বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৫১ পি.এম
আজ সবার সম্মানে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হচ্ছে। যথাযথ মর্যাদায় এই দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এই কর্মসূচির মধ্যে উপস্থিত ছিল নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও একটি আলোচনা সভা। পাশাপাশি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ছাত্রদল নেতা শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে নগরের ষোলশহর রেলস্টেশনের প্রবেশমুখে ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতিস্তম্ভ’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। দুপুর দেড়টার দিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এই স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এর আগে সকালে নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ কর ধির বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। এসময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পরে সার্কিট হাউজে এই উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও চট্টগ্রামে নিহত নয়জনসহ সব শহীদকে স্মরণ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে এত বড় গণঅভ্যুত্থান এর আগে কখনো হয়নি। নিহত ও আহত শহীদ জুলাই যোদ্ধারা নেতৃত্ব দিয়েছিলো বলেই যে অপশাসনের ধারার সৃষ্টি হয়েছিলো সেখান থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি।
এছাড়া তিনি বলেন, শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও তাদের অবদানকে যুগ যুগ ধরে অবিস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে আমাদের সরকারের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই অধিদপ্তরের মাধ্যমে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জুলাই কেবল একটি মাস নয়। জুলাই একটি ত্যাগ, আত্মদান ও রাষ্ট্র সংস্কারের মহাকাব্য। তাই সবাইকে জুলাইকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে এগিয়ে আসতে হবে।
সভায় মুক্ত আলোচনায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফয়সল আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি বক্তৃতা করেন। সভার শুরুতেই নিহত জুলাই শহীদদের স্মরণে ১ মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অনিশ্চয়তা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এর আগে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক করে জানায়, ট্রাম্পের হুমকি বাস্তবায়িত হলে এই অঞ্চলের অবশিষ্ট সমস্ত অবকাঠামো নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনাল সেন্ট্রাল কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়ার মুখপাত্র ইব্রাহিম যুলফাগারি মন্তব্য করেন, ‘নির্বোধ শত্রুর জেনে রাখা উচিত, আমাদের জন্য এই মহাকাব্যিক মুহূর্তটি এড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্ত নয়। ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলার জবাব সমান মাত্রায় হবে না, বরং আরও শক্তিশালী, বিস্তৃত ও ধ্বংসাত্মক হবে।’
হরমুজ প্রণালিকে ইরানের অলঙ্ঘনীয় রেড লাইন উল্লেখ করে তিনি সাফ জানান, ‘যদি ফাঁপা ও অন্তঃসারশূন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরানের অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার সাম্প্রতিক হুমকি কার্যকর করা হয়, তাহলে ইরানের সংযমের কারণে যা কিছু অবশিষ্ট আছে (উপসাগরীয় অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো) তা ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতে এমনভাবে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে যে তার কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট থাকবে না। এমনকি মনে হবে, যেন এগুলোর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।’
যুলফাগারি আরও বলেন, ‘অপরাধী আমেরিকা এই অঞ্চলে তার আইনশৃঙ্খলাহীনতা ও অস্থিতিশীলতা অব্যাহত রেখেছে। কোনো অবস্থাতেই ইরান একটি বিদেশি ও বহিঃআঞ্চলিক শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেবে না।’
কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী, সামরিক প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা আরও কঠোর করেছে।
নিরাপত্তা জোরদার করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল ও গ্যাস স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্ট।
এদিকে, বাহরাইন জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশও একই ধরনের হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।
তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যদি দীর্ঘস্থায়ী বা আরও বিস্তৃত সংঘাত শুরু হয়, তাহলে কোনো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই দীর্ঘ সময় কার্যকরভাবে সব হামলা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই নয়, বিশ্ব অর্থনীতিকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এ কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে এনে যুদ্ধের অবসান এবং কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জে রথযাত্রা মহোৎসবের শুভেচ্ছা মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন এমপি, প্রশাসন, এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
২০২৬ সালের ১৬ই জুলাই, বাংলাদেশ উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ ও মহানগরের উদ্যোগে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মহোৎসবের শুভেচ্ছা মঞ্চে নারায়ণগঞ্জ জেলা ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন মাহামুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, এবং উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাসকুল ইসলাম রাজীব, জামায়াতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর মাতাব্বর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই রথযাত্রা পালনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীতে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে জুলাই শহিদ দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে একটি আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমতলীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায়। তাঁদের আত্মদান কেবল একটি আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন নয়, এটি ন্যায়, গণতন্ত্র, মানবিক মর্যাদা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য প্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে দায়িত্বশীল, মানবিক এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম, আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া, বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম, উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হক কাওসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিকুল আলম এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সোহেল।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত চেতনা ও আদর্শকে সমুন্নত রাখতে সকলকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।
একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভা শেষে উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে পেশ ইমাম মাওলানা আমীর হোসেন দেশ, জাতি এবং জুলাই আন্দোলনের সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এই সময়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং জাতীয় ঐক্য কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বসতঘরে অগ্নিসংযোগের একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার কারণে পুরো ঘরটি পুড়ে সম্পূর্ণরূপে ছাই হয়ে গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণরামপুর গ্রামে বাবুলের বসতঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুল এবং তার বোন সুমির বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা তাদের একাধিকবার সতর্ক করলেও তারা মাদক ব্যবসা বন্ধ করেননি। এর ফলে ক্ষোভের জের ধরে বুধবার রাতে যুবকরা বাবুলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে পুরো বসতঘর বিনষ্ট হয়ে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার কিছু বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) কামাল হোসেন জাহেদ জানিয়েছেন, বুধবার রাতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন কৃষ্ণরামপুর গ্রামের কিছু যুবক রাস্তায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। এমন সময়ে ডিবি পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে। পরে ওই যুবকেরা বাবুলের বাড়িতে যায়। সেখান গিয়ে তারা বাবুলের মাদক ব্যবসার জন্য এলাকায় পুলিশ আসার জন্য তাকে দুষতে শুরু করে। যুবকদের মাঝে আরও অভিযোগ ছিল যে, তারা বিভিন্ন সময় নাজেহাল হতে বাধ্য হচ্ছেন। এক পর্যায়ে সেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তারা বাবুলের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেন।
রাজগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বাবুল ও তার বোন সুমি এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ে কাজ করতেন। এই অভিযোগের ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী তাদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ