ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর ‌‌‘উঠে দাঁড়ানো’ সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন


ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর ‌‌‘উঠে দাঁড়ানো’ সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ার পর ফের সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া সেই আলোচিত গাছটি কেটে ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন।

গাছটিকে ঘিরে কুসংস্কার এবং মাজার তৈরির চেষ্টা রুখতে শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় এটি কেটে ফেলা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাস আগে আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সীবাড়ির একটি পুকুর পাড়ে গাছটি ঝড়ে উপড়ে পড়ে যায়। পড়ে থাকার পর গাছটির ডালপালা এবং ওপরের অনেক অংশ কেটে ফেলা হয়। গত এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ করেই ডালপালাহীন ১৫ ফুটের অবশিষ্ট কাণ্ডটি আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।

আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

ঝড়ে পড়া গাছ নিজে নিজে দাঁড়িয়ে যাওয়ার এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করতে শুরু করে। একপর্যায়ে কিছু উৎসুক মানুষ গাছটির নিচের অংশ লাল কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দেয় এবং সেখানে মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালিয়ে মানত করা শুরু করে। এমনকি চারদিকে নিশানা টাঙিয়ে জায়গাটিকে মাজার সদৃশ রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

গাছটি দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও সমাজকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সরব হন। তারা জানান, এটি অলৌকিক কিছু নয়। গাছের ডালপালা ও ওপরের অংশ কেটে ফেলায় এর ভরকেন্দ্র বদলে যায়। ফলে ঝড়ের চাপ দূর হওয়ার পর উদ্ভিদের শিকড়ের টান, মাটির স্থিতিস্থাপকতা এবং গাছের অভ্যন্তরীণ রসের চাপের (হাইড্রোস্ট্যাটিক প্রেসার) কারণে কাণ্ডটি আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এটি সরিয়ে না নিলে এখানে ভন্ড মাজার তৈরি হতে পারে বলে তারা প্রশাসনকে অনুরোধ জানান।

বিষয়টি নজরে আসার পর আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা গাছটি পুরোপুরি কেটে ফেলা হয়।

এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় হেলে ছিল। আমরা গাছের মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তার অনুমতি নিয়েই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় এটি কেটে ফেলা হয়েছে। মালিক জানিয়েছেন, গাছ বিক্রির টাকা কোনো মসজিদ বা মাদরাসায় অনুদান হিসেবে দিয়ে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’-আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান কামরুল ইসলাম দাউদের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহের এসপি মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


ঝিনাইদহের এসপি মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার

ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই বিষয়ে তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করার খবর শোনা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়।

আইজিপির স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসপি মাহফুজ আফজাল জেলা পুলিশের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে নিজ দায়িত্বভার অর্পণ করবেন। তাকে শুক্রবারের (৫ জুন) মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে রিপোর্ট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে, এই আদেশে তাকে হঠাৎ প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

মো. মাহফুজ আফজাল গত বছরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঝিনাইদহের এসপি হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তার দায়িত্ব পালনকালে জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কিছু চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।

এতগুলোর মধ্যে দুটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সামাজিক বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনার উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ তুলে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে জেলায়।

এসব বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার প্রত্যাহার হতে পারে বলে জেলার সচেতন মহলে গুঞ্জন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’ এর অর্থ এবং ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’ এর অর্থ এবং ব্যাখ্যা

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস নির্দেশক একটি বাক্য। এই বাক্যের মাধ্যমেই ইসলামের প্রথম স্তম্ভ পূর্ণতা লাভ করে। ইসলামে এর গুরুত্ব ও মর্যাদা অত্যন্ত বেশি। মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এর প্রভাব, মর্যাদা ও ফজিলত উল্লেখযোগ্য।

لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ। এর অর্থ হচ্ছে: আল্লাহ এক, এবং অন্য কোনো উপাস্য নেই। হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলেন আল্লাহর প্রেরিত রসুল।

নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমানের সত্তরের অধিক শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর প্রচার করা। (আবু দাউদ: ৪৬৭৬)

এ কারণে সমস্ত জিকিরের মধ্যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ বলে গণ্য করা হয়। এক হাদিসে এসেছে,

أَفْضَلُ الذِّكْرِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ অর্থ: জিকিরের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জিকির হলো- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। (ইবনে মাজাহ: ৩৮০০)

অন্য একটি হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে, মহান আল্লাহ হজরত মুসা (আ.) কে বলেন,

يَا مُوسَى لَوْ أَنَّ أَهْلَ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَالْأَرَضِينَ السَّবْعِ فِي كِفَّةٍ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي كِفَّةٍ، مَالَتْ بِهِمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَخْرَجَه النَّسَائِيُّ بِسَنَدٍ صَحِيحٍ كما قال ابن حجر في فتح الباري। এর অর্থ হলো: হে মুসা! যদি সাত আসমান ও সাত্‌টি জমিন এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তা যদি এক পাল্লায় রাখা হয়, এবং অন্য পাল্লায় যদি শুধুমাত্র ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ রাখা হয়, তবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর পাল্লাই ভারী হবে। (সুনানে কুবরা নাসায়ি: ১০৬০২)

কালিমা একটি শপথবাক্য। এর মূল কথা হলো, আমি কেবল মহান আল্লাহকে ইবাদতের উপযুক্ত বলেই মনে করি, ইহকাল ও পরকালের সমস্ত বিষয় তার কুদরতে রয়েছে, এ বিষয়ে আমি বিশ্বাস স্থাপন করি। তাই আমি তারই বন্দেগি ও গোলামি করি। আমি তাকে ভালোবাসি, তার নির্দেশ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি এবং আমি হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহান আল্লাহর প্রেরিত সত্য নবী হিসেবে স্বীকার করি। জীবনের সকল বিষয়ে আমি তার আনুগত্য করি এবং তার প্রদত্ত হেদায়েত অনুসরণ করি। এভাবে শপথ নেয়াকে ঈমান আনা, তাওহিদ ও রেসালাতের সাক্ষ্য দেয়ার কথা বলা হয়।

যার অন্তর থেকে কালিমার দুই অংশ তথা তাওহিদ ও রেসালাতকে স্বীকার করে এবং যার কর্মে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে, সে সত্যিই সৌভাগ্যবান এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাকে বড় সুসংবাদ দেয়া হয়েছে! নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، حَرَّمَ اللهُ عَلَيْهِ النَّارَ অর্থ: যে ব্যক্তি খাঁটি মনে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’-এর সাক্ষ্য দেবে, মহান আল্লাহ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দেবেন। (মুসলিম: ৪৭)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসযাত্রীর নিয়ম মেনে আগেই নামানোয় প্রাণহানি হয়নি: মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসযাত্রীর নিয়ম মেনে আগেই নামানোয় প্রাণহানি হয়নি: মন্ত্রণালয়

যাত্রীদের নামিয়ে দেয়ার বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার কারণেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়েছে, তবে ঘটনায় কোনো হতাহত ঘটেনি।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার কাজী আরিফ বিল্লাহর সই করা এক বার্তায় এ দাবি জানানো হয়েছে।

নৌ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে বাস ও অন্যান্য যানবাহন ওঠানোর পূর্বে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়ার নিরাপত্তা বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঘটে যাওয়া বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ার ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করেছে।

এদিন সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের নন-এসি বাসটি ৭ নম্বর ফেরিঘাটের ‘করবী’ ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছনের র‍্যাম্প (ডালা) ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরি ইউনিট। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বাসটি টেনে তুলতে সক্ষম হয়।

এটির আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে একইভাবে একটি বাস ডুবে ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছিল। ওই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ নিয়ম জারি করে যে, ফেরিতে ওঠার পূর্বে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে।

সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে এসবি পরিবহনের বাসটির যাত্রীরা আগেই নেমে অভ্যস্তভাবে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে নতুন করে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং ঘাটে কোনো নিখোঁজ যাত্রীর স্বজনদের ভিড় বা আহাজারি দেখতে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু
 
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড় হিজলী গ্রামে পুকুরে ডুবে তাবাসসুম (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
 
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে কোনো এক সময় শিশুটি বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
 
পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশুটিকে ভাসতে দেখতে পান স্বজনরা। 
 
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তাবাসসুম বালিয়াকান্দি উপজেলার বড় হিজলী গ্রামের মো. শামীম মোল্লা ও তানিয়া খাতুন দম্পতির কন্যা।
 
ঘটনার খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি থানার এসআই শুকদেব কুমার ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ প্রকাশ করেনি। এছাড়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কোনো আশঙ্কা নেই।
 
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%