বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:৫৭ এম
সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকার বেশি জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মোসাম্মৎ শারমীন আক্তারের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে বুধবার অর্থমন্ত্রী এসব কথা জানান।
লিখিত প্রশ্নে শারমীন আক্তার জানতে চান, সরকার কি কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দিতে পারছে না, তাদের আমানতকারীর অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য।
অর্থমন্ত্রী জবাবে বলেন, যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটের কারণে গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের সংকট উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত এই সহায়তার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, সংকটে থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (এনবিএফআই) এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়নি।
অর্থমন্ত্রী আরো জানান, তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্থায়ী সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ইতোমধ্যেই ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। এই আইনের আওতায় সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অন্যান্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত দেড় বছরে দেশের বেশ কিছু শরিয়াহভিত্তিক ও বেসরকারি ব্যাংক তীব্র তারল্য সংকটের মুখে পড়ে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকে আমানত উত্তোলনের ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। অনেক গ্রাহক অভিযোগ জানান, তারা ব্যাংক থেকে তাদের সঞ্চিত বড় অঙ্কের টাকা একবারে তুলতে পারছেন না এবং তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সহায়তা, আন্তঃব্যাংক সহায়তা এবং বিভিন্ন নীতিগত সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের তিনটি দেশে একই দিনে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় সব ঘটনাগুলোর মধ্যে কি কোনো সম্পর্ক রয়েছে, এই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপান, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় সংঘটিত ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের সরাসরি যোগসূত্র নেই।
জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, একটি ৭ দশমিক ২ ও অপরটি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার। সেই একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতেও ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। পৃথক ও ভিন্ন ভিন্ন স্থানগুলোতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞরা এটিকে স্বাভাবিক ভূতত্ত্বীয় প্রক্রিয়া মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ক্যালটেকের ভূকম্পবিদ ড. লুসি জোন্সের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। ড. জোন্স বলেন, এসব ভূমিকম্প দ্বারা পৃথক ফল্ট ব্যবস্থা ও প্লেট সীমানায় সংঘটিত হয়েছে। এক ভূমিকম্পের কারণে অন্যটির সৃষ্টি হয়েছে—এমন ধারণার পক্ষে কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরও জানান, হাজার হাজার মাইল দূরে সংঘটিত বড় ভূমিকম্প সাধারণত বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে আরেকটি বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে না। যদিও ঘটনাগুলোর সময়কাল মিলে গেছে, তবুও স্থান ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একেবারেই ভিন্ন।
প্রতিটি ভূমিকম্পই সক্রিয় প্লেট সীমানার বরাবর সংঘটিত হয়েছে যেখানে কয়েক দশক থেকে শতাব্দীব্যাপী ভূতাত্ত্বিক চাপ সঞ্চিত হচ্ছে। এসব অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের ঘটনার জন্য এটি একটি স্বাভাবিক চক্রের অংশ। তবে ঠিক কবে এমন ভূমিকম্প ঘটবে, সে সম্পর্কে নির্ভুল পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা ৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পরই, রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরো একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এসব ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানায়নি।
সূত্র: সিএনএন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিপাইনের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে দুই কিশোরের হাতে তিন শিক্ষার্থী নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, এক সন্দেহভাজনের ওপর অনলাইন গেমের প্রভাব রয়েছে। এই কারণে, ফিলিপাইন সরকার সাময়িকভাবে ‘গোরবক্স’ নামের একটি জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ জুন) ম্যানিলার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তাকলোবান শহরের সান হোসে ন্যাশনাল হাই স্কুলে।
পুলিশ জানায়, ১৫ ও ১৪ বছর বয়সী দুই কিশোর নিজেদের স্কুলের বাথরুমে হামলার পরিকল্পনা করে। তারা একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে হ্যান্ডগান নিয়ে সহপাঠীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কিশোররা দাবি করেছে, তারা স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে বুলিং বা উৎপীড়নের শিকার হচ্ছিল।
১৪ বছর বয়সী কিশোরটি তার খালার ৯ মিমি পিস্তল ব্যবহার করে, যিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা (তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে)। অন্য কিশোরটি তার দাদার নিরাপত্তা সংস্থার নামে নিবন্ধিত পিস্তল ব্যবহার করেছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটি নিয়মিত ‘গোরবক্স’ গেম খেলতো। এটি একটি হিংসাত্মক ফার্স্ট-পার্সন শুটার গেম, যেখানে খেলোয়াড়রা বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে নৃশংস লড়াইয়ের মধ্যে মেতে ওঠে।
দেশটির সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার আন্ডার সেক্রেটারি আবয় পারাইসো মন্তব্য করেন, ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় অনলাইন গেমের প্রভাবকে আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’
ফিলিপাইনের আইন অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ আনা সম্ভব নয়। কিন্তু ১৫ বছর বয়সী কিশোরটির বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ফিলিপাইনের সিনেটর ও শিক্ষাবিদেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সিনেটর রিসা হন্টিভেরোস বলেছেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের মগজধোলাই ও উগ্রপন্থী করে তোলার আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী সনি আঙ্গারা বলেছেন, ‘আমরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া নিয়মিত স্কুল শুটিংয়ের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ফিলিপাইনে দেখতে চাই না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র হজ পালন শেষে মঙ্গলবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা এই হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন হাজি দেশে পৌঁছেছেন।
এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন, তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।
গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে, প্রায় ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের অর্থ পুনরুদ্ধারে ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গোপনীয়তা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং সফল হলে, পারিশ্রমিক ভিত্তিতে তারা কাজ করবে।
প্রথম ধাপে এস আলম, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত ঋণখেলাপিদের বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি সহায়তা দেবে।
সংসদে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে গেছে বলে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, অর্থপাচার অত্যন্ত গোপনে ও জটিল উপায়ে হওয়ায় প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন।
এদিকে দেশের তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি সহায়তা হিসেবে এখনও পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকার বেশি দিয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ২৩৩ দশমিক ৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে, আগামী অর্থবছর থেকে মুদি দোকান, মিষ্টির দোকান, বিউটি পার্লার, রেস্তোরাঁসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা মূল্য সংযোজন করের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব স্থগিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ