০২:৫০ পি.এম
রবিবার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে রয়টার্সের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ট্রাম্পের পোস্ট করা ভিডিওটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। ট্রাম্পের পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টা পরেও খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ইরানের সরকারি ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হামিদ বোভার্দ ট্রাম্পের পোস্টকে হাস্যকর বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, খার্গ দ্বীপের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত এবং স্বাভাবিক রয়েছে। তেল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং পূর্বের ক্ষয়ক্ষতি মেরামত ও স্থাপনা আধুনিকায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
যুদ্ধের পূর্বে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি খার্গ দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হত। তাই যদি দ্বীপটিতে হামলা হয়, তাহলে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যে তা বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, সবাই নাগরিক’ : আহমেদ সোহেল
ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপ সংক্রান্ত পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হরমুজ প্রণালীতে সমুদ্র মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলা পরিচালিত হয়। জুলাইয়ের পর এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পরিচিত সামরিক হামলা।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান জর্ডানে দুটি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি করা হয়েছে, তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডস পারস্য উপসাগরে একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। হরমুজ প্রণালীতে দুটি নৌমাইনের আঘাতে একটি সুপারট্যাংকারে আগুন ধরে সেটি অচল হয়ে পড়েছে বলেও ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে।
সূত্র:
আরও পড়ুন: গ্রিসে বাড়ি কিনছেন ইসরায়েলিরা, ফিলিস্তিনপন্থিদের মধ্যে ক্ষোভ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন