প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, বিগত নির্বাচনের সময় ইউএনও, ওসি এবং ডিসিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হতো, কিন্তু এবারের নির্বাচনে কাউকেই ১০ টাকাও দেওয়া হয়নি।
মন্ত্রী সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১২টায় মানিকগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "বিগত আমলে নির্বাচন হয়েছে, আমি ফ্র্যাংকলি একটা বলি, নির্বাচন আসলে ইউএনও সাহেব পেতেন ১ কোটি মিনিমাম ৫০ লাখ টাকা থানার পরিধি বেধে। ওসি সাহেব পেতেন ১ কোটি, ডিসি সাহেব পাইতেন। সব ছিল ঘুষের দুর্নীতির মহাঅরণ্য। এবারে একটা ইলেকশন হয়েছে, ১০ টাকা কেউ পেয়েছে? আমি দেই নাই কাউকে ১০ টাকা, চায়ও নাই।"
তিনি আরও বলেন, "কাজ করেছে আগের চেয়ে বেশি, কি কাজ নেই কাজ! জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে কোন ফিনান্সিয়াল বেনিফিট ছাড়া। অনৈতিক সুবিধা তাদেরকে জোর করে দেওয়া হয়েছে একদিকে চাকরি হারানোর ভয় আরেকদিকে খুশি রাখতে হবে, নিতে হবে নেন, চুরি করতে হবে নেন। সেই দিনগুলো চলে গিয়েছে, এখন আমরা সবাই বুঝেছি আমাদের কিছু করতে হবে ঈমানের সঙ্গে পবিত্রতার সঙ্গে।"
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, "আগে কন্ট্রাকটারা টুটু করে ঘুরতে মন্ত্রীর রুমে পিওনদেরকে টাকা দিয়ে রুমে যেতো, একটা সাইন করেন তো নার্সের ট্রান্সফার ও ডাক্তারের ট্রান্সফার ৩ লাখ, ৫ লাখ ডাইরেক্টর হলে, দুই কোটি এরকম ঘুষ খেয়েছে। টোটাল সিনারি ওয়াজ ফুল অফ করাপশন, এগুলো থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে, আমরা বেরিয়ে আসছি ইনশাআল্লাহ। কাজেই এই কাজটা কিন্তু একার না, সমন্বিত।"
এছাড়াও, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক, জুয়া, স্বাস্থ্য খাত ও অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে কর্মকর্তাদের বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজ খান রিতা, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির এবং মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, সহ জেলায় কর্মরত সকল দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন