মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
০৩:৪২ পি.এম
মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুংয়ে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় মেরুং বাজার এলাকায় দীঘিনালা থানা পুলিশের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
র্যালিতে ‘মাদকমুক্ত করব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এবং ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’—এমন নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
র্যালিটি মেরুং বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে, পরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এতে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী, এসআই রাজিব শেখ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, দীঘিনালা থানা ও মেরুং পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়; এলাকার মানুষকে তথ্য দিয়ে ও সচেতনভাবে পুলিশের পাশে দাঁড়াতে হবে। মাদক বিক্রি, সরবরাহ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, শুধুমাত্র অভিযান চালিয়ে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদকের বিস্তার ঠেকাতে পরিবার, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধ প্রয়োজন।
র্যালিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় কয়েকজন জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী এমন কর্মসূচি নিয়মিত হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে। বিশেষ করে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিকভাবে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে ভবিষ্যতেও মেরুংসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে ঘিরে চাপের মধ্যে রয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে, তার দল লিকুদ পার্টি সর্বশেষ জনমত জরিপে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টির তুলনায় পিছিয়ে গেছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান-এর প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, পার্লামেন্টে ইয়াশার ২৪টি আসন পেতে পারে এবং লিকুদের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ২৩ হতে পারে। আগামী ২৭ অক্টোবর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের মাত্র দুই মাসের কিছু বেশি সময় আগে প্রকাশিত এই জরিপে নেতানিয়াহুর দলের পিছিয়ে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগের কিছু জরিপেও দেখা গেছে, নেতানিয়াহু নির্বাচনে জয় পাওয়ার অবস্থায় নেই। যখন নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে, ট্রাম্প এখনও তাকে কোনও সুস্পষ্ট রাজনৈতিক সমর্থন প্রদান করেননি।
জনমত জরিপে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর বর্তমান জোট ৪৯ থেকে ৫৩টি আসন পেতে পারে, অথচ সরকার গঠনের জন্য आवश्यक অন্তত ৬১ আসন। বর্তমানে তার হাতে আছে ৬৮ আসন। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো জরিপ অনুযায়ী ৬৭ থেকে ৭০টি আসন পেতে পারে এবং নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক আইডিএফ প্রধান গাদি আইজেনকোট বেশিরভাগ জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বলে দেখা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসছে না, তবে সংযুক্ত হচ্ছেন আরো নতুন দুই মুখ।
মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়া নিয়ে আরো বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনা চলছে, কিন্তু এই ধাপে বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার কিংবা রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। নতুন দুই সদস্য আগামী ২২ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন। কারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তিন কার্যদিবসের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এটি বোঝায় যে ২২ আগস্টের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি শপথ নিতে পারেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় যে সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হবে। শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে।
নতুন রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ পড়াবেন। আগামী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকায় পরদিন ২১ আগস্ট শুক্রবার শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। এ ছাড়া ২২ আগস্টও ছুটির দিন রয়েছে। সেই লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সাচিং প্রু জেরীকে আনার বিষয়টি পার্বত্য এলাকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়ন ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ প্রায় দুই মাসের মাথায় নতুন মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন মীর হেলাল।
এ ছাড়া গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এক লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সব মিলিয়ে নতুন করে দুই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার মধ্য দিয়ে সরকারের মন্ত্রিসভায় আরেক দফা পরিবর্তন আসছে। এখন দেখার বিষয় বৃহস্পতিবারই তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, নাকি শপথগ্রহণের জন্য ২০ কিংবা ২১ আগস্ট চূড়ান্ত করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন যে দুজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের নাম ও মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করা আছে। আগামী ২০ আগস্ট ঘোষণার কথা রয়েছে। তাঁরা নতুন রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে শপথ নেবেন।
জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলতে পারবেন।'
জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।'
উল্লেখ্য, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা ৫০। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার।
এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে। তবে শপথ অনুষ্ঠান কবে হবে তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মানোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম কালের কণ্ঠকে বলেছেন, 'রাষ্ট্রপতির শপথের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি নেওয়া আছে। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের পর কোন দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে সে বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।'
শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রেস সচিব এস এম রাহাত হাসনাত কালের কণ্ঠকে বলেন, 'নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জে কারাবন্দি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে দীপু মনির চার দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনটি জমা দেওয়া হয়। ডা. দীপু মনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গাজী ফয়সাল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে দীপু মনির মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে তিনি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে যান। আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জানিয়েছেন, স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর মানবিক কারণে ডা. দীপু মনিকে চার দিনের প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১০টা ২৭ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। স্বামীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর বুধবার সকালে কারাগারে থাকা মা ডা. দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে যান তার মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ। একই সঙ্গে প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে মায়ের পরামর্শ নেন তিনি। আইনজীবী জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলের আবেদন করা হয়েছে। এখন প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এদিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. জান্নাত-উল ফারহাদ জানিয়েছেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে এখনো কোনো আবেদন পৌঁছেনি। আবেদন পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ডা. দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গণনা সরাসরি দেখানো হবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তৃতা করেন। সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন এই সময় বলেন, ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচনী কর্তা হিসেবে যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই চূড়ান্ত হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
সিইসি জানান, ‘আমাদের ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি (প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি) একটু শর্ট। কারণ, এই নির্বাচনে আমরা অভ্যস্ত নই। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে আমরা একটি হাই-প্রোফাইল ইলেকশন বলে মনে করি।’ পুরো প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো গ্যাপ (ফাঁকফোকর) না থাকে, কমিশন এ জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ খালি থাকায় এবং গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতিতে এই নির্বাচনের দিকে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। তবে এ নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিশন সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পুরো প্রক্রিয়ায় সংসদ সচিবালয় থেকে সার্বিক সহযোগিতা পাওয়া গেছে।
ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য সিইসি বলেন, ‘গণনায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করা হবে।’ প্রার্থীদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। আর ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচনী কর্তা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই চূড়ান্ত হবে।
তিনি আরও জানান, ভোট গ্রহণ শেষে ফলের ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে ইসি থেকে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ