ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিকেএসপির পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত


বিকেএসপির পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা ২০২৬ সালে ঢাকার আশুলিয়ার জিরানীর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি মো. আমিনুল হক।

সভাটি শুরু হয় পরিচালনা বোর্ডের ৩৯তম সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদনের মাধ্যমে। এরপর এজেন্ডাভুক্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

সভায় বিকেএসপির জনবল কাঠামো শক্তিশালীকরণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, ২০২১ সালের প্রশিক্ষণার্থী নীতিমালা হালনাগাদ এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এছাড়া নারী খেলোয়াড়দের জন্য বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহীতে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে স্বতন্ত্র প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, নতুন ক্রীড়া বিভাগ হিসেবে দাবা অন্তর্ভূক্তি, বিভাগীয় ও আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন নীতিমালা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিকেএসপির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে, ক্রীড়া বিভাগগুলোতে বিদেশী বিশেষজ্ঞ কোচ সংযুক্তি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিকেএসপির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করার বিষয়ে পরিচালনা বোর্ড প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় ताकि দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

এছাড়া স্পোর্টস ডিপ্লেমেসির মাধ্যমে চীন ছাড়াও অন্যান্য দেশ যেমন জাপান, দ.কোরিয়া, তুরস্ক, মালয়েশিয়া এর সাথে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ফেডারেশন-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকাশনা ও কোচিং প্রতিযোগিতার আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত সকলকে একটি ফলপ্রসু আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।

সভায় পরিচালনা বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বিকেএসপির মহাপরিচালক, পরিচালকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিকেএসপির শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরোধীদল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


বিরোধীদল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত বলেছেন, বিরোধীদল মাঝেমধ্যে সংস্কারের কথা বলে, জুলাই সনদের প্রসঙ্গ তোলে। কিন্তু তারা যেন শুধুমাত্র সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দিতে পারে। আজ পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার নিয়ে তারা একদিনও কোন কথা বলেনি।

রবিবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম কার্যদিবসে তিনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনটি সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন প্রেক্ষাপটে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, তা আমরা সকলেই জানি। বিগত ১৫ বছরের উপর দুঃশাসনে আমাদের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। একটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ত সরকারের পতন হলে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। তাই এই সংসদটির প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সেই প্রত্যাশা পূরণ করা সরকারের দায়িত্ব।

ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, আমি স্বাস্থ্যখাতের বাজেট নিয়ে আমার বক্তব্যকে কেন্দ্রভিত্তিক রাখতে চাই। বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের বলব, আসুন শুধু তর্ক বা সমালোচনার জন্য নয়, আমরা আলোচনায় বসি। আমরা একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এবং একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা নিশ্চিত করবে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলেই সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাবে। অর্থাৎ এই বাজেটটি প্রস্তুত করা হয়েছে একটি সহজপ্রাপ্য, সাশ্রয়ী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী অর্থবছরে যেখানে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা, এবার তা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। এই বিনিয়োগের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র হাসপাতাল নির্মাণ বা সাময়িক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়। স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ মানুষের গড় আয়ু বাড়াতে, সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে, দারিদ্র্য কমাতে সহায়তা করে এবং কর্মক্ষম জনগণ গড়ে তোলে।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও সুখ নিশ্চিত করে, সমাজে বৈষম্য কমায় এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে।

দেশের স্বাস্থ্যখাতের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ডা. মুহিত বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন রোগের কারণে মানুষ মারা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অতিমারি ও মহামারির ঝুঁকি, দ্রুত নগরায়ণ এবং প্রযুক্তির অগ্রগতি স্বাস্থ্যখাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে হবে।

চিকিৎসা ব্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশে চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই রোগীকে নিজের পকেট থেকে বহন করতে হয়। অথচ থাইল্যান্ডে এ হার মাত্র ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য হবে এই ব্যয় কমিয়ে মানুষের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করে তোলা।

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল মাঝেমধ্যে সংস্কারের কথা বলে, জুলাই সনদের বিষয়ে আলোচনা করে। কিন্তু তারা স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে কখনো আলোচনা করেনি। আমি খুশি হতাম, যদি তারা সেই প্রতিবেদনের আলোকে সংসদে আলোচনা করতেন।

তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্যব্যবস্থার পুনর্গঠন ও সংস্কার চাই। এজন্য স্বাস্থ্যখাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, চিকিৎসা পদ্ধতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, বিকেন্দ্রীকরণ এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

অন্যদের সুযোগ করে দিতেই বেঞ্চে থাকতে চেয়েছিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


অন্যদের সুযোগ করে দিতেই বেঞ্চে থাকতে চেয়েছিলেন মেসি

গ্রুপ পর্বে শতভাগ সাফল্য নিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল লিওনেল মেসির শুরুর একাদশে না থাকা।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানান, বেঞ্চে বসার সিদ্ধান্তটি ছিল মেসির নিজের। অধিনায়ক চেয়েছিলেন অন্য সতীর্থরা মাঠে নামার সুযোগ পাক এবং তিনি নকআউট পর্বের আগে সতেজ থাকতে পারেন।

স্কালোনি বলেন, ‘আজ মেসি চাইলে পুরো ৯০ মিনিট খেলতে পারত। প্রতিপক্ষকে অসম্মান না করেই বলছি, চাইলে নিজের গোলসংখ্যাও বাড়াতে পারত। কিন্তু সে চেয়েছে অন্যরা খেলুক, যেন সবাই আগামী ম্যাচগুলোর জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এটাই তার মহত্ত্ব। মানুষ যেখানে রেকর্ড আর পরিসংখ্যান নিয়ে ব্যস্ত থাকে, লিও সেখানে দলকেই সবার আগে রাখে।’

যদিও শুরুতে মাঠে নামেননি, দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমেই নিজের ছাপ রাখেন মেসি। দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনার জয়কে আরও স্বস্তিদায়ক করে তোলেন তিনি।

গ্রুপ পর্ব শেষ করে এবার রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিপক্ষকে মোটেও হালকাভাবে দেখছেন না স্কালোনি।

আর্জেন্টাইন কোচ বলেন, ‘কেপ ভার্দে অসাধারণ একটি দল। গ্রুপ পর্বে তারা স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরব—প্রতিটি দলের জন্যই কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তারা দ্রুতগতির, সংগঠিত এবং মানসম্মত ফুটবল খেলে। এই বিশ্বকাপে কাউকেই সহজ প্রতিপক্ষ ভাবার সুযোগ নেই।’

জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচটি স্কালোনি ব্যবহার করেছেন মূলত স্কোয়াডের গভীরতা যাচাইয়ের জন্য। নিয়মিত একাদশের কয়েকজনকে বিশ্রাম দিয়ে নতুনদের সুযোগ দেন তিনি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক ছিল মিডফিল্ডার এজেকিয়েল পালাসিওসকে রাইটব্যাক হিসেবে খেলানো।

এ প্রসঙ্গে স্কালোনি বলেন, ‘এই পজিশনে আমাদের বিকল্প তৈরি রাখা প্রয়োজন। নাহুয়েল মলিনাকে বিশ্রাম দিয়েছি, কারণ সে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরেছে। আর গঞ্জালো মন্তিয়েলকে নিয়েও ঝুঁকি নিতে চাইনি। নকআউট পর্বের আগে নতুন বিকল্প পরীক্ষা করার জন্য এটিই ছিল আদর্শ ম্যাচ.’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি বছরে ডেঙ্গু শনাক্ত হলেও মৃত্যু হয়নি: চসিক মেয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


চলতি বছরে ডেঙ্গু শনাক্ত হলেও মৃত্যু হয়নি: চসিক মেয়র

চলতি বছরে চট্টগ্রাম নগরীতে এখন পর্যন্ত ১৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মেয়র বলেছেন, নগরবাসীকে বাসাবাড়ি, ছাদ, টব, এসির ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, নগরীর ৮টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকাগুলোতে বিশেষ মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আধুনিক বিটিআই প্রযুক্তি ও কার্যকর লার্ভানাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

রবিবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও জানান, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশু মায়ের দুধ থেকেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ পেয়ে থাকে।

এছাড়া, গত চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে যারা ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ করেছে, তাদের পুনরায় ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না। নিয়মিত কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ টিমের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে। মেয়র অভিভাবকদের নির্ধারিত নির্দেশনা মেনে শিশুদের ক্যাম্পেইনে নিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইমাম হোসেন রানা। এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিসেফ চট্টগ্রাম বিভাগের চিফ ফিল্ড অফিসার মিসেস মাধুরী ব্যানার্জী, চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হোসনে আরা বেগম ও ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ইউনিসেফ চট্টগ্রাম বিভাগের নিউট্রিশন অফিসার ডা. উবা সুই চৌধুরী, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারিগরি শিক্ষকদের বিষয়ে সংসদে যে তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


কারিগরি শিক্ষকদের বিষয়ে সংসদে যে তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১৫ হাজার ৮৪৪টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে ৮ হাজার ৪৮৬টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।

উল্লেখ্য, তিনি রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উভয় সংসদ সদস্যের লিখিত পৃথক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।

প্রশ্নোত্তর পর্বে এহছানুল হক মিলন আরো বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার ৮৪৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে ৭ হাজার ৭৪ জন কর্মরত আছেন। তাহলে বোঝা যায় যে ৮ হাজার ৪৮৬টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনস্ট্রাক্টর (৯ম গ্রেড) ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড) পদে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে বিসিএস (ক্যাডার ও নন-ক্যাডার) পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে ২ হাজার ২০৪টি শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে পিএসসিতে রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ৪৫তম বিসিএসে পিএসসি ৯৭ জন ক্যাডার এবং ৩৪৯ জন নন-ক্যাডার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে। তবে, পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, পদোন্নতির মাধ্যমেও শূন্য পদ পূরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু, ধারণা করা হচ্ছে যে পদোন্নতিযোগ্য ৪ হাজার ১৩১টি শিক্ষক ও কর্মচারীর পদে কর্মরত জনবল না থাকায় সেসব পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%