ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্কুলে বন্দুক হামলার পর ফিলিপাইনে নিষিদ্ধ হলো গেমিং অ্যাপ


স্কুলে বন্দুক হামলার পর ফিলিপাইনে নিষিদ্ধ হলো গেমিং অ্যাপ

ফিলিপাইনের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে দুই কিশোরের হাতে তিন শিক্ষার্থী নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, এক সন্দেহভাজনের ওপর অনলাইন গেমের প্রভাব রয়েছে। এই কারণে, ফিলিপাইন সরকার সাময়িকভাবে ‘গোরবক্স’ নামের একটি জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ জুন) ম্যানিলার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তাকলোবান শহরের সান হোসে ন্যাশনাল হাই স্কুলে।

পুলিশ জানায়, ১৫ ও ১৪ বছর বয়সী দুই কিশোর নিজেদের স্কুলের বাথরুমে হামলার পরিকল্পনা করে। তারা একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে হ্যান্ডগান নিয়ে সহপাঠীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কিশোররা দাবি করেছে, তারা স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে বুলিং বা উৎপীড়নের শিকার হচ্ছিল।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

১৪ বছর বয়সী কিশোরটি তার খালার ৯ মিমি পিস্তল ব্যবহার করে, যিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা (তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে)। অন্য কিশোরটি তার দাদার নিরাপত্তা সংস্থার নামে নিবন্ধিত পিস্তল ব্যবহার করেছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটি নিয়মিত ‘গোরবক্স’ গেম খেলতো। এটি একটি হিংসাত্মক ফার্স্ট-পার্সন শুটার গেম, যেখানে খেলোয়াড়রা বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে নৃশংস লড়াইয়ের মধ্যে মেতে ওঠে।

দেশটির সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার আন্ডার সেক্রেটারি আবয় পারাইসো মন্তব্য করেন, ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় অনলাইন গেমের প্রভাবকে আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’

ফিলিপাইনের আইন অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ আনা সম্ভব নয়। কিন্তু ১৫ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ফিলিপাইনের সিনেটর ও শিক্ষাবিদেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সিনেটর রিসা হন্টিভেরোস বলেছেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের মগজধোলাই ও উগ্রপন্থী করে তোলার আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী

শিক্ষামন্ত্রী সনি আঙ্গারা বলেছেন, ‘আমরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া নিয়মিত স্কুল শুটিংয়ের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ফিলিপাইনে দেখতে চাই না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬১৭ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৮ এম


হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬১৭ বাংলাদেশি

পবিত্র হজ পালন শেষে মঙ্গলবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা এই হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন হাজি দেশে পৌঁছেছেন।

এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন, তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নিয়োগ হচ্ছে ৯ আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৪ এম


বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নিয়োগ হচ্ছে ৯ আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান

সরকার ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে, প্রায় ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের অর্থ পুনরুদ্ধারে ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গোপনীয়তা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং সফল হলে, পারিশ্রমিক ভিত্তিতে তারা কাজ করবে।

প্রথম ধাপে এস আলম, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত ঋণখেলাপিদের বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি সহায়তা দেবে।

সংসদে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে গেছে বলে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, অর্থপাচার অত্যন্ত গোপনে ও জটিল উপায়ে হওয়ায় প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন।

এদিকে দেশের তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি সহায়তা হিসেবে এখনও পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকার বেশি দিয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ২৩৩ দশমিক ৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, আগামী অর্থবছর থেকে মুদি দোকান, মিষ্টির দোকান, বিউটি পার্লার, রেস্তোরাঁসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা মূল্য সংযোজন করের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব স্থগিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্দাউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ভেনেজুয়েলাকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

বুধবার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “আজ সন্ধ্যায় বিধ্বংসী ভূমিকম্পের শিকার ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কঠিন সময়ে ঈশ্বর আমাদের ভেনেজুয়েলার ভাই-বোনদের সহায় হোন। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের কাজ করছি।”

ভেনেজুয়েলার স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে দেশটিতে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, দুটি ভূমিকম্পের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড।

ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। বিভিন্ন ভিডিওচিত্রে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মার-এ ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য দেখা গেছে। কোথাও কোথাও পাহাড়ি ঢালে অবস্থিত একাধিক ভবন ধসে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, আতঙ্কিত মানুষ নিজেদের পরিবার ও পোষা প্রাণী নিয়ে দ্রুত ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছেন।

দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল। ওই অঞ্চলে ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার অবস্থিত।

ভূমিকম্পের দিনটি ভেনেজুয়েলায় সরকারি ছুটির দিন ছিল। প্রতি বছর এ দিনে দেশটির মানুষ সেন্ট জন ব্যাপটিস্টের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় স্বাধীনতা দিবস পালন করে থাকে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভেনেজুয়েলার যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামে বহু ভবন ধসে পড়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরও অনেক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় দেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে ভূমিকম্পের পর রাজধানীর বহু এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহর-গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সূত্র : আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে সাড়ে পাঁচ হাজার পাকিস্তানি ভিক্ষুক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


সৌদিতে সাড়ে পাঁচ হাজার পাকিস্তানি ভিক্ষুক আটক

সৌদি আরবে সাড়ে পাঁচ হাজার পাকিস্তানি ভিক্ষুক আটক হওয়ার তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। এই কারণে পাকিস্তান একটি অত্যন্ত বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।

সোমবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অভিবাসনবিষয়ক এক আলোচনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী এই তথ্য প্রদান করেন।

তালাল চৌধুরী বলেন, সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিক্ষাবৃত্তিতে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বারবার প্রশ্ন তুলছে। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, যখন সৌদি আরব ৫ হাজার ৫০০ ভিক্ষুককে আটক করে আমাদের জানায় যে তারা পাকিস্তান থেকে এসেছে, তখন আমাদের জন্য পরিস্থিতি কতটা বিব্রতকর হয়ে ওঠে তা স্পষ্ট। একই সঙ্গে আরব আমিরাতও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, সংগঠিত চক্র ও অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্ক এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি কর্মী কর্মরত রয়েছেন। তারা যে অর্থ পাঠায় তা পাকিস্তানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা। তবে ভিক্ষাবৃত্তি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে কিছু মানুষের জড়িয়ে পড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ করছে।

অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বিদেশে দেশের সুনাম রক্ষায় পাকিস্তান সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসনসংক্রান্ত চাপ মোকাবিলায় নতুন কৌশল গ্রহণের কথাও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।

সূত্র: চ্যানেল ১৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%