ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিগত আমলের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত চলছে : ত্রাণমন্ত্রী


বিগত আমলের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত চলছে : ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু আজ বলেছেন, বিগত সরকারের শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার খাতে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি রয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘বিগত সরকারের শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের কর্মসূচির নামে টিআর, কাবিটা ও কাবিখা বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল প্রযুক্তি জায়ান্ট ‘ওরাকল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল প্রযুক্তি জায়ান্ট ‘ওরাকল’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ব্যবসার কাঠামো নতুনভাবে সাজানোর অংশ হিসেবে, মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'ওরাকল' গত এক বছরে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। কম্পানিটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ মে তারিখ পর্যন্ত ওরাকলের পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার। এই সংখ্যা এক বছর আগে ছিল প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার। অর্থাৎ, এক বছরে কর্মী সংখ্যা প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। ওরাকল জানিয়েছে, তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কারণে কর্মী সংখ্যা কমানো হয়েছে।

কম্পানিটি এছাড়াও সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতেও এআই ব্যবহারের ফলে আরো কিছু পদ বিলুপ্ত হতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে কর্মী সংখ্যা কমছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওরাকলের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি খাতে চলমান বড় পরিবর্তনের অংশ। বর্তমানে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআইভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত কম্পিউটিং ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন এআই সেবা চালুর জন্য শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের চাপ সামলাতে, অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী সংখ্যা কমানোর পথে হাঁটছে। সাম্প্রতিক সময়ে অ্যামাজন এবং ফেসবুকের মালিক মেটাও হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। কর্মসংস্থান পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রযুক্তি খাতে ১ লাখেরও বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

ওরাকল জানিয়েছে, কর্মী ছাঁটাই ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত এক বছরে তাদের প্রায় ১৮০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এই অর্থ কর্মীদের ক্ষতিপূরণ, চাকরি ছাড়ার সুবিধা এবং পুনর্গঠন-সংক্রান্ত অন্যান্য খাতে খরচ করা হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে একই খাতে কম্পানিটির ব্যয় ছিল ৩৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ফলে, এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে।

কম্পানিটি স্বীকার করেছে, পুনর্গঠনের এই প্রক্রিয়ায় কিছু ঝুঁকি রয়েছে। ওরাকল বলছে, কর্মী সংখ্যা কমানোর ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষ জনবলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এতে উৎপাদনশীলতা কমে যেতে পারে এবং ব্যবসার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পুনর্গঠনের এই উদ্যোগ কিছু ক্ষেত্রে কার্যক্রমে বিঘ্ন তৈরি করতে পারে।

বর্তমানে এআই খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিযোগিতায় রয়েছে ওরাকল। ওপেনএআই, মেটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য এআই অবকাঠামো সরবরাহে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে কাজ করছে কম্পানিটি। আগেই জানা গেছে, চলতি বছরে অবকাঠামো খাতে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ওরাকল। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এবং ওরাকলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন বর্তমানে কম্পানিটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে, প্রতিষ্ঠানটি এআই খাতে বিনিয়োগ দ্রুত বাড়াচ্ছে।

এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কারণে শুধুমাত্র ওরাকল নয়, বরং আরো অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মী সংখ্যা কমাচ্ছে। গুগল, অ্যামাজন ও মেটা চলতি বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি ডলার এআই খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। অ্যামাজন জানিয়েছে, আগামী এক বছরে তারা শুধু এআই খাতেই ২ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করবে। একই সঙ্গে কয়েক ধাপে প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে। ফলে কিছু চাকরির চাহিদা কমে যাচ্ছে, আবার নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আগামী কয়েক বছরে প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের ধরনে আরো বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপতৎপরতা, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাস ও আশপাশের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভাস্কর্য চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর যে নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে, তার বিচার বাংলার মাটিতে শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো অধিকার নেই এ দেশের মাটিতে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর নামে যদি তারা সাধারণ মানুষের শান্তি বিনষ্ট করতে বা কোনো অপতৎপরতা চালাতে চায়, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। আমরা রাজপথে ২৪ ঘণ্টা পাহারায় আছি।’

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘ক্যাম্পাস কিংবা ক্যাম্পাসের বাইরে স্বৈরাচারের কোনো দোসরের ঠাঁই হবে না। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে প্রমাণিত।’

তিনি আরও জানান, ‘তারা যদি কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তবে ছাত্রদল তা কঠোর হস্তে দমন করবে। আমরা প্রশাসনকেও সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি যেন কোনো চিহ্নিত অপরাধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।’

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জানান, ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বদা সজাগ থাকবেন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে ১৮০০ শ্রমিকের বন্ধ কারখানা খোলার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


গাজীপুরে ১৮০০ শ্রমিকের বন্ধ কারখানা খোলার দাবি

গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেড নামের পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ হওয়ার পর, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও কারখানা খুলে দেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৯টায় কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানা এলাকায় জড়ো হন, যেখানে কয়েক শ শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিকরা জানান, গত ১৬ জুলাই থেকে ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেডের কারখানা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বন্ধ রয়েছে। তারা জানায়, আগামী ২৭ জুলাই শ্রমিকদের সকল পাওনা একত্রে পরিশোধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শ্রমিকদের দাবি যা তারা করেছেন, তা হলো পাওনা পরিশোধ করে কারখানাটি খুলে দেওয়া হোক।

দাবির স্বপক্ষে আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) কারখানা এলাকায় কয়েক শ শ্রমিক জড়ো হয়ে অবস্থান নেন।

বিল্লাল হোসেন নামের এক শ্রমিক বলেন, 'স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এই কারখানায় চাকরি করতাম। দুই কারখানায় প্রায় এক হাজার ৮০০ শ্রমিক কাজ করত। কিন্তু হঠাৎ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা পথে বসে গেছি।'

তিনি আরো বলেন, 'ছেলেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করিয়েছি। এখন তার পড়াশোনা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমার স্ত্রী অসুস্থ। সামনে কী করব বুঝতে পারছি না।'

পাওনা পরিশোধ প্রসঙ্গে বিল্লাল বলেন, 'শুনেছি ২৭ জুলাই পাওনা পরিশোধ করা হবে। তবে আদৌ পাব কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।'

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধের বিষয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সমঝোতা হয়েছে। ওই বৈঠকটি গত রবিবার (২১ জুন) সকালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২, গাজীপুরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইনের সভাপতিত্বে বৈঠকে শিল্প পুলিশ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। মালিকপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ আহমেদ। বৈঠকে বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা ও শ্রমিক প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৭ জুলাই শ্রমিকদের সকল পাওনা একযোগে পরিশোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের গাজীপুর মহানগর সভাপতি শফিউল আলম বলেন, 'ঈদের আগে বেতন-ভাতা ও বোনাস নিয়ে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তা ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছিল। এরপরও মালিকপক্ষ কারখানা চালু না করে স্থায়ীভাবে বন্ধের পথ বেছে নিয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের শত শত শ্রমিক একসঙ্গে কর্মহীন হয়ে পড়েছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে গেছে।'

শফিউল আলম আরো বলেন, '২১ জুনের চুক্তিটি শ্রমিকবান্ধব নয়। শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের প্রাপ্য সুবিধা ও ক্ষতিপূরণ পুরোপুরি নিশ্চিত করা হয়নি। এর ফলে শত শত শ্রমিক তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।'

এ ব্যাপারে গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন, আর্থিক সংকটসহ নানা সমস্যার কারণে কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে জানানো হয়েছে, কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধের বিষয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিপাইনের স্কুলে গুলিবর্ষণ, নিহত ৩ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


ফিলিপাইনের স্কুলে গুলিবর্ষণ, নিহত ৩ শিক্ষার্থী

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় তিনজন শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত আরও সাতজন হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকালে লেইতে প্রদেশের তাকলোবান শহরের একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে সান হোসে ন্যাশনাল হাইস্কুলের ভেতরে দুই কিশোর শিক্ষার্থী হঠাৎ করে গুলিবর্ষণ শুরু করেন। এ কারণে স্কুলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বয়স ১৪ ও ১৫ বছর। হামলার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুই কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। যেহেতু তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাই অভিভাবকদের উপস্থিতিতেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গুলির শব্দ শোনার পর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ছুটে যায়। ভিডিওতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীদের কান্না ও চিৎকারও শোনা যায়।

পুলিশ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ইভালিন দিয়াজ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, সহপাঠীদের বুলিং বা নির্যাতনের শিকার হওয়ার জেরে অভিযুক্তরা হামলার পথ বেছে নিতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কীভাবে সেগুলো স্কুল প্রাঙ্গণে আনা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অস্ত্রগুলো জব্দের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

ফিলিপাইনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক সংঘাত ও লক্ষ্যভিত্তিক সশস্ত্র সহিংসতার ঘটনা প্রায়ই ঘটলেও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন হামলার ঘটনা খুবই বিরল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%