ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামে মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন


হামে মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন

হাম ও রুবেলার ভ্যাকসিন (টিকা) যথাসময়ে আমদানি না করে শিশুদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা এবং টিকার অভাবে দেশব্যাপী মহামারি সৃষ্টি করে শিশু মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমও আছেন।

ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সোমবার কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ২৭০, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় এই মামলার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা খান আদালতে উপস্থিত আছেন। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তির মধ্যে সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান, এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ী হামলা মামলায় আনিসুল হক ও পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

মামলার আবেদনে বাদী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে শিশু জন্মের পর সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের জন্য সরকারিভাবে হাম ও রুবেলার টিকা নিয়মিত ও বাধ্যতামূলকভাবে দেওয়া হয়। তবে ১নং আসামি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা আমদানির প্রচলিত প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর ওপেন টেন্ডার বা উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, দীর্ঘ দেড় বছর সময়ক্ষেপণের কারণে দেশের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স (যিনি মামলার ২নং সাক্ষী) গণমাধ্যমে ২০ মে জানিয়েছেন, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকট সম্পর্কে তৎকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। আসামিরা সেই সতর্কবার্তায় কর্ণপাত করেননি, যার ফলে দেশে টিকার অভাবে হামের মহামারি দেখা দেয়।

মামলার আরজিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি হিসাব মতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫,৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়। টিকার অভাবে প্রায় ৬১০ জন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে এবং ৭৫,৭০০ শিশু শারীরিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশেষ করে, বিগত ২ জুন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে আবদুল্লাহ আল ফাহিম ও ইশরাত জাহান দম্পতির সন্তান এবং ২২ মে ঢাকার হাসপাতালে আবদুল্লাহ আল নোমান নামে আরেক শিশু মারা যায়। এছাড়া ২২ এপ্রিল ঢাকা শহরের হাসপাতালে জাফরজান ইসলাম ও হেলাল ভূঁইয়া দম্পতির একমাত্র সন্তান ফাইয়াজ হাসান তাজিমের মৃত্যুরও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, আসামিরা অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ভিআইপি ব্যক্তি হওয়ায় বনানী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি গ্রহণ করেনি এবং আদালতে দায়ের করার পরামর্শ দেয়। তাই বিজ্ঞ আদালতে এই মামলা করা হয়েছে। আবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরয়ানা জারি করে জেলহাজতে আটকে রাখার এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের প্রার্থনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৯ পি.এম


এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ নির্ধারণ

আগামী ১৫ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) বিতরণ। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এই প্রবেশপত্র বিতরণ করবে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার (৭ জুন) এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ জুন সকাল ১০টা থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে টাংগাইল, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার জন্য। পরবর্তী দিন, ১৬ জুন, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ঢাকা মহানগর, ঢাকা জেলা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে।

প্রবেশপত্র নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নিজে অথবা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) অফিস চলাকালীন সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তবে শিক্ষক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তিকে প্রবেশপত্র গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

বোর্ড জানিয়েছে, যদি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হন, তাহলে আবেদনপত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি, জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে। প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার পর তিনি তা তার কেন্দ্রের অধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্রুত বিতরণ করবেন।

যদি প্রবেশপত্রে কোনো প্রকার ত্রুটি দেখা যায়, তবে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। প্রবেশপত্র যাচাইয়ের পর যেকোনো ধরনের ত্রুটি, কম বা বেশি দেখা গেলে তা অবশ্যই আগামী ১৮ জুন থেকে ২৫ জুনের মধ্যে সংশোধন করে নিতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ছক অনুযায়ী উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের (উচ্চমাধ্যমিক) কাছে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করা হলে পরীক্ষায় কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হলে তার দায়ী থাকবেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীগ্রাসে ছোট হচ্ছে বরিশাল!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


নদীগ্রাসে ছোট হচ্ছে বরিশাল!

নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি, ঘরবাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ৩৮ বছরের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ফলে দেখা যাচ্ছে, নদীভাঙনের কারণে বরিশালের ভৌগলিক মানচিত্র ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।

বর্তমানে বরিশাল বিভাগের প্রায় ১০২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। পরিবেশ গবেষক ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বিভাগের অন্তত ১২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। সচেতন মহলের সূত্রে অভিযোগ উঠছে, অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুহারা হয়ে যাচ্ছেন।

গত ৩০ বছর ধরে মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়ন বিলীনের পথে রয়েছে। সরেজমিনে কথা হচ্ছে উপজেলার সত্তরোর্ধ্ব বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ মোল্লার সঙ্গে। মেঘনাপ্রবাহের দিকে তাকিয়ে তিনি স্মৃতিচারণ করছেন তার হারিয়ে যাওয়া বসতভিটা নিয়ে।

অশ্রুসজল চোখে নুর মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, যে মাটিতে আমার শৈশব-কৈশোর কেটেছে, আজ তার পুরোটাই মেঘনা নদীর গর্ভে। পাকা ঘরবাড়ি, ধani জমি, বাপ-দাদার ভিটে; সবকিছু আমার চোখের সামনে তলিয়ে গেছে।

একই এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া বেগমের আশঙ্কা, নদী যেভাবে এগোচ্ছে, দ্রুত বাঁধ নির্মাণ না হলে পুরো ইউনিয়ন একদিন মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। মফিজুল ইসলাম বলেন, ত্রাণ চাই না, বরং আমরা স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ চাই।

শুধু মেঘনা নদী নয়, কীর্তনখোলা, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, সন্ধ্যা, তেঁতুলিয়া, কারখানা ও সুগন্ধা নদীর ভাঙনের ফলে বরিশালের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চরবাড়িয়া এলাকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সেখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পরও গত বর্ষা মৌসুমে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

চরবাড়িয়ার বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া বলেন, নদী আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে। আমি তিনবার বাড়ি হারিয়ে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন এই জায়গাটাও ভাঙনের মুখে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের নদীতে ডুবে মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।

১৯৮৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বছরের পর বছর নদীভাঙনের কারণে বরিশালের মানচিত্র সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর তলদেশ থেকে অবাধে বালু উত্তোলন এই ঝুঁকিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পরও অনেক এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বরিশাল বিভাগীয় আহ্বায়ক রফিকুল আলম বলেন, অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী থেকে অনিয়ন্ত্রিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণেই প্রতি বছর বরিশালে লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুহারা হচ্ছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১০২ কিলোমিটার বাঁধ বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বরিশাল বিভাগ (দক্ষিণাঞ্চল)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক ভুঁইয়া বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের পাশাপাশি স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য কয়েকটি বড় প্রকল্প প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবির কঠোর সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবির কঠোর সতর্কতা

সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবি কঠোর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকাতে সিলেটের সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভের পর বাংলা ভাষাভাষী লোকজনকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি’ অ্যাখা দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। চলতি মাসের মধ্যে বিএসএফের পুশ ইন (সীমান্তের এই পারে জোর করে লোকজনকে ঠেলে দেওয়া) করার ঘটনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার শুন্য রেখায় এখনও অবস্থান করে আছে পুশ ইন-এর শিকার মানুষ। দেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে পারেননি তারা। তবে সুযোগ বুঝে বিএসএফ যাতে ফের পুশ ইন করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে। বিজিবি বলছে, যদি কেউ বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে অবৈধভাবে সীমান্তের এই পারে পুশ ইন না করে আইন অনুযায়ী তাদের প্রত্যাবর্তন করা উচিত। রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রে বিষয়টি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে বিএসএফ সেই আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে অবৈধভাবে সীমান্তের এই পারে ঠেলে দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। বিজিবি জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বিজেপি সরকারের আসার কারণে পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুশ ইন প্রতিরোধ ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধের জন্য সিলেট সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি)। ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশ-ইন ঠেকাতে জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বিজিবি। বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়ন জানিয়েছে, ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকানোর জন্য সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করার সাথে সাথে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, চিহ্নিত জায়গায় স্ট্যান্ডবাই ডিউটি রাখা হচ্ছে, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে, মাইকিং চলছে, গণসংযোগ হচ্ছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় সভা পরিচালনা করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকান্ড সম্পর্কে দ্রুত বিজিবিকে তথ্য প্রদান করার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক কর্ণেল নাজমুল হক জানান, সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করতে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় বিজিবির এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীসহ ২১ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীসহ ২১ জন গ্রেফতার

রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং সদস্য ও মাদকসেবীসহ মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
৮ জুন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীন-এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে ডেভিল হান্ট, জুয়া, কিশোর গ্যাং কার্যক্রম এবং মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২১ জনকে আটক করা হয়। অভিযানে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি জোরদার করা হয়।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%