বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ এম
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত বা ফ্রিজ করেছে, যা অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সাথে সংশ্লিষ্ট।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জানান।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আব্দুল্লাহ আল আমিন এক লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, অনলাইন জুয়ার সাইটে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন ও টাকা পাচার হচ্ছে। এটি বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা কী?
এ প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, অনলাইন জুয়া বন্ধে সরকার গত ১০ এপ্রিল সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৬ জারি করেছে। ওই আইনের ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আইনের আওতায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি বা পরিচালনা করা, অনলাইন জুয়ায় অংশগ্রহণ করা, এ ধরনের কার্যক্রমে সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান, জুয়ার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়াসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচার বা বিপণন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে, বলেন তিনি।
তিনি আরও জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বিএফআইইউ অনলাইন জুয়া বিষয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে গত মে মাসে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে জমা দেয়। ইতোমধ্যে সিআইডি এ ঘটনায় একটি মামলা করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের ওপর বিএফআইইউ নজরদারি অব্যাহত রেখেছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরও গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে।
তিনি আরও বলেন, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ২৮ মে দেশের সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।
সেই নির্দেশনায়, এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যে কোনো মার্চেন্ট বা গ্রাহক এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার কথাও বলা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকার বেশি জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মোসাম্মৎ শারমীন আক্তারের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে বুধবার অর্থমন্ত্রী এসব কথা জানান।
লিখিত প্রশ্নে শারমীন আক্তার জানতে চান, সরকার কি কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দিতে পারছে না, তাদের আমানতকারীর অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য।
অর্থমন্ত্রী জবাবে বলেন, যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটের কারণে গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের সংকট উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত এই সহায়তার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, সংকটে থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (এনবিএফআই) এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়নি।
অর্থমন্ত্রী আরো জানান, তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্থায়ী সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ইতোমধ্যেই ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। এই আইনের আওতায় সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অন্যান্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত দেড় বছরে দেশের বেশ কিছু শরিয়াহভিত্তিক ও বেসরকারি ব্যাংক তীব্র তারল্য সংকটের মুখে পড়ে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকে আমানত উত্তোলনের ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। অনেক গ্রাহক অভিযোগ জানান, তারা ব্যাংক থেকে তাদের সঞ্চিত বড় অঙ্কের টাকা একবারে তুলতে পারছেন না এবং তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সহায়তা, আন্তঃব্যাংক সহায়তা এবং বিভিন্ন নীতিগত সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের তিনটি দেশে একই দিনে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় সব ঘটনাগুলোর মধ্যে কি কোনো সম্পর্ক রয়েছে, এই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপান, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় সংঘটিত ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের সরাসরি যোগসূত্র নেই।
জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, একটি ৭ দশমিক ২ ও অপরটি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার। সেই একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতেও ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। পৃথক ও ভিন্ন ভিন্ন স্থানগুলোতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞরা এটিকে স্বাভাবিক ভূতত্ত্বীয় প্রক্রিয়া মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ক্যালটেকের ভূকম্পবিদ ড. লুসি জোন্সের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। ড. জোন্স বলেন, এসব ভূমিকম্প দ্বারা পৃথক ফল্ট ব্যবস্থা ও প্লেট সীমানায় সংঘটিত হয়েছে। এক ভূমিকম্পের কারণে অন্যটির সৃষ্টি হয়েছে—এমন ধারণার পক্ষে কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরও জানান, হাজার হাজার মাইল দূরে সংঘটিত বড় ভূমিকম্প সাধারণত বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে আরেকটি বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে না। যদিও ঘটনাগুলোর সময়কাল মিলে গেছে, তবুও স্থান ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একেবারেই ভিন্ন।
প্রতিটি ভূমিকম্পই সক্রিয় প্লেট সীমানার বরাবর সংঘটিত হয়েছে যেখানে কয়েক দশক থেকে শতাব্দীব্যাপী ভূতাত্ত্বিক চাপ সঞ্চিত হচ্ছে। এসব অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের ঘটনার জন্য এটি একটি স্বাভাবিক চক্রের অংশ। তবে ঠিক কবে এমন ভূমিকম্প ঘটবে, সে সম্পর্কে নির্ভুল পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা ৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পরই, রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরো একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এসব ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানায়নি।
সূত্র: সিএনএন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিপাইনের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে দুই কিশোরের হাতে তিন শিক্ষার্থী নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, এক সন্দেহভাজনের ওপর অনলাইন গেমের প্রভাব রয়েছে। এই কারণে, ফিলিপাইন সরকার সাময়িকভাবে ‘গোরবক্স’ নামের একটি জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ জুন) ম্যানিলার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তাকলোবান শহরের সান হোসে ন্যাশনাল হাই স্কুলে।
পুলিশ জানায়, ১৫ ও ১৪ বছর বয়সী দুই কিশোর নিজেদের স্কুলের বাথরুমে হামলার পরিকল্পনা করে। তারা একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে হ্যান্ডগান নিয়ে সহপাঠীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কিশোররা দাবি করেছে, তারা স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে বুলিং বা উৎপীড়নের শিকার হচ্ছিল।
১৪ বছর বয়সী কিশোরটি তার খালার ৯ মিমি পিস্তল ব্যবহার করে, যিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা (তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে)। অন্য কিশোরটি তার দাদার নিরাপত্তা সংস্থার নামে নিবন্ধিত পিস্তল ব্যবহার করেছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটি নিয়মিত ‘গোরবক্স’ গেম খেলতো। এটি একটি হিংসাত্মক ফার্স্ট-পার্সন শুটার গেম, যেখানে খেলোয়াড়রা বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে নৃশংস লড়াইয়ের মধ্যে মেতে ওঠে।
দেশটির সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার আন্ডার সেক্রেটারি আবয় পারাইসো মন্তব্য করেন, ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় অনলাইন গেমের প্রভাবকে আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’
ফিলিপাইনের আইন অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ আনা সম্ভব নয়। কিন্তু ১৫ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ফিলিপাইনের সিনেটর ও শিক্ষাবিদেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সিনেটর রিসা হন্টিভেরোস বলেছেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের মগজধোলাই ও উগ্রপন্থী করে তোলার আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী সনি আঙ্গারা বলেছেন, ‘আমরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া নিয়মিত স্কুল শুটিংয়ের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ফিলিপাইনে দেখতে চাই না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র হজ পালন শেষে মঙ্গলবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা এই হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন হাজি দেশে পৌঁছেছেন।
এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন, তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।
গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ