সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৩ পি.এম
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সোমবার উদ্ধারকর্মীরা মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের বন্যাকবলিত এলাকায় পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সেখানে বন্যার ফলে ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। একটি ত্রাণ সংস্থার চেয়ারম্যান এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের তানিনথারি অঞ্চলে শুক্রবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও একই ধরনের তীব্র আবহাওয়া বিরাজ করছে। এর ফলে ব্যাংককে সপ্তাহের শেষে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ইয়াঙ্গুন থেকে এই খবরটি জানিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী দাওয়েই জাবুথিরি ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিসের চেয়ারম্যান মিও মিন এএফপিকে বলেন, তানিনথারির একাধিক টাউনশিপ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কিছু গ্রামে পৌঁছাতে এখন শুধুমাত্র পায়ে হেঁটে যাওয়ারই সুযোগ রয়েছে। ত্রাণকর্মীরা কয়েকশ বাসিন্দাকে বাড়িঘর ছেড়ে মঠের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে দেখেছেন।
মিও মিন বলেন, এখনো হতাহতের কোনো ‘নিশ্চিত সংখ্যা’ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক তথ্যে সাত থেকে ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ২০ থেকে ৩০ জন।
তিনি টেলিফোনে এএফপিকে বলেন, ‘উদ্ধারকর্মীরা এখনো পুরো দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি।’
মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এখনও হতাহতের কোনো সরকারি সংখ্যা প্রকাশ করেনি। চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ত্রাণ কার্যক্রমও জটিল হয়ে পড়েছে।
সংঘাতের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত মাত্রা নিরূপণ করা মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর জন্য প্রায়ই কঠিন হয়ে যায়।
৫ কোটি ১০ লাখ মানুষের দেশ মিয়ানমার জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের একটি। জার্মানির অলাভজনক সংস্থা জার্মানওয়াচ এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ওয়াশিংটনের মানবিক সহায়তা বাজেট ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মিয়ানমারে ত্রাণ সহায়তাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
থাইল্যান্ডে প্রায় ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টির ফলে বাড়িঘর, দোকানপাট ও সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর সপ্তাহের শেষে রাজধানী ব্যাংককে বন্যা দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়।
ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪ হাজার ৯০০ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫২ হাজার পরিবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুই যুগের বিরোধের সমাপ্তি ঘটার পর ক্রমাগতভাবে বাড়ছে পান রপ্তানি। কানাডা, ফ্রান্স এবং ইতালিসহ বিশ্বের ৩৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে পান। যদি নীতিগত ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা যায় এবং পরিকল্পিতভাবে এগোনো যায়, তাহলে বছরে এক হাজার কোটি টাকার বেশি পান ও পানজাত পণ্য রপ্তানি সম্ভব হবে।
আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পান বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই সংগঠনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পানের পরিচয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের অভিযোগ ছিল যে, সবজি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পান রপ্তানি করে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হচ্ছে। অপর পক্ষের দাবি, পানকে আলাদা পণ্য হিসেবে দেখিয়ে একটি ‘সিন্ডিকেট’ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই বিরোধের ফলে দুই পক্ষের মধ্যে এক ডজনের বেশি মামলা দায়ের হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, পান উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের (হর্টিকালচার) অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারিকভাবে এটি মসলাজাতীয় ফসল বা চিবানোর উপযোগী অর্থকরী পাতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
রপ্তানি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আশির দশক থেকে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পান রপ্তানি শুরু হয়। তখন ফল ও সবজি রপ্তানিকারকদের সংগঠনের আওতায় সবজির উপজাত পণ্য হিসেবে পান রপ্তানি করা হতো। ২০০৩ সাল থেকে ‘বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতি’র মাধ্যমে স্বতন্ত্র পণ্য হিসেবে পান রপ্তানি শুরু হয়।
পান রপ্তানিকারক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে বাংলাদেশ থেকে মাত্র চার কোটি টাকার পান রপ্তানি হয়েছিল। পরবর্তী বছর সমিতির কার্যক্রম শুরু হলে রপ্তানি আয় বেড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ওই বছর পানকে সবজি হিসেবে নয়, ‘পান’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রপ্তানি করা হয়। একই বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পান রপ্তানির ক্ষেত্রে সমিতির সদস্যপদ ও প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে।
পান রপ্তানিকারক সমিতির অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি পানের দাম ৫ থেকে সাড়ে ৬ ডলার হলেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী কাস্টমসে ১ দশমিক ২০ ডলারের সবজি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পান রপ্তানি করতেন। এতে রাজস্ব ফাঁকির পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংগঠনটির দাবি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বপন সরকার। তিনি বলেন, "পান রপ্তানিকারক সমিতির প্রত্যয়নপত্র কাস্টমসের কাজে লাগে না।" তিনি দাবি করেন, এটি প্রতি বাক্সে ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা ‘চাঁদা আদায়ের বাহানা’। তার ভাই তপন সরকার কলকাতায় পান রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত হলেও বাংলাদেশের পান রপ্তানির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন স্বপন।
২০০৩ সালে ‘বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’ পানকে নিজেদের আওতাভুক্ত দাবি করে মামলা করে। এরপর প্রায় ২৪ বছর ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আইনি লড়াই চলে।
২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতি’ ও ‘সবজি সমিতি’ দুটি পৃথক সত্তা। সবজি সমিতি পান সমিতির অভ্যন্তরীণ ও প্রশাসনিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
পান রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সিকদার বলেন, "গত দুই যুগ মামলা-মোকদ্দমায় হয়রানি করায় আমরা রপ্তানিতে সেভাবে মনোযোগ দিতে পারিনি। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর আবার কাজ শুরু করেছি।"
অন্যদিকে ফল ও সবজি রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর বলেন, "দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর তাদের পক্ষে রায় হয়েছে। আমরা চাই পান রপ্তানিকারকেরা অবাধে ব্যবসা করার সুযোগ পাক।"
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে চার হাজার ৩৮৮ দশমিক ৯৬ মেট্রিক টন পান রপ্তানি হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল তিন হাজার ৬৫৯ দশমিক ৭১২ মেট্রিক টন। গত তিন বছরে প্রতি বছর রপ্তানি বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি পান যাচ্ছে সৌদি আরবে। কানাডা, ফ্রান্স ও ইতালিতেও রপ্তানি হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, "পান উৎপাদন ও বাজারজাত প্রক্রিয়া উন্নত হওয়ায় রপ্তানি বাড়ছে। পানের গুণগত মানও আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে।"
রপ্তানিকারকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপে ২০০ কোটি টাকা এবং পাকিস্তানে ৩০০ কোটি টাকার বাংলাদেশি পানের বাজার রয়েছে। মালয়েশিয়া, ইতালি, গ্রিস ও লেবাননসহ ৩৩টি দেশেও চাহিদা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রায় ৮০ বছর পর, স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো, ভারতের আসাম থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশে মিথানল রপ্তানি শুরু হতে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেড’ (এপিএল)।
মিথানল পরিবহনের সুবিধার্থে আসাম সরকারের অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের দুটি কার্গো জাহাজ ইজারা নিয়েছে এপিএল। প্রতিষ্ঠানটি পূর্ব ভারতের ডিব্রুগড় থেকে জলপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়।
আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, "ব্রিটিশরা এ দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে স্বাধীন ভারতে ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে ডিব্রুগড় থেকে জলপথে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই।"
তিনি আরও জানান, জলপরিবহন বিভাগের জন্য ইজারা নেওয়া দুটি জাহাজ প্রায় ৩০ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। পরে গুয়াহাটির পান্ডু ঘাটে জাহাজ দুটি মেরামত করা হয়, যাতে ডিব্রুগড়ে উৎপাদিত মিথানল নদীপথে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
এই পদক্ষেপের ফলে দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে তুলনামূলক কম খরচে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এপিএল চেয়ারম্যান।
ইতিমধ্যে মিথানল পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা প্রথম কার্গো জাহাজ ‘ডিএলবি পাটকাই’ ডিব্রুগড়ের বগিবিল ঘাটে এসে পৌঁছেছে। তবে, ঠিক কোন তারিখে এই জাহাজটি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাংলামোটরে ‘পুনর্বাসন দানবক্স’ স্থাপন এবং গণভিক্ষা কর্মসূচির উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছেন সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
চাঁদাবাজির বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে এই কর্মসূচির কথা তিনি জানান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেন, ‘১৭ বছর ধরে সরকারদলীয় অনাহারী নেতাকর্মীদের জন্য এবার গণভিক্ষা কর্মসূচি! ভিক্ষা দিন—আপনার ১ টাকাই হয়তো একজনকে চাঁদাবাজির পথ থেকে দূরে রাখবে।’
তিনি আরও জানান, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ ও তা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে আজ বিকাল ৪টায় বাংলামোটরে বিশেষ এই ‘পুনর্বাসন দানবক্স’ উন্মুক্ত করা হবে।’
কর্মসূচির উদ্দেশ্য তুলে ধরে নাগরিক পার্টির এই নেতা দেশবাসীকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দান করুন, চাঁদাবাজি বন্ধ করুন; সতেরো বছরের অভুক্ত চাঁদাবাজদের জাতীয় পুনর্বাসনে আপনিও অংশ নিন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের (২০২৬ সাল) হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর, সৌদি সরকার চিকিৎসা খরচের নামে এজেন্সিগুলোর আইবিএএন অ্যাকাউন্টে রক্ষিত প্রায় ১০ কোটি টাকা (৩০ লাখ সৌদি রিয়াল) আটকে রেখেছে। হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত এই টাকা ছাড় করানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই দাবি করেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এজেন্সিগুলোর আইবিএএনে (আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট) রক্ষিত টাকা ফেরত আনতে গেলে সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে দেয় এবং মেডিকেল বিলের নামে সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে এই ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল দাবি করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘হজ চুক্তি কিংবা পূর্বে কোনো মাধ্যমে আমাদের সরকার কিংবা এজেন্সি বা হজযাত্রী কাউকে এ বিষয়ে অবহিত না করে হঠাৎ এ সিদ্ধান্তে আমরা বিস্মিত।’
হাবের মহাসচিব উল্লেখ করেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো হজযাত্রী চিকিৎসা ব্যয় খাতে কোনো টাকা পরিশোধ করবেন না। আমরা ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে উল্লেখিত ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল দ্রুত ছাড় করানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। আমরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবেও বিষয়টি অবহিত করেছি।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের পদক্ষেপে যদি এ বিষয়ে সফলতা না আসে তাহলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আপৎকালীন তহবিল থেকে এ টাকা পরিশোধ করার দাবি করছি। হজযাত্রীরা এ টাকা পরিশোধ করবেন না, তাই এজেন্সির পক্ষে এ বিশাল টাকা পরিশোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’
হাবের মহাসচিব জানান, হজ চুক্তিতে কিংবা এর আগে কোনো মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার, হজ এজেন্সি বা হজযাত্রীদের এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি। তাই হঠাৎ করে এ অর্থ দাবি করায় তারা বিস্মিত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ