ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি আরো বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী


লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি আরো বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি যুক্তিসঙ্গতভাবে আরো বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আজ রবিবার (২১ জুন) সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।

সরকারি খরচে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রচারণার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্যানেল আইনজীবীদের কম ফি এবং এনজিওগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশনের সুনির্দিষ্ট বাধাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের দরিদ্র, অসচ্ছল ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণের জন্য আইনি সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা দিতে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’কে ‘বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর’ এ উন্নীত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

আইনমন্ত্রী জানান, সরকার নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় অনেক সময় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন না। পাশাপাশি, মামলা ফাইলিং, কোর্ট ফি বা দলিলের জাবেদা নকল সংগ্রহের মতো প্রাথমিক আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য সরকারিভাবে কোনো অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আইনজীবীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়।

আইনজীবীদের এই বাস্তব সমস্যাগুলো বিবেচনা করে সরকার ইতিমধ্যে প্যানেল আইনজীবীদের ফি ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে এবং এই ফি আরো যুক্তিসঙ্গতভাবে বাড়ানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রান্তিক জনগণের কাছে এই সেবা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকার ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল লিগ্যাল এইড প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ৩০০টি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ ও আধুনিক অনলাইন পোর্টাল চালু হয়েছে। ‘১৬৬৯৯’ টোল-ফ্রি লিগ্যাল এইড হেল্পলাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এছাড়া, তৃণমূলে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণশুনানি, পথনাটক, সেমিনার, লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশব্যাপী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর কার্যপদ্ধতি, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহির কাঠামো ভিন্ন হয়ে থাকায় এই সমন্বয়ের বিষয়টি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। বিশেষত একটি সমন্বিত ডেটা-শেয়ারিং নীতিমালার অভাব, পৃথক কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং বিচারপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখানে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে।’

তবে তিনি জানিয়েছেন যে, এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি নিরাপদ, সমন্বিত ও কার্যকর ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি এনজিও ও অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: স্পিকার

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের আয়োজন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’ এর অধীনে আয়োজিত বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বর্তমানে রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। তথ্য-উপাত্তভিত্তিক বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংসদ সদস্যদের সংসদ লাইব্রেরির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারি আর্থিক নীতি ও কৌশল সম্পর্কে গভীর ধারণা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমী সংসদ এবং জনগণের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তথ্যভিত্তিক সংসদ গঠনে বাজেট ডিব্রিফিং সেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার একটি বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছে। ইউরোপিয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত বাজেট হেল্পডেস্ক সংসদ সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, হুইপ, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্পিকার অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


জবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পরিবর্শ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে জবি বৃক্ষরোপণ কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্‌দীন এবং কোষাধ্যক্ষা ড. সাবিনা শরমীন। উদ্বোধনী পর্বে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুডকোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দুটি পাইনগাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ইমরানুল হক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোস্তফা হাসান এবং প্রক্টর ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন করবী গাছের চারা রোপণ করেন। এছাড়া রেজিস্ট্রার ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, বৃক্ষরোপণ কমিটির আহ্বায়ক ড. কাজী সাখাওয়াত হোসেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক এবং বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শহীদ সাজিদ ভবনের পাশে সোনালু, রফিক ভবনের পাশে চন্দ্রপ্রভা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যান্টিনের পাশে পাতাবাহারসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ ও ফুলগাছের চারা রোপণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে মোট ১৪০টি চারা রোপণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত সবুজায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে : মৎস্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে : মৎস্যমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তিনি আজ রবিবার (২১ জুন) সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা হিসেবে বার্ষিক চাহিদা দাঁড়ায় ৩৮.০৯ লাখ মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মোট মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১.১১ লাখ মেট্রিক টন, ফলে দেশে মাছের কোনো ঘাটতি নেই।

তিনি আরো জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদনের তুলনায় আমদানীকৃত মাছের পরিমাণ মাত্র প্রায় ১ শতাংশ। এ সময়ে বিভিন্ন প্রজাতির ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।

মন্ত্রী বলেন, দেশে মাছের ঘাটতি নেই এবং সাধারণ ভোক্তার জন্য আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও রুচি পূরণের জন্য সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।

তিনি জানান, আমদানীকৃত মাছের মধ্যে রয়েছে টুনা, হেরিং ফিশ, রূপচাঁদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড, অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রজাতি।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে টেকসই ও উৎপাদনমুখী রাখতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়ি বিক্রির নামে কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় রিমান্ডে আলোচিত বাসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


গাড়ি বিক্রির নামে কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় রিমান্ডে আলোচিত বাসার

গাড়ি বিক্রির নামে এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে মির্জা আবুল বাসারকে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২১ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ রায় দেন।

এদিন আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম বাসারকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিলের জন্য আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, শনিবার পুলিশ রাজধানীর গুলশান-১ এলাকা থেকে বাসারকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায়ী মো. আজিজুল ইসলাম গাড়ির গ্যারেজ ও পুরোনো গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের ছোট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্রে বাসার তার কাছে একটি পুরোনো গাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। ২০২৫ সালের ৬ জুন, আজিজুল ইসলামের কাছ থেকে গাড়ির অগ্রিম মূল্য হিসেবে নগদ এক কোটি টাকা গ্রহণ করেন বাসার। সেই সময় টাকার লেনদেনের ভিডিওচিত্রও সংরক্ষিত ছিল।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, টাকা গ্রহণের পরও বাসার গাড়িটি দেয়ার আশ্বাস অনুযায়ী গাড়ি বুঝিয়ে দেননি। পরে একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এক সময়ে তিনি গাড়ি দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। এরপর টাকা ফেরত চাইলে বাসার টালবাহানা শুরু করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর, বাসার একটি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে জানায় যে এক মাসের মধ্যে তিনি টাকা ফেরত দেবেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

এই ঘটনার পর গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আজিজুল ইসলাম আদালতে মামলা করার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত গুলশান থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে ২৩ ডিসেম্বর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%