মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা
০৭:৪০ পি.এম
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে, 'জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে একটি গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বাদ আছর বাংলাদেশ জামাত ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে কালিগঞ্জ ফুলতলা শহীদ আলী মোস্তফা চত্বর থেকে একটি গণমিছিল শুরু হয়। এই মিছিলটি উপজেলাটির প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কালিগঞ্জ কাকশালি ব্রিজের দক্ষিণ প্লাজায় এসে শেষ হয়, যেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সেক্রেটারির দায়িত্বে সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রউফ এই আলোচনার পরিচালনা করেন। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সূরা সদস্য, জেলা জামায়াতের তারবী'আত বিভাগের সভাপতি ও সাবেক কালিগঞ্জ উপজেলা আমির মাওলানা কাজী মুজাহিদুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের বাইতুল মাল সেক্রেটারী সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যক্ষ আবু রাসেল আশকারী।
অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নলতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার আকবর হোসেন, উপজেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি মাস্টার সালাউদ্দিন, উপজেলা শ্রমিক বিভাগের সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম ঢালী, সাবেক ছাত্রনেতা জামাল ফারুক, সিরাজুল ইসলাম, বাকি বিল্লাহ, মোতাসিন বিল্লাহ ও তাসুম। বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার পতন ঘটাতে এদেশের ছাত্র সমাজ গণঅভ্যুত্থান ঘটাবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
সমাবেশ শেষে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের দুই বর্ষপূর্তিতে রাঙামাটিতে ‘রক্তঝরা জুলাই-আগস্টের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সরব হয়েছেন এবং গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন, বৈষম্য, মানবাধিকার ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ এবং প্রশ্ন উঠে এসেছে আলোচনা সভায়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিটি আয়োজন করে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটি। এর পর আলোচনা হয় শিশু একাডেমি হলরুমে, যেখানে ‘ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট—প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি’ শীর্ষক কথকতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন। তিনি অভিযোগ করেন যে, রাঙামাটির বিভিন্ন প্রশাসনে এখনো ‘স্বৈরাচারের দোসররা’ গুপ্তভাবে অবস্থান করছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে প্রশাসনের চেয়ার ব্যবহার করে সাবেক সরকারের সহযোগীদের বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত করার ষড়যন্ত্র চলছে।
নির্মল বড়ুয়া মিলন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত অপসারণ করে জেলার প্রশাসনকে গণমুখী করতে হবে। পাশাপাশি, গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের ছাত্র, শ্রমিক, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের মূল আলোচক রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষই ২০২৪ সালের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছেন গণতন্ত্র রক্ষায়।
কোটা বিরোধী ঐক্য জোটের প্রধান উপদেষ্টা মো. কামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের গণক্ষোভ একপর্যায়ে গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। তিনি উল্লেখ করেন, এর ভারতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের প্রতি সবার শ্রদ্ধাবোধ থাকা প্রয়োজন।
রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে ভবিষ্যতে যেন কোনো সাধারণ মানুষ নির্যাতন কিংবা বৈষম্যের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান রানা অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে এবং এসবের প্রমাণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহিদা আক্তার বলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সু-চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির সাবেক সভাপতি মো. আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ারা বেগম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের রাঙামাটি জেলা কমিটির অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকো চাকমা, জেলা কমিটির সদস্য অরুনজিতা চাকমা, নিখিল চাকমা, উদয়শংকর চাকমা, যুব সংহতির সাইমুন ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মী এবং রাঙামাটি ভূমিহীন সংহতির নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা।
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় নির্মল বড়ুয়া মিলন সম্পাদিত ‘রক্তেভেজা গণ-অভ্যুত্থান : পাহাড়ের বৈষম্য’ বইটি প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্তদের উপহার দেওয়া হয়।
শহীদদের স্মরণে বুধবার বিকেল ৫টায় রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিবসটি পালন করা হয়েছে।
এই উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সমাবেশ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় জুলাই শহিদ পরিবার সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হাওলাদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুরসহ উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে উপজেলা কমপ্লেক্সের কবি আবদুল হাকিম পাবলিক অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি গণগ্রন্থাগারের হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মুকাম্মেল হক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার নওশেদ আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক শাহরিয়ার সুমন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন, জুলাইয়ে নিহত শহীদ রিপনের মা রাহেনা পারভীন, জুলাই যোদ্ধা শহিদুল ইসলাম সানি, নাজমুস সাকিব এবং জুলাইয়ে আহত পরিবারের ওয়ালি ইসলাম রাজুর পিতা সাংবাদিক রাজ্জাক মাহমুদসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগ ও আহতদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। একই সাথে জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তারা।
সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন, রচনা ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের মাধ্যমে চলমান প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ব্যক্ত করেছে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বাহিনীর পক্ষ থেকে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি থেকে এই প্রত্যয় জানানো হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তরে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনাসভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। দপ্তরের পাশাপাশি সারা দেশে বাহিনীর রেঞ্জ, জেলা, ব্যাটালিয়ন এবং উপজেলা কার্যালয়েও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। মহাপরিচালক বলেন, ‘বিভিন্ন স্তরের অনৈতিক চর্চা, অপেশাদারি এবং জবাবদিহিহীনতার সংস্কৃতি জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে। সততা, স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবাই প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রধান কর্তব্য।’ তিনি আরো উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের কারণে আনসার ও ভিডিপির প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। সাম্যতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনা হয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে তৃণমূল পর্যায়ে। সকল নেতিবাচক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বাহিনীটি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে সুসংহত অবস্থান তৈরি করছে বলেও তিনি জানান। দিবসটি উপলক্ষে দেশের প্রতিটি কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এ ছাড়া শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, আনসার ও ভিডিপি হাসপাতালে রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি, রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ও নতুন বাংলাদেশের রূপান্তরের অভিযাত্রা তুলে ধরে নির্মিত আটটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এসব প্রামাণ্যচিত্রের শিক্ষা ও মূল্যবোধ আত্মস্থ করে দায়িত্ব পালনের জন্য বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান মহাপরিচালক। অনুষ্ঠানে বাহিনীর উপমহাপরিচালক, পরিচালকসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ