ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ার মালাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত


মালয়েশিয়ার মালাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুর-এর উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় এবং মালয়েশিয়া সরকারের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা পারকেসো (PERKESO)-এর সহযোগিতায় মালয়েশিয়ার প্রাচীন রাজধানী মালাকা পারকেসো রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে “চিত্তবিনোদন ও ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালাকা রাজ্যে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও সার্ভিস সেক্টরে কর্মরত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী, নিয়োগকর্তা, পেশাজীবী এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পারকেসোর ফরেন ওয়ার্কার্স ডিভিশনের প্রধান মিস্টার হারিরি হারুন এবং ডেপুটি ডিরেক্টর ড. শিভানান্দা রাজাহ সাতগুনাম। এছাড়া পারকেসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজ, এনবিএল মানি ট্রান্সফার এবং সিবিএল মানি ট্রান্সফার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানসূচি শুরু হয়। এরপর মালয়েশিয়া সরকারের মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা পারকেসোর পক্ষ থেকে বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিচালিত সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক বীমা স্কীম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন পারকেসোর প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাঁদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মালয়েশিয়ার সরকারের দেশি ও বিদেশি কর্মীদের জন্য সাম্প্রতিক সুরক্ষা বিমা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা জনিত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা, পূনর্বাসন ও পেনশন সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক বিমা স্কিমে বাংলাদেশি কর্মীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তাদের অনুরোধ জানান।

তিনি প্রবাসী কর্মীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে এবং বিভিন্ন সঞ্চয় ও সার্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে উৎসাহিত করেন।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম), পারকেসোর প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধি, সিবিএল রেমিট্যান্স হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তা ও বাংলাদেশি কর্মীরা।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণ, শ্রম অধিকার সংরক্ষণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলা, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা বিমা স্কিম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা এবং বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে কর্মীদের উৎসাহিত করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

 

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীত করাসহ ১২ দফা সুপারিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ এম


তেলের মজুদ তিন মাসে উন্নীত করাসহ ১২ দফা সুপারিশ

জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ সংকট প্রতিরোধে একটি বিশেষ কমিটি ১২ দফা সুপারিশ করেছে। কমিটি জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ কমপক্ষে তিন মাসে উন্নীত করতে, আমদানির উৎসগুলোর বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়েছে। এছাড়াও সরবরাহ ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মনিটরিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেছেন। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণভাবে প্যানিক বায়িং, অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারির কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।’

কমিটি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছে। সেই সাথে ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্প এবং ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া, রুফটপ সোলার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণে সিস্টেম লস কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ প্রদত্ত করা হয়েছে। কমিটি তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ুশক্তিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ সৃষ্টি করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনা করা প্রয়োজন।’ একই সাথে জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে সংকটকালীন সময়ে অযৌক্তিক মজুদ বা প্যানিক বায়িং কমানো যায়।

ফিরে তাকিয়ে প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে বলছে, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নীতি, অবকাঠামো এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো স্থিতিশীল, বহুমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা সময়ের দাবি।’ বিশেষ কমিটি মনে করে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদনে বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া ১০টি সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধী দল বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা নির্ধারণে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে, চাহিদার অতিরঞ্জিত পূর্বাভাস এড়িয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এর সাথে সাথে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, স্থলভাগ ও সমুদ্রভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান, অপরিশোধিত তেল অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা এবং এসপিএম ও ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। বিরোধী দলের সুপারিশে সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক সম্প্রসারণ, পার্বত্য অঞ্চলে মাইক্রো-হাইড্রোর সম্ভাব্যতা যাচাই, নদীপ্রবাহভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং জ্বালানি সংকটকালে সরকারি যানবাহনের ব্যবহার কমানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তাছাড়া, হাইড্রোজেন ফুয়েল প্রযুক্তি, বায়োগ্যাস এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদলের মতে, কোনো একক জ্বালানি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে বহুমুখীকরণ করা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরেছেন ৪১ হাজার ২৩২ হাজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ এম


দেশে ফিরেছেন ৪১ হাজার ২৩২ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৪১ হাজার ২৩২ জন হাজি, যা ৯৭টি ফ্লাইটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। দেশে ফিরতে ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদি এয়ারলাইনস এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের। এই ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ১৫ হাজার ৭২২ জন হাজিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ১৬ হাজার ১০৯ জন হাজিকে সৌদি এয়ারলাইনস এবং ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিন অনুসারে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরেছেন ৩ হাজার ৩২৮ জন হাজি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৭ হাজার ৯০৪ জন। উল্লেখযোগ্যভাবে, সৌদি আরবে ৪৮ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত হাজিদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী ছিলেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১২ জন এবং জেদ্দায় ১ জন মারা গেছেন।

এছাড়াও, বিশ্বের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে মোট ৪০১ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ১৩ জন হাজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এবারে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালে হজযাত্রীদের সৌদি আরবের প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে এবং এটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, ইসরাইলজুড়ে বেজে উঠল সতর্কতা সাইরেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ এম


ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, ইসরাইলজুড়ে বেজে উঠল সতর্কতা সাইরেন

ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে ইসরাইলের তেল আবিব, জেরুজালেম এবং দেশটির মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজতে শুরু করেছে।

সোমবার (৮ জুন) ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের জন্য কাজ করছে।

ইসরাইলে জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড অ্যাডম জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে কেউ আহত হয়েছে এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি জানায়, আশ্রয় নিতে যাওয়ার পথে অধিকারী পড়ে যাওয়া এক ব্যক্তির জন্য চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

আইডিএফ জানিয়েছে, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং এখন কোনো অতিরিক্ত হুমকি নেই। লোকজন এখন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।

এর আগে, লেবাননে চলমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে, দুই মাসের যুদ্ধবিরতির পরে ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর।

এরপর ইসরাইলি বিমান বাহিনী পশ্চিম এবং মধ্য ইরানে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের ভূখণ্ডে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইলের হামলার পর ইরানের তিনটি শহরে বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তেহরান, তাবরিজ এবং ইসফাহানে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। মধ্যাঞ্চলের কারাজ শহরের পাশেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। আল জাজিরা জানাচ্ছে, তেহরানে অন্তত দুইটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ইফসাহানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণ সংগঠিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোতে পৌঁছানোর পর ভিসা জটিলতা নিয়ে ফিফাকে ইরানের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০০ এম


মেক্সিকোতে পৌঁছানোর পর ভিসা জটিলতা নিয়ে ফিফাকে ইরানের অভিযোগ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছিল ইরানের। অনেক আলোচনা ও বিভিন্ন জটিলতার পর অবশেষে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য অনুমতি পেলেও, দেশটির দল ভিসা সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে ফিফার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইরানের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার এহসান হাজসাফি।

বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রে হবে, তবে ইরানের বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে তিজুয়ানা শহরে। ক্যালিফোর্নিয়া সীমান্তঘেঁষা শহরটিতে রোববার পৌঁছেছে ইরান দলের বহর। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জটিলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনার টাকসন থেকে তাদের বেস ক্যাম্প বরং মেক্সিকোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মেক্সিকোতে পৌঁছানোর পর হাজসাফি বলেছেন, "আমরা খুবই আনন্দিত যে দল অবশেষে এখানে পৌঁছাতে পেরেছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, দলের অবস্থা ভালো আছে। অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভিসা পাওয়া গেছে।" তবে, দলের সকল সদস্য এখনও ভিসা না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হাজসাফি বলেন, "ব্যক্তিগতভাবে ফিফার প্রতি আমার অভিযোগ আছে। কেন এত দেরি হলো? যতদূর জানি, কেবল খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের কিছু সদস্য ভিসা পেয়েছেন।"

ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল হেদায়েত মোমবেইনি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহেদি মোহাম্মাদ নবিসহ দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এখনও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি।

এ ব্যাপারে হাজসাফি জানান, "দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোচিং স্টাফের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এখনও ভিসা পাননি। টিম ম্যানেজার, নির্বাহী পরিচালক ও মিডিয়া ডিরেক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এর মধ্যে রয়েছেন। আমি ফিফার কাছে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানাই। আশা করি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।"

তিনি ইরানের প্রধান কোচ আমির গালেনোয়েই প্রসঙ্গে কিছু উল্লেখ করেছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ৬২ বছর বয়সী এই কোচ ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রেজিস্ট্র্ড আছেন। মেক্সিকোর উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার সময় দলের বাসে তাঁকে দেখা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%