প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছিল ইরানের। অনেক আলোচনা ও বিভিন্ন জটিলতার পর অবশেষে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য অনুমতি পেলেও, দেশটির দল ভিসা সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে ফিফার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইরানের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার এহসান হাজসাফি।
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রে হবে, তবে ইরানের বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে তিজুয়ানা শহরে। ক্যালিফোর্নিয়া সীমান্তঘেঁষা শহরটিতে রোববার পৌঁছেছে ইরান দলের বহর। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জটিলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনার টাকসন থেকে তাদের বেস ক্যাম্প বরং মেক্সিকোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মেক্সিকোতে পৌঁছানোর পর হাজসাফি বলেছেন, "আমরা খুবই আনন্দিত যে দল অবশেষে এখানে পৌঁছাতে পেরেছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, দলের অবস্থা ভালো আছে। অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভিসা পাওয়া গেছে।" তবে, দলের সকল সদস্য এখনও ভিসা না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হাজসাফি বলেন, "ব্যক্তিগতভাবে ফিফার প্রতি আমার অভিযোগ আছে। কেন এত দেরি হলো? যতদূর জানি, কেবল খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের কিছু সদস্য ভিসা পেয়েছেন।"
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল হেদায়েত মোমবেইনি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহেদি মোহাম্মাদ নবিসহ দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এখনও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি।
এ ব্যাপারে হাজসাফি জানান, "দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোচিং স্টাফের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এখনও ভিসা পাননি। টিম ম্যানেজার, নির্বাহী পরিচালক ও মিডিয়া ডিরেক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এর মধ্যে রয়েছেন। আমি ফিফার কাছে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানাই। আশা করি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।"
তিনি ইরানের প্রধান কোচ আমির গালেনোয়েই প্রসঙ্গে কিছু উল্লেখ করেছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ৬২ বছর বয়সী এই কোচ ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রেজিস্ট্র্ড আছেন। মেক্সিকোর উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার সময় দলের বাসে তাঁকে দেখা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন