বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩৪ পি.এম
রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ২৪০টি মামলা দায়ের করেছে।
বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এই তথ্য জানিয়েছেন।
ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৩০টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৩৬টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৬৫টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৯১টি মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৮৭টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩৩৭টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩১৩টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৮১টি মামলা করা হয়েছে।
অভিযানের সময় মোট ৪৭৬টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৯২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে আনা কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ভারতীয় শাড়ি এবং শুল্ক ফাঁকির মালামালসহ তিনজন চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একযোগে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি স্টিলবডির বাল্কহেড নৌকাও জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এসআই রিফাতের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম সুরমা ইউনিয়নের বালিকান্দি গ্রাম সংলগ্ন নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ৬১৮ পিস কাস্টমস ফাঁকি দেওয়া ভারতীয় কাতান শাড়ি, ২টি লেহেঙ্গা এবং পরিবহন কাজে ব্যবহৃত দুটি বড় আকারের বাল্কহেড স্টিলবডি নৌকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সুরমা ইউনিয়নের বালিকান্দি গ্রামের মৃত শাহাজ উদ্দিনের ছেলে মো. জাকির হোসেন (৫০), একই গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুল মান্নান এবং আব্দুল মান্নানের ছেলে মামুন মিয়া (২৫)।
বুধবার রাতে উদ্ধারকৃত চোরাই মালামাল ও গ্রেফতারকৃতদের থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই রিফাত বাদী হয়ে আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ জানান, জব্দকৃত আলামতসহ আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বক্তব্য রাখছেন ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, নেত্রকোনার সার্বিক উন্নয়নে তিনি ‘সুপ্ত আগ্নেয়গিরী’র মতো ভূমিকা রাখতে চান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা কোর কমিটির সভায় তিনি এই কথা বলেন। সভায় জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় কৃষি, পানি, বন, পরিবেশ, বিদ্যুৎ, সড়ক, শিক্ষাসহ ১৫টি দপ্তরের প্রধানরা জেলার সমস্যা, সম্ভাবনা এবং চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।
দপ্তরগুলোর উপস্থাপনা শেষে ডেপুটি স্পিকার বলেন, জেলার সব সংসদ সদস্যকে একসঙ্গে বসে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি নিজেও প্রচারের আড়ালে থেকে জেলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান।
দুর্গাপুর-কলমাকান্দা অঞ্চলে পাহাড়, বন, পরিবেশ ও নদী সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগ্নেয়গিরী তিন ধরনের—মৃত, সুপ্ত ও জীবন্ত। নেত্রকোনার উন্নয়নের প্রশ্নে আমি সুপ্ত আগ্নেয়গিরীর মতো। সবাইকে নিয়ে জীবন্ত থাকতে চাই।’
শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের কল্যাণে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক আদর্শ নয়, কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য।
তিনি আরও বলেন, অতীতে শিক্ষাব্যবস্থায় দক্ষতা উন্নয়নের পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য প্রদান করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. জীবন হোসেন, কানিজ ইয়াসমিন ইভা, মো. গোলাম হোসেন (৩০), জসীম উদ্দীন (৩০), মো. মুবাশিরা হোসেন (৩৫) এবং শাফায়েত হোসেন (৩৫)।
ডিএমপি জানায়, বুধবার (২২ জুলাই) শেরেবাঙ্গা নগর থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযানটি চালানো হয়েছিল। অভিযানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের বিপক্ষে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনা কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালা। তিনি স্বীকার করেছেন যে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে স্পেনের ফরোয়ার্ড দানি ওলমোকে ধাক্কা দিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আয়ালা বলেন, ওলমোর একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি ওই কাজ করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেছেন যে এটি ঘুষি নয়, বরং একটি ধাক্কা ছিল।
তিনি বলেন, "অবশ্যই আমি দুঃখিত। আমার অবস্থানে থেকে আবেগ বা প্রতিপক্ষের আচরণ আমার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে আমার বিশ্বাস, এসব বিষয় মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত।"
আয়ালা আরও জানান, এটি আসলে ঘুষি নয়, যেমনটা বলা হচ্ছে। বরং এটি একটি ধাক্কা ছিল। তিনি বলেছেন, "ওলমো এমন কিছু বলেছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় আমি ওই কাজ করি। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে দেখা হলে অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইব।"
ফাইনাল শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকেও একাধিক স্প্যানিশ খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়াতে দেখা যায়।
আয়ালার দাবি, তিনি মূলত সংঘর্ষ থামাতে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় তিনিও ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
তিনি বলেছেন, "আমি যা করেছি, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল খেলোয়াড়দের আলাদা করা। কিন্তু কখনো কখনো আবেগ তীব্র হয়ে ওঠে। যদিও এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। আমার দায়িত্ব ও অবস্থানের কথা বিবেচনা করলে, আমার আচরণ আরও সংযত হওয়া উচিত ছিল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ