০২:৪৮ এম
নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফায়ার সার্ভিসের জেটিতে আটকে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন, রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরী মো. সাদিক (৩৫) এর মরদেহ প্রায় ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা বেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর কেরোসিন ঘাট এলাকার নিকট তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো. সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি এলাকার আশরাফ শেখের ছেলে ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের একজন অভিজ্ঞ ডুবুরি সদস্য ছিলেন, যিনি সাহসিকতা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় পদক লাভ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: জিয়ানগরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল জলিল শেখের সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ ও পথসভা
আরো আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিসের জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করার সময় তিনি পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নদীর বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সন্ধ্যা বেলায় নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করার সময় মো. সাদিক, সামসুল ও স্পিডবোটচালক সজল লাঠি ও ছুরি ব্যবহার করছিলেন। এ সময় হঠাৎ সাদিক স্পিডবোট থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে তলিয়ে যান।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, স্পিডবোট থেকে পড়ে যাওয়ার সময় তার মাথা বা শরীরের অন্য কোনো অংশে আঘাত লাগার কারণে তিনি দ্রুত পানির নিচে তলিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দলের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।
আব্দুল্লাহ আল আরেফিন আরও বলেন, সাদিক একজন দক্ষ, সাহসী ও দায়িত্বশীল ডুবুরি ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে অসামান্য সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছিলেন।
আরও পড়ুন: চলতি বছরে ৯ মাসে ‘মব’ সহিংসতায় নিহত ১৮৭ জন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন