দলিল নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি দুই মেয়েকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।’
এব্যাপারে জানতে চাইলে সিদ্দিক সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সুফিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাদের পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিনি।’ মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, জমি লিখে নিতে বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। এছাড়া বৃদ্ধাকে কেউ হুমকি দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুলাদী সরকারি কলেজের গেট প্রধান সড়কের সঙ্গে করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। মুলাদী পৌর ও সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা হিজলা-বরিশাল মহাসড়কের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কার্যালয়ের সামনে একটি গেট করার দাবি উত্থাপন করেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে, শিক্ষার্থীরা মুলাদী সরকারি কলেজ গেট নামে একটি ব্যানার টানিয়ে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুলাদী পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহান হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইসমাইল সরদার, মুলাদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন রেজা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিফাত মল্লিক, পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মাহবুব হোসেন, তুরা, রহমান, আফি, মুলাদী জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোকন রাড়ি, যুবদল নেতা বাকির হাওলাদার, সাবিক মল্লিক, তুহিন সিকদার, এবং মুলাদী পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
মুলাদী পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সোহানুর রহমান সোহান বলেন, "হিজলা-মুলাদী-বরিশাল মহাসড়কের মুলাদী সরকারি কলেজের গেট করা হলে জরুরী প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস, এম্বুলেন্স এবং কলেজের মালামাল পরিবহন করা সহজ হবে।" তিনি আরও জানান, "এছাড়া বাটামারা, নাজিরপুর, সফিপুর, মুলাদী সদর ও কাজিরচর ইউনিয়নের ছাত্র-ছাত্রীদের পথ ঘুরে কলেজে প্রবেশ করতে হবে না এবং কলেজের পরিচিতিও বৃদ্ধি পাবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে “রাস্তার পাশে সবজি ক্ষেত” প্রদর্শনী এবং মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কলাপাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কলাপাড়ার পশ্চিম টিয়াখালী গ্রামের সিক্সলেন সড়কের পাশে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরাফাত হোসেন।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম শিকদার। খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম মল্লিক, প্রকল্পের মনিটরিং এন্ড ইভুলুয়েশন কর্মকর্তা মো. তৌহিদ, কলাপাড়া কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
এ মৌসুমে কলাপাড়ায় এ প্রকল্পের আওতায় ৬০ টি রাস্তার পাশে সবজি চাষ প্রদর্শনী করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় প্রতিটি কৃষি প্রদর্শনীতে কৃষকরা মাত্র দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করে প্রতি কৃষক ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার লাউ, কুমড়া, শিম, বরবটি বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের নাজিরপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের পাঁচজন নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে পুলিশ তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- উপজেলার শাখারীকাঠী ইউনিয়নের হোগলা বুনিয়া গ্রামের মো. আজাহার আলী শেখের ছেলে হাবিবুর রহমান শেখ (৬৫), যিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়া শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের চৌঠাই মহল গ্রামের ইউনুস উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মোঃ আবুল বাশার হাওলাদার (৬১), যিনি শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খালেক গাজীর ছেলে মো. কামরুল গাজী (৪২) শেখমাটিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের আ: খালেক মিয়ার ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম ডাকুয়া (৫০), যিনি কলারদোয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক। দেউলবারী দোবড়া ইউনিয়নের আবুল আউয়াল ফকিরের ছেলে মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু (৪৫), যিনি দেউলবারি দোবড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে নাজিরপুর থানায় বিএনপির অফিস ভাঙচুর, বিস্ফোরক মামলা এবং ঘড় পোরানো মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) ওই পাঁচজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ