ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রি, এক টুকরার দাম ৫৫ হাজার টাকা


বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রি, এক টুকরার দাম ৫৫ হাজার টাকা

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল হচ্ছে ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া এক অভিনব ম্যাচ। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবার সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের একটি অংশ নিজের সংগ্রহে রাখার সুযোগ দিচ্ছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শহর নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের মাঠের ঘাসের ছোট ছোট টুকরা বিশেষ স্মারক হিসেবে বিক্রি শুরু করেছে তারা।

আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, মাঠের ঘাসের টুকরাগুলো সংরক্ষণের জন্য বিশেষ স্বচ্ছ রেজিনে আবদ্ধ করা হয়েছে। একটি স্মারকের দাম রাখা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ হাজার টাকারও বেশি। তবে ফাইনাল ম্যাচ শেষে এসব স্মারক ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। বর্তমানে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের নির্দিষ্ট ঠিকানায় এগুলো সরবরাহ করা হবে।

অ্যাক্রিলিকের তৈরি এই স্মারকটির ওপর খোদাই করা থাকবে ২০২৬ বিশ্বকাপের লোগো, ফাইনালের ভেন্যুর নাম, ম্যাচের তারিখ এবং চূড়ান্ত ফলাফল। পাশাপাশি একটি ইউএসবি ড্রাইভও দেওয়া হবে, যাতে থাকবে ঘাসটির আসল হওয়ার ডিজিটাল সনদ বা ‘অথেনটিসিটি ফিল্ম’ সংগ্রহের যোগ্য।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা

এই স্মারক তৈরির দায়িত্ব পেয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কিপ স্টাব’। তাদের ওয়েবসাইটে আরও তিনটি বিশেষ সংস্করণ বিক্রি হচ্ছে। এগুলো হলো ৯০০, ১২০০ এবং ৩ হাজার মার্কিন ডলারের সংস্করণ। প্রতিটি সংস্করণের জন্য মাত্র ২ হাজার ২৬টি করে স্মারক তৈরি করা হয়েছে। এসব স্মারক বিক্রি হলে ফিফার আয় ১ কোটি ১২ লাখ ডলারের বেশি হতে পারে।

দামের সঙ্গে স্মারকের আকার ও উপহারের তালিকাও বদলে যাচ্ছে। ৪৫০, ৯০০ ও ১২০০ ডলারের সংস্করণে ২.৫ ইঞ্চি × ২.৫ ইঞ্চি আকারের ঘাসের টুকরা থাকবে। আর ৩ হাজার ডলারের ‘হিরো এডিশন’-এ থাকবে ৩ ইঞ্চি × ৩ ইঞ্চি আকারের ঘাসের টুকরা। এর সঙ্গে একসাথে দেওয়া হবে সোনালি খোদাই করা ধাতব টিকিট, ফাইনাল ম্যাচের বলের একটি ক্ষুদ্র প্রতিরূপ এবং ক্রিস্টাল কাট কাচের তৈরি বিশ্বকাপ ট্রফির একটি বিশেষ মডেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোক্তা অধিদপ্তরের সব কার্যালয় ‘ধূমপানমুক্ত’, স্বাগত জানাল হার্ট ফাউন্ডেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


ভোক্তা অধিদপ্তরের সব কার্যালয় ‘ধূমপানমুক্ত’, স্বাগত জানাল হার্ট ফাউন্ডেশন

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়সহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়কে ‘ধূমপান ও তামাকমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করাকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ স্বাগত জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার এই উদ্যোগটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শনিবার (১১ জুলাই) তারা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, গত ২ জুলাই জারি করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সব কার্যালয়ের অভ্যন্তরে এবং প্রাঙ্গণে ধূমপান এবং সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘ধূমপান ও তামাকমুক্ত এলাকা’ সংবলিত নির্দেশক ফলক দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির ভাষ্যমতে, গত ২৮ জুন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধন) ২০২৬ অনুযায়ী জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অফিসসমূহে শতভাগ তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির আলোকে অধিদপ্তর এ অফিস আদেশ জারির মাধ্যমে উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছে হার্ট ফাউন্ডেশন।

হার্ট ফাউন্ডেশন জানিয়েছে যে, সংশোধিত আইনে পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। সরকারি অফিস, কর্মস্থল, প্রাঙ্গণ, ভবনের বারান্দা, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ এবং ভবনসংলগ্ন উন্মুক্ত স্থানকে পাবলিক প্লেসের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া, আইনের ধারা ৬খ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে যা তরুণ প্রজন্মকে তামাকের সহজলভ্যতা থেকে রক্ষা করবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে শতভাগ তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এ উদ্যোগ অনুসরণ করে নিজ নিজ কর্মস্থলে শতভাগ তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে আমিরাত

ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা মঁদ দাবি করছে, বারবেরা বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে গোপনে বড় ধরনের সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের কাজ চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বঘোষিত সোমালিল্যান্ডের বারবেরা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত বিমানবন্দরটিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তরিত করার কার্যক্রম চলছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর প্রকল্পটির গতি বৃদ্ধি পায়। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে এডেন উপসাগর ও বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা।

লা মঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে বিমানবন্দরের রানওয়ের দক্ষিণ পাশে অন্তত তিনটি স্থানে বড় ধরনের খননকাজ চলছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে সেখানে অন্তত ১৮টি বড় পরিখা খোঁড়া হয়ে গেছে।

ইউরোপীয় নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এগুলো ভূগর্ভস্থ গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার বা জ্বালানি ডিপো হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পরিখাগুলো প্রথমে কনটেইনার দিয়ে পূরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সামরিক বিশেষজ্ঞের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনটি জানায়, এসব স্থাপনা নির্মাণের দায়িত্ব নেয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপর। ২০১৭ সালে সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বারবেরা বিমানবন্দর সামরিক কাজে ব্যবহারের অধিকার পায় আমিরাত।

বিমানবন্দরের একজন কর্মীও নাম গোপন রাখার শর্তে জানিয়েছেন, আবুধাবি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হয়ে এই ঘাঁটি নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) ২৭ জানুয়ারির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা উঁচু মাটির প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে ধারনা করা হচ্ছে যে, সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে।

প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, বর্তমানে উত্তর সোমালিয়ার পুন্টল্যান্ডের বোসাসো বিমানবন্দরে আমিরাতের নিয়ন্ত্রণে থাকা সামরিক স্থাপনায় ২০২৫ সালের মার্চে ইসরায়েলের তৈরি এএল/এম-২০৯৪ রাডার মোতায়েন করা হয়েছে। বারবেরার উন্নয়নটি সেই কৌশলের ধারাবাহিকতা হতে পারে।

যদিও ইসরাইল এবং সোমালিল্যান্ড উভয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টি অস্বীকার করেছে, তথাপি উভয় পক্ষের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনটি দাবি করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমালিল্যান্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের জন্য গোপনে তেল আবিব সফর করেছেন এবং ইসরাইলি সামরিক প্রতিনিধিরা হারগেইসা ও বারবেরা সফর করেছেন।

লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশমুখে অবস্থিত বারবেরা বিমানবন্দরটির রানওয়ে চার কিলোমিটার থেকে বেশি দীর্ঘ এবং এটি আফ্রিকার অন্যতম বড় রানওয়ে। এই বিমানবন্দরটি ১৯৭০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন নির্মাণ করে। ২০১৭ সালে আমিরাত এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর রানওয়ে সংস্কার, সামরিক হ্যাঙ্গার ও নৌ-জেটি নির্মাণ করে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হচ্ছে, বর্তমানে বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সংযোগ সড়কও বন্ধ রাখা হয়েছে। পূর্ব আফ্রিকাভিত্তিক একটি নিরাপত্তা সূত্রের দাবি করছে, ইসরাইলি সামরিক দল ইতোমধ্যে ঘাঁটি পরিদর্শন করেছে এবং এটি ভবিষ্যতে ইয়েমেনে সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।

এছাড়া মার্কিন আফ্রিকা কমান্ড (আফ্রিকম)-এর প্রতিনিধিরা নিয়মিত বারবেরা সফর করছেন বলেও জানানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর আফ্রিকম প্রধান জেনারেল ড্যাগভিন অ্যান্ডারসনকে বারবেরা বিমানবন্দরে দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই জিবুতির বিকল্প সামরিক ঘাঁটির খোঁজ করছে। কারণ জিবুতিতে মার্কিন ঘাঁটির কাছেই চীনের বিদেশে প্রথম সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত। পাশাপাশি হুথিদের হামলার আশঙ্কায় জিবুতি ইয়েমেনে মার্কিন হামলার জন্য নিজের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিতে অনিচ্ছুক। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার আশায় সোমালিল্যান্ড এ ধরনের সহযোগিতায় আগ্রহ দেখাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার্তদের সুরক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে সরকার: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


বন্যার্তদের সুরক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে সরকার: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি বলেছেন, বন্যার্তদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সরকার আগামী দিনগুলোতে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করবে। তাছাড়া, এই সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। তিনি যোগ করেছেন, বন্যার্তদের সুরক্ষায় সরকার অতন্দ্র প্রহরী।

তিনি বলেন, খাদ্য সামগ্রী, চিকিৎসা সরঞ্জাম, এবং বিশুদ্ধ পানি সবই পর্যাপ্ত পরিমাণে বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি যাদের ঘর ডুবে গেছে তাদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনুরোধ জানান।

শনিবার সকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম-সদৃশ উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


হাম-সদৃশ উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম তথা এর উপসর্গ দেখা গেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া হামবিষয়ক নিয়মিত রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তবে এই সময়ে সারা দেশে হামে কারও মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং উপসর্গে মোট ৭৫৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে।

এদিকে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ প্রকাশ পেয়েছে। এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ খুঁজে পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র লাভ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%