ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও রূপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ


শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও রূপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ

অন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই বিপ্লবে গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের ঘটনায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা।

সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়াম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ প্রদান করে। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যগণ হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির।

এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে প্রসিকিউটর মইনুল করিম ট্রাইব্যুনালকে জানান, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো অথবা অন্যান্য অনুষ্ঠানে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু এবং ফারজানা রূপা।

আরও পড়ুন: হাসনাত আব্দুল্লাহ: সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ আ.লীগের রাষ্ট্রীয় মদদে সাজানো

এ ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে এই তিন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা তদন্ত সংস্থা আবিষ্কার করেছে। তাই তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন জানানো হলো।

শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৫ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট এই তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আজকের দিনে হাজিরা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আজ সকালে তাদেরকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলায় বাবু এবং ফারজানা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে অবস্থান করছে। অতিরিক্ত, জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত আরেক মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন শ্যামল দত্ত।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সৈকতে আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান–সৌদির জন্য যৌথ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব ইরাকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


ইরান–সৌদির জন্য যৌথ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব ইরাকের

আঞ্চলিক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী, ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে পুনর্গঠিত আস্থার জন্য যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। দেশটি ইরান এবং সৌদি আরবকে নিয়ে একটি অভিন্ন নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসিম আল–আরাজি রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া ‘আস্থার সংকট’ মোকাবিলা করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

ইরাকের এই প্রস্তাবের পেছনে একটি সাম্প্রতিক ঘটনা রয়েছে। গত ২৭ জুলাই সৌদি আরব দাবি করে যে, ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন তারা ধ্বংস করেছে। রিয়াদ দাবি করে, এগুলো দেশটির তেল স্থাপনাকে লক্ষ্যমাত্রা বানিয়ে ছোড়া হয়েছিল। সৌদি আরব, ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোকে হামলার জন্য দায়ী করে। এর পরে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনার তদন্ত করার নির্দেশনা দেন।

যৌথ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের ইরাকি প্রস্তাব নিয়ে, এখন পর্যন্ত সৌদি আরব অথবা ইরানের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণেও উদ্যোগ রয়েছে। ইরাকে নিরাপত্তার পাশাপাশি, দেশটির ভেতরে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৩ জুন, ইরাকি সেনাবাহিনী অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করার ঘোষণা দেয়।

দেশটিতে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) নামে একটি রাষ্ট্র অনুমোদিত আধাসামরিক কাঠামোতে অনেক ইরানপন্থি গোষ্ঠী রয়েছে। এছাড়া, এসব গোষ্ঠীর বাইরে এবং ভেতরেও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম বিদ্যমান। এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসিম আল–আরাজি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত প্রত্যাহার, সব অস্ত্র ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়ার সূচনা করবে।

তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্রীকরণের জন্য রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে পিএমএফের কার্যক্রম থেকে আলাদা করার কথাও তিনি বলেন। তবে, এসব গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট নিজার আমিদি কয়েক দিন আগে বলেছেন, মাত্র দুই বা তিনটি গোষ্ঠী এখনো অস্ত্র জমা দেয়নি। ‘অত্যন্ত জটিল’ এই বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ৪ হত্যা: তদন্তে প্রহসনের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বি-ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


রংপুরে ৪ হত্যা: তদন্তে প্রহসনের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বি-ক্ষোভ

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী নামে একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের তিন সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও শোক র‍্যালি করা হয়। এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনটি সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জিলা স্কুলের মূল ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কালো ব্যানার ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্লেকার্ড হাতে নিয়ে নিহত চারজনের আত্মার শান্তি কামনা করেন। বক্তারা বলেন, গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের একজন অত্যন্ত সম্মানিত সাবেক শিক্ষক এবং সমাজের পরিচিত মুখ ছিলেন। তার মতো একজন নিভৃতচারী শিক্ষক এবং তার সহধর্মিণী এবং দুই সন্তানকে, যাদের মধ্যে একজন পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়মও রয়েছে, এভাবে হত্যা করা, পুরো রংপুরবাসীকে স্তম্ভিত ও গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে, পুলিশ একটি নাটকীয় প্রক্রিয়ায় তদন্ত সাজিয়ে তাড়াহুড়ো করে দুজন আসামিকে আইনের আওতায় এনেছে এবং তাদের স্বীকারোক্তি দেওয়ার কথা বলছে, যা সাধারণ মানুষের মনে মারাত্মক সন্দেহের উদ্রেক করেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, পুলিশের এই তড়িঘড়ি বক্তব্য এবং রহস্যজনক পদক্ষেপ বিচারের নামে এক প্রহসন। এর ফলে মূল অপরাধীরা আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা প্রকৃত নেপথ্য কারণ উদ্ঘাটনে গভীর ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানান।

প্রতিবাদ কর্মসূচির শেষে শিক্ষার্থীরা একটি বিশাল শোক র‍্যালি বের করেন। শোক র‍্যালিটি রংপুর নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং তারা জানায় যে বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে মাছুয়াপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে আয়ুশের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন রবিবার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জানান, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার জন্য ওই দুই মামাতো ভাই চারজনকে হত্যা করেছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীরা পুলিশি বক্তব্য মানতে নারাজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী ৫০ বছরের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


আগামী ৫০ বছরের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপ এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার আরোপের হুঁশিয়ারি চলাকালীন, আগামী ৫০ বছরের হুমকি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান। ভারতের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল মজিদ ইবন আল-রেজা বলেছেন, শত্রুদের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও গোয়েন্দা তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের হুমকিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য নিজেদের প্রতিরক্ষা কৌশল সাজানো হচ্ছে।

স্থানীয় সময় রবিবার (২৩ আগস্ট) এক বক্তব্যে প্রতিরক্ষা প্রধান নির্দিষ্ট করেছেন যে, তেহরাস শত্রুপক্ষ সম্পর্কে ব্যাপক গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছে। এর মাধ্যমে তাদের কৌশলগত ধরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা লাভ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেছেন, এই অভিজ্ঞতা আমাদের অগ্রাধিকার এবং মনোযোগের ক্ষেত্রগুলো পুনর্বিবেচনা করতে এবং ভবিষ্যতের কর্মপন্থা আরও সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে সহায়তা করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শত্রুর লক্ষ্যবস্তুগুলো সতর্কতার সঙ্গে চিহ্নিত এবং মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য অপারেশনাল বা অভিযান পরিচালনাকারী বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সুনির্দিষ্ট হিসাব-নিকাশ এবং লক্ষ্যবস্তু ব্যবস্থাপনার কার্যকর কৌশলের মাধ্যমে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুপক্ষকে বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। জেনারেল জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে লড়াই করেছে, অথচ শত্রুপক্ষকে এই যুদ্ধক্ষেত্রে অনেক বেশি মূল্য দিতে হয়েছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতিতে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখা যায়নি: সিপিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতিতে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখা যায়নি: সিপিডি

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির ৩১টি প্রধান সূচকের মধ্যে ১৯টিতে অবনতি ঘটেছে।

অপর দিকে প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভসহ ১২টি সূচকে অগ্রগতি দেখা গেছে।

অর্থনীতি ও সুশাসনের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

আজ সোমবার, রাজধানীর একটি মিলনায়তনে সিপিডি আয়োজিত ‘সরকারের ছয় মাস: পারফরম্যান্স পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ডায়ালগে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

সিপিডির পর্যালোচনায় বলা হয়, সরকার দায়িত্ব নেয়ার ছয় মাস পরও অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি; প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এছাড়া, মূল্যস্ফীতি, তারল্য সংকট ও বাজারের অস্থিরতার পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটেনি।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রধান প্রত্যাশা ছিল অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

কিন্তু ছয় মাসের মূল্যায়নে এ দুই ক্ষেত্রেই আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং দুই ক্ষেত্রেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের সরকারের কাছ থেকে বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। টাকা সংকট, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার এবং রাজস্ব ঘাটতির মতো বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

তবে এসব সামলে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে আশানুরূপ গতি দেখা যায়নি।’

সুশাসনের বিষয়ে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সিন্ডিকেট এবং ‘মব কালচার’ বন্ধের প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তব চিত্র সন্তোষজনক নয়।’

মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের কথা বলা হলেও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্চপদে পদায়নের অভিযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও মব সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

নারী, শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কার্যকর প্রতিরোধ দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গুম ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রণীত আইন নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেবপ্রিয় বলেন, ‘এতে নানা ত্রুটি এবং অসম্পূর্ণতা রয়েছে।

আইন ভঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিয়েই অনুসন্ধান করানোর সুযোগ থাকায় স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে।’

সরকার দায়িত্ব নেয়ার সময় কী ধরনের সংকটের মুখে পড়েছিল, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত দলিল তৈরি করা হয়নি বলেও জানান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

ফলে সরকারের বক্তব্যে সংকটের কথা থাকলেও, তথ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে সরকারের কয়েকটি পদক্ষেপের প্রশংসা করেন তিনি।

এর মধ্যে এমপিদের গাড়ি এবং প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত, রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর বিষয় উল্লেখ করেন তিনি।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘অর্থনীতিকে দ্রুত সচল করতে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এজন্য সমন্বিত সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%