ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলকাতা, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা চালুর ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি


কলকাতা, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা চালুর ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি

ভারতের ভিসা চালুর ঘোষণায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কলকাতা-র হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তির হাওয়া ফিরে এসেছে।

প্রায় দুই বছর পর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় লোকসানের মুখে পড়া ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন তারা। দুই দেশের মধ্যে পর্যটন কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে কলকাতার এই অঞ্চলের অর্থনীতিও আবার চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মারকুইস স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদোয়াই স্ট্রিট, পার্ক স্ট্রিটসহ প্রায় অর্ধশত ছোট-বড় সড়কের পাশে পরিকল্পনা করে গড়ে উঠেছে এক হাজারের বেশি আবাসিক হোটেল, যা বাংলাদেশের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে নির্মিত।

আরও পড়ুন: এবার আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় বিক্ষোভের ঘটনা

বাংলাদেশিদের জন্য আবারও ভিসা চালুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানকার ব্যবসায়ী সমাজে স্বস্তি নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা মন্তব্য করেছেন, ভিসা চালু হলে মধ্যবিত্ত পর্যটকরাও আবার কলকাতায় আসতে পারবেন। ফলে নিউমার্কেটের ব্যবসা আবার সচল হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রী সংখ্যা কম, বাসের চলাচলও সীমিত, এবং হোটেলগুলো প্রায় ফাঁকা। তবে ভিসা স্বাভাবিক হলে এসব সমস্যা কেটে যাবে এবং ব্যবসা আবার আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের পর্যটকরা শুধু কেনাকাটাতেই সীমাবদ্ধ নন, তারা কলকাতায় হোটেলে থাকেন, যাতায়াত করেন এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। পর্যটক ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই কলকাতার এই নির্দিষ্ট এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের মন্দার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

এদিকে, ভিসা চালুর ঘোষণার পর হোটেল বুকিং এবং কেনাকাটা আবার বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। তাদের বিশ্বাস, এতে স্থবির হয়ে পড়া স্থানীয় অর্থনীতি আবার গতিশীল হয়ে উঠবে।

ভারত সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে যাওয়া বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই ছিলেন সর্বাধিক। সেই বছর প্রায় ২২ লাখ বাংলাদেশি ভারত ভ্রমণ করেছেন, যা একটি রেকর্ড।

আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগরীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৭৭ জন গ্রেফতার, ৩৪ মামলা দায়ের

এরপর ২০২৪ সাল থেকে এই সংখ্যা কমতে শুরু করে। সর্বশেষ ২০২৫ সালে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা মাত্র সাড়ে ৪ লাখে নেমে আসে। এর ফলে বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল কলকাতার ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মকভাবে ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


জুলাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন শুরু

দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। 

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্র মো: আমিনুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে এই প্রতিযোগিতার মূল আসর শুরু হবে।

যুবসমাজকে প্রযুক্তির আসক্তি ও মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে দূরে রেখে মাঠে ফেরাতে সরকার দেশের আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলে আয়োজিত আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, যে বর্তমান সমাজে ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে সন্তানরা ঘরে বন্দি হয়ে পড়েছে।

তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনতে এবং একটি সুস্থ জাতি গঠনে এই কঠোর অথচ ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। এখন থেকে চতুর্থ শ্রেণী থেকে শুরু করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় পাস করার জন্যই মাঠে আসতে হবে এবং নির্দিষ্ট শিক্ষকের অধীনে ট্রেনিং সেশনে অংশ নিতে হবে।

ক্রীড়াঙ্গনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সরকারের বিশাল পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর জাতীয় পর্বের খেলা শেষ হবে।

এরপর সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় মৌসুমে দেশের সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পর্যায় থেকে খেলা শুরু হবে।

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, দাবা ও মার্শাল আর্টের হাজার হাজার দল গঠন করা হবে, যা দেশের পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামোতে এক আমূল পরিবর্তন আনবে।

খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামী জুলাইয়ের পর আরও ২০০ জন খেলোয়াড়কে পেশাদারিত্বের আওতায় আনা হবে।

এর ফলে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ জন খেলোয়াড়কে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়াকার্ড প্রদান কার্যক্রম চলমান থাকবে, যাতে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে একটি স্থায়ী পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় সাধনের ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একটি শক্তিশালী যোগসূত্র তৈরি করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌথভাবে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করতে খুব শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষ থেকেও উদ্যোগ প্রত্যাশা করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই সাঁতার ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতায় দেশের ছয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট ১৪টি ইভেন্টে অংশ নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এবং অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় বাড়িতে ফিরতে এখন ‘ভয় পাচ্ছে’ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


ভেনেজুয়েলায় বাড়িতে ফিরতে এখন ‘ভয় পাচ্ছে’ মানুষ

ভেনেজুয়েলার স্থানীয় সময় অনুযায়ী বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় শক্তিশালী দুই ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কার কারণে এখনো অনেক মানুষ তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। ফলে তারা রাত কাটাচ্ছেন পার্ক এবং উন্মুক্ত চত্বরে।

এই তথ্যটি স্বাধীন সাংবাদিক মারিয়া এমিলিয়া মিরো কেসাদা জানিয়েছেন।

কারাকাস থেকে আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, মানুষ বাড়িতে ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছে। ভবনগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তারা গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ভেনেজুয়েলার নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন।

তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উদ্ধার তৎপরতার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সরঞ্জাম দ্রুত নিশ্চিত করা। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছাতে এবং আহতদের দ্রুত সহায়তা দিতে পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জাম এবং জনবল জরুরি।

মিরো কেসাদা আরও বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত, বৃহৎ পরিসরে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নির্বিঘ্নে পৌঁছে আটকে পড়া ও আহত মানুষদের সহায়তা করা।’

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলা কেন এত ভূমিকম্পপ্রবণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


ভেনেজুয়েলা কেন এত ভূমিকম্পপ্রবণ

ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশটি ভূমিকম্পের দিক থেকে অত্যন্ত সক্রিয় একটি অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া। ভেনেজুয়েলা ক্যারিবীয় ও দক্ষিণ আমেরিকা টেকটোনিক প্লেটের সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত। এই দুটি প্লেট প্রতিবছর প্রায় ২২ মিলিমিটার হারে একে অপরের পাশ দিয়ে সরার জন্য উদ্দীপিত হয়।

গত বুধবার (২৪ জুন) দিনটি জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যখন এই দুইটি প্লেটের সীমান্তের দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা চাপ আচমকা মুক্ত হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ভৌগোলিক বিভিন্ন অঞ্চলে নানা সক্রিয় ফল্ট লাইনও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুসারে, ফল্ট হলো ভূ-পৃষ্ঠের শিলাস্তরের মধ্যে ফাটল তৈরির অঞ্চল। এসব স্থানে জমে থাকা চাপের কারণে শিলাস্তরের সরে যাওয়া ঘটলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

ভেনেজুয়েলায় অগভীর ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। সাধারণভাবে, ভূ-পৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটারের কম গভীরতায় উৎপন্ন হওয়া ভূমিকম্পগুলোকেই অগভীর ভূমিকম্প বলা হয়।

ভূ-পৃষ্ঠের নিকট উৎপন্ন হওয়ায় এ ধরনের ভূমিকম্পে কম্পন অনেক বেশি অনুভূত হয় এবং একই মাত্রার গভীর ভূমিকম্পের তুলনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়ে থাকে। তবে বুধবারের জোড়া ভূমিকম্পের মতো প্রাণঘাতী ঘটনা ভেনেজুয়েলায় খুবই বিরল।

পূর্বে ২০০৯, ১৯৮৯ এবং ১৯৭৫ সালে দেশটিতে ৬ কিংবা তার বেশী মাত্রার ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছিল। আর দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পটি ঘটেছিল ১৯৬৭ সালে, যখন রিখটার স্কেলে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন ও র‌্যালি না করার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন ও র‌্যালি না করার নির্দেশ

মালয়েশিয়া ও চীন সফর সম্পন্ন করে প্রধানmন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি বেইজিং থেকে ঢাকায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় পৌঁছানোর সময় শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৮টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির সিনিয়র নেতা, মন্ত্রী এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফর ও দেশে ফিরে আসার সময় কোনো প্রকার শোডাউন কিংবা র‌্যালি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উক্ত বৈঠকের পর দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতার স্মারক সই করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের সময় ৩টি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%