ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় জরুরি অবতরণ, উড়োজাহাজের চাকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রানওয়ে আধা ঘণ্টা বন্ধ


ঢাকায় জরুরি অবতরণ, উড়োজাহাজের চাকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রানওয়ে আধা ঘণ্টা বন্ধ

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসার সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজের পেছনের চাকা উড্ডয়নের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। এই ঘটনার কারণে বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখা হয়। তবে উড়োজাহাজে থাকা সকল যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে রয়েছেন।

বিমানবন্দর ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-৪৩৬-এর উড়োজাহাজটির একটি চাকা উড্ডয়নের পরপরই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উড়োজাহাজটির মডেল ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ এবং নিবন্ধন নম্বর এস২-একেই। চাকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে পাইলট ঢাকার টাওয়ারে জরুরি বার্তা পাঠান।

জরুরি অবতরণের আগে উড়োজাহাজটির জ্বালানি কমিয়ে ওজন হ্রাসের জন্য পাইলটকে আকাশে কিছুক্ষণ চক্কর দিতে হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও দেলদুয়ার এলাকার আকাশে কয়েকবার চক্কর দেয়। এ সময় এটি প্রায় ৬ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় ঘণ্টায় ১৮৮ নট গতিতে উড়ছিল।

আরও পড়ুন: কোনো সেক্টর থেকেই চাঁদাবাজির সুযোগ দেওয়া হবে না: এমপি জসিম উদ্দিন

এদিকে উড়োজাহাজটির নিরাপদ অবতরণ নিশ্চিত করার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় রানওয়েতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্সসহ উদ্ধার ও জরুরি সেবার দল প্রস্তুত রাখা হয়। একই সঙ্গে রানওয়েতে অন্য উড়োজাহাজের ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঢাকা টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ ছিল। এ সময় বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ও অবতরণ স্থগিত রাখা হয়।

পরে পাইলট উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করান। বিমান কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো যাত্রী বা ক্রু আহত হননি।

আরও পড়ুন: ঢাকার ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৫ শিশু আহত, এক শিশু আইসিইউতে ভর্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলেমদের সংগ্রামী ইতিহাসের দলিল ‘উত্তরাধিকার’ গ্রন্থ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


আলেমদের সংগ্রামী ইতিহাসের দলিল ‘উত্তরাধিকার’ গ্রন্থ প্রকাশ

‘তুরাস-এর উত্তরাধিকার’ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে, যা শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমাদ শফী (রহ.) ও কায়েদে মিল্লাত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রহ.)-এর স্মরণে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠান শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত ইসলামি বইমেলায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আলেম-ওলামাদের অবদান সংরক্ষণ, তাঁদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের সম্পাদক মাওলানা ত্বহা মাহমুদ এবং সহসম্পাদক মাওলানা শারাফাত শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী উল্লেখ করেন, ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যায় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা আলেমদের অবদান তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লামা আহমাদ শফী ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী তাঁদের আপসহীন ভূমিকার কারণে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রোষানলে পড়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আলেমদের বিভিন্ন আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ইতিহাস থেকে তাঁদের অবদান মুছে ফেলা হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আলেমদের সংগ্রামী ইতিহাস ও উত্তরাধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেল এই উদ্যোগ নিয়েছে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য আলেমের অবদানও তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ আলেম-ওলামাদের রাজনৈতিক খেলার গুটি না হয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট নীতি ও শক্তির ওপর দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁদের কার্যকর ও সুষ্ঠু ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিনিধি মাওলানা গাজী ইয়াকুব বলেন, ‘আমি ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে সাড়ে চার ঘণ্টা সঞ্চালনা করেছি। করোনার সময় সাড়ে চার হাজার লাশ নিজে দাফন করেছি। অথচ আমাদের মূলধারার পরিসর থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।’

বিগত সরকারের আমলে আলেমদের ওপর নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে আলেমদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অবমূল্যায়ন ও নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছে। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের বক্তব্য নিয়ে আরও আগেই প্রাতিষ্ঠানিক ও আন্তর্জাতিক মানের তথ্য-প্রামাণ্য দলিল তৈরি করা উচিত ছিল।

দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক (ধর্ম) মনযূরুল হক প্রকাশনাটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান বা প্রকাশনা নয়, বরং ইতিহাস সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মাধ্যমে ইতিহাস সংরক্ষিত হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও গবেষণার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইনজিমামুল ইসলাম ও মুখপাত্র মাওলানা রফিকুল ইসলাম আইনী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নয়া দিগন্তের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মাওলানা লিয়াকত আলী, আমন্ত্রিত ওলামায়ে কেরাম, লেখক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্কা শিন্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্কা শিন্ডে

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত আছেন দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে। সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকের আগে ধারণ করা একটি ভিডিওতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে সিজেপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতারের আশঙ্কায় আগের রাতে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় দীপ উল্লেখ করেন, ‘অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা আটক থাকাকালে সিজেপির অর্গানাইজেশন ইনচার্জ অজিঙ্কা শিন্ডে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন।’

যন্তর মন্তরে শনিবার সিজেপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভের আগে দিল্লি বিমানবন্দরে উড়োজাহাজে ঢুকে পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে।

এদিকে সর্বভারতীয় শিক্ষার্থী সমিতির (আইসা) নেত্রী নেহা বোরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বিক্ষোভকারীদের দিল্লিতে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ দিল্লি হাটই হয়ে উঠছে জন্তর মন্তর! সেখানেই দেখা হচ্ছে!’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ার কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি হাফেজ ইহতিশামুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


মালয়েশিয়ার কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি হাফেজ ইহতিশামুল হক

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিফজুল কুরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতিশামুল হক হিরা। তিনি বিশ্বের ৩৮টি দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি শনিবার (১০ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দেশটির ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান।

প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ হাফেজ হিরা পেয়েছেন সম্মাননা ট্রফি, ৪০ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত নগদ অর্থ, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরাহ বা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের স্বর্ণের বার।

ঢাকার মিরপুর-১-এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার শিক্ষার্থী হাফেজ হিরার এই সাফল্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তাঁর শিক্ষক, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

গত ৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে কয়েক ধাপের বাছাই শেষে ৩৮টি দেশের প্রতিনিধিরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন।

পুরুষদের পূর্ণাঙ্গ কুরআন হিফজ বিভাগে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে সিরিয়া এবং তৃতীয় হয়েছে স্বাগতিক মালয়েশিয়া। পুরুষদের কিরাআত বিভাগে প্রথম হয়েছে ইন্দোনেশিয়া, দ্বিতীয় মালয়েশিয়া এবং তৃতীয় বেলজিয়াম।

নারীদের কিরাআত বিভাগে শীর্ষ তিনটি স্থান অর্জন করেছে যথাক্রমে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই। আর নারীদের হিফজ বিভাগে প্রথম হয়েছে নাইজার, দ্বিতীয় লিবিয়া এবং তৃতীয় মিয়ানমার।

ইংরেজি, আরবি ও মালয় ভাষায় পরিচালিত সমাপনী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার উচ্চপদস্থ ধর্মীয় কর্মকর্তা, বিচারক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বিপুলসংখ্যক স্থানীয় নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, হাফেজ হিরার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী এর আগেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সা'দ নুর বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানসহ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাফেজ হিরার এ অর্জন বাংলাদেশের জন্য নতুন গৌরবের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। শিক্ষক, পরিবার ও দেশবাসী তাঁর ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শয়তান মরেছে’: নানা পাটেকরকে নিয়ে তনুশ্রীর কটাক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


‘শয়তান মরেছে’: নানা পাটেকরকে নিয়ে তনুশ্রীর কটাক্ষ

বলিউডে শোক ও শ্রদ্ধার আবহের মধ্যে অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত তাকে ‘শয়তানের মৃত্যু’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তার এই মন্তব্য নেটদুনিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে ভক্তদের মধ্যে।

২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন তনুশ্রী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে ভারতে মি-টু আন্দোলন শুরু হয়।

যখন নানা পাটেকরকে কিংবদন্তি হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে, তখন তনুশ্রী তার অতীতকে সামনে নিয়ে আসেন। তিনি একটি ইভেন্টে অংশ নিতে বিমানবন্দরে ছিলেন। সেখান থেকে ইনস্টাগ্রাম ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, "সংবাদমাধ্যমগুলো Evil Dead-কে নিয়ে ব্যস্ত। আমি কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেবো ভেবে পাচ্ছি না। তবে হ্যাঁ, পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইলো। কিন্তু…।"

তনুশ্রীর মন্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে তিনি সমালোচকদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন। তার প্রশ্ন হলো, "কেউ মারা গেলেই কি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আর ভুক্তভোগীর যন্ত্রণা মুছে যায়?"

তনুশ্রী দাবি করেছেন, ২০০৮ সালে নানা পাটেকরের কাছে হেনস্তার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করেছেন। ২০১৯ সালে মুম্বাই পুলিশ যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়। তিনি অভিযোগ করেছেন, নানা পাটেকর তার প্রভাব খাটিয়ে এবং মূল সাক্ষীদের ভয় দেখিয়ে মামলাটি বন্ধ করিয়েছিলেন। এই কারণে আদালত তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেনি।

২০২০ সালের পর নানার মাধ্যমে তনুশ্রীকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। জীবনের কঠিন সময়ের জন্য দায়ী মানুষটির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে, তাই নানা পাটেকরকে ‘শয়তান’ ও ‘মহাশয়তান’ বলে আক্রমণ করেছেন তনুশ্রী দত্ত।

এদিকে, তনুশ্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে এআইসিডব্লিউএ। সংস্থাটির সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত বলেছেন, "কারও মৃত্যুর পর তাকে ‘শয়তান’ বলে আক্রমণ করা আপত্তিকর, অসংবেদনশীল ও লজ্জাজনক।"

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%