ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩


রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩

রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে তিনজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে মতিহার থানা, চন্দ্রিমা থানা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাদের গ্রেফতার করা করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মো. ইদুল (২২), সে নগরীর মতিহার থানার চর সাতবাড়ীয়া এলাকার বাসিন্দা, মোঃ রাসেল (২৬), সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার আসাম কলোনী (বৌ বাজার) এলাকার বাসিন্দা ও মোঃ ইমাম হোসেন (৩৩), সে বগুড়া সদর উপজেলার বৃন্দাবনপাড়া এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে মতিহার থানার তালাইমারী এলাকায় বসবাস করে।
রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গ্রেফতার ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় পূর্বে দায়ের করা দুটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সকালে তাাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু-সহনশীল নগর গঠনে নীতিপত্র প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


রাজশাহীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু-সহনশীল নগর গঠনে নীতিপত্র প্রকাশ

রাজশাহী নগরের প্রান্তিক ও বস্তিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু-সহনশীল নগর: সবুজায়ন, নগর কৃষি ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গঠনে একটি নীতিপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) নগরের রানীবাজারে এসকে সেমিনার হলে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত এক সংলাপে নীতিপত্রটি প্রকাশ করা হয়।
বারসিকের পোভার্টি রিডাকশন অ্যান্ড আরবান রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রামের আওতায় রাজশাহী নগরের ১৪টি বস্তিতে পরিচালিত মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান, কেস স্টাডি ও পরিবারভিত্তিক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে নীতিপত্রটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
সংলাপে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, নগর কৃষি, সবুজায়ন এবং মৌলিক নাগরিক সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করলে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আয় বৃদ্ধি, নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক সংহতি এবং জলবায়ু অভিযোজন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।
নীতিপত্রে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় নগর কৃষিকে অন্তর্ভুক্ত করা, প্রতিটি বস্তিতে কমিউনিটি পুষ্টি বাগান স্থাপন, নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা, নারী নেতৃত্বভিত্তিক সবুজায়ন কর্মসূচি চালু করা এবং জলবায়ু অভিযোজন তহবিল গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে সবুজ করিডর ও উন্মুক্ত সবুজ স্থান বৃদ্ধি, নগর কৃষির জন্য বীজ ব্যাংক ও প্রণোদনা তহবিল গঠন, বস্তিবাসীদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকরণ, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং অংশগ্রহণমূলক নগর পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
নীতিপত্রে বলা হয়, রাজশাহীসহ দেশের নগরগুলোকে আরও সবুজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগরে রূপান্তর করতে হলে উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্থান দিতে হবে এবং তাদের অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বারসিক রাজশাহীর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা অমিত সরকার নীতিপত্র পাঠ করেন এবং সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা তহুরা খাতুন লিলি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
সংলাপে বস্তিবাসীদের পক্ষে বক্তব্য দেন নগর দরিদ্র অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব নিলুফা ইসমত আরা, লতিফা বেগম, ওমর আলী, পাপিয়া বেগম, বাচ্চু মিয়া, মতি মিয়া, যুব সংগঠক মো. রকি আলী ও ফাতেমাতুজ জোহরাসহ অনেকে।
এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন মহানগর কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা হক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কমিউনিটি উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, রাজশাহী ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী ফারুক আহম্মেদ, গ্রীণ কোয়ালিশন রাজশাহীর সভাপতি ও পরিবেশ গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, বারসিকের প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম, বাসসের বিশেষ সংবাদদাতা ড. আইনাল হক এবং বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে যুবদলের সদস্য সচিবকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে যুবদলের সদস্য সচিবকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
 
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিবকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা যুবদল।
শনিবার দুপুরে বালিয়াকান্দি ওয়াবদা মোড়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল। 
তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পরে উপজেলা তরুনদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার পর যুবদলের কাউন্সিলের উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে সুনামের সহিত দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছি। আমি গত ১৬ বছর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসুচীতে সরাসরি নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেছি। আমি রাজনৈতিক বহু মামলায় হাজতবাসসহ নানাভাবে রাজনৈতিক হয়রানীর শিকার হয়েছি।
তিনি আরও বরেন, গত ১২ জুন একটি পত্রিকায় 'যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ' শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মিথ্যা বানায়োট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। আমি কোনদিন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। কিন্তু সংবাদে আমাকে ছাত্রলীগের রাজনৈতির যে কথা বলা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। সংবাদে বলা হয়েছে, আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদে মারধর করেছি, আসলে সেটিও সত্য নয়। তার সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে কোন মারধর বা কোন বিরোধের মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। সংবাদে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা সর্বপুরি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রনের যে কথা বলা হয়েছে তার সাথেও আমি জড়িত নয়। ক্লিনিক থেকে যে চাঁদাবাজির কথা বলা হয়েছে তার কোন সত্যের লেশ মাত্র নাই। আমার রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করতে ও আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে যোগসাজসে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করেছেন। আর আমার অসচ্ছলতার যে কথাটি বলা হয়েছে তাও সত্য নয়।
তিনি বলেন, বালু উত্তোলন, এ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, মারধর, সাংবাদিক নির্যাতনসহ যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন সত্যতা পেলে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করছি সকল সাংবাদিকদের। সেই সাথে মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এসময় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমানের মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, সোহাগ সহ ক্লিনিক মালিক অসিত কুমার রায়, দেবব্রত রায়, অসিত সরকার, জাহাঙ্গীর আলম আনিস বক্তৃতা করেন।
ক্লিনিক মালিকরা বলেন, আমাদের কাছ থেকে কখনো কোন চাঁদাবাজি বা শালিসের নামে কোন টাকা পয়সা নেয়নি। এ ঘটনা মিথ্যা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদ বলেন, আমার সাথে অফিসের মধ্যে কোন মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি। এবিষয় নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


তরুণ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ সংসদে বলেন, দেশের তরুণ বিজ্ঞানী, গবেষক এবং উদ্ভাবন ভিত্তিক কার্যক্রমের জন্য সরকার আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

এ তথ্য তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণায় নিয়োজিত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে।

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনএসটি ফেলোশিপ কর্মসূচির আওতায় মোট ৪ হাজার ২৮২ জন গবেষককে ২৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) প্রকল্পের মাধ্যমে বিজ্ঞান ভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) কর্মসূচির আওতায় ৩৫৮ জন বিজ্ঞানী ও গবেষককে ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিজ্ঞান ভিত্তিক ৩০টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম, উন্নয়ন কর্মসূচি, জার্নাল প্রকাশনা এবং সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ও প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য মোট ৩০ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের জন্য বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, তরুণ বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং তাদের উদ্ভাবনকে বাস্তবায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিজ্ঞান ভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে উদ্ভাবনী গবেষণায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান, বিজ্ঞান মেলা, উদ্ভাবনী প্রদর্শনী, সেমিনার, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থী, গবেষক এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য প্রশিক্ষণ, গবেষণা সুবিধা ও আধুনিক গবেষণাগারের সুযোগ প্রদান করছে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, থিসিস সহায়তা এবং আধুনিক জীবপ্রযুক্তি গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে, যা দেশে দক্ষ গবেষক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪৩টি গবেষণা প্রকল্পে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৪টি প্রকল্পে ৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের বিজ্ঞানীদের জন্য ১৫টি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পে মোট ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বরাদ্দ প্রদান করেছে। এসব প্রকল্প কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, স্বাস্থ্যসেবা, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, জনস্বাস্থ্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে তরুণদেরকে গড়তে হবে: ফকির মাহবুব আনাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে তরুণদেরকে গড়তে হবে: ফকির মাহবুব আনাম

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, তরুণদেরকে শুধুমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয় বরং এর উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় আমাদের এজন্য বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে। সুতরাং, বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

এ বক্তব্য তিনি আজ ঢাকায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক, উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের অভিযাত্রায় এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি দাবি করেছেন, বিজ্ঞান মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ইতিহাসের প্রতিটি যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজতর, সমৃদ্ধ ও উন্নত করেছে। বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে চলে। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা-সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিসম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেছেন, আমি লক্ষ্য করছি যে এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত তরুণ উদ্ভাবকরা আজ তাদের সৃজনশীল প্রকল্প উপস্থাপন করতে এখানে সমবেত হয়েছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামূলক কাজ ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

মন্ত্রী উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে, প্রতিটি বড় আবিষ্কারের শুরু হয়েছিল একটি ছোট প্রশ্ন থেকে। ফলে, প্রশ্ন করতে শিখতে হবে, পর্যবেক্ষণ করতে শিখতে হবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে শিখতে হবে এবং ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের সাহস অর্জন করতে হবে। ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করেছে এবং মেধাবিদের জন্য বিশ্বের দ্বার এখন উন্মুক্ত।

এক্ষেত্রে, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সর্বত্র। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে, যথোপযুক্ত বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। ব্যবহারিক এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। শিক্ষাদীক্ষা, জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

মন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান আর উদ্ভাবনী প্রযুক্তির এ সুযোগে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নাই।

অনুষ্ঠানে ক্ষুদে উদ্ভাবকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেছেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আজকের দিনে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। যে মহান নেতা ১৯৭৮ সালে তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী শক্তি দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা শুরু করেছিলেন।

তিনি জানান, আজ সেই বিজ্ঞান মেলার ৪৭তম আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত ও ধন্য মনে করছি। মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং উদ্ভাবক। তোমরাই আগামী বাংলাদেশের চালিকাশক্তি।

এছাড়া, মন্ত্রী আরও বলেন, আজকের এই বিজ্ঞান সপ্তাহে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞানভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা এবং বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শনীর মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

মন্ত্রী দাবি করেন, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ফিউচার জেনারেশনের প্রজেক্ট। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্লান্টে বিজ্ঞানী হিসেবে আমাদের ছেলে-মেয়েরা ইতিমধ্যেই জয়েন করেছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা বিশ্বের বিভিন্ন ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ছে। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বপ্ন দেখতে হবে, লক্ষ্য স্থির করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তারা কখনো লক্ষ্য থেকে সরে যাবে না। মন্ত্রী বলেন, তোমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ভালো করলে আত্নীয়স্বজন সবাই গর্ব করবে। বিদেশে লেখাপড়া করার জন্য আমাদের সরকার ১০ লাখ টাকা করে দিচ্ছে। যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাইরে পড়তে যাবে তাদের পাশে আমাদের সরকার আছে।

শেষে, মন্ত্রী ফিরে আসেন এবং বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বিজ্ঞানমনস্ক, উদ্ভাবনী সমৃদ্ধ এবং উন্নত বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সফলতার জন্য লেগে থাকতে হয় এবং দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানীরা এগিয়ে যান। তাদের উদ্ভাবনী ও আবিষ্কারে অনেক অধ্যবসায় ও নিরলস প্রচেষ্টা থাকে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের প্রশ্ন করার সাহস থাকতে হবে। বিজ্ঞান হচ্ছে উত্তর খোঁজার সঠিক পথ। আমাদের দেশে সত্যেন বোসের মতো বড় বিজ্ঞানী ছিলেন। সচিব আরও উল্লেখ করেন, আমাদের দেশে অনেক ভালো গবেষণাগার আছে। আমাদের পরমাণু শক্তি কমিশন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি, ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট আছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে তোমরা ভবিষ্যতে গবেষণা করার জন্য আসতে পারো। ভাল গবেষণা করলে সরকার গবেষকদের পাশে থাকবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ৩৩তম পরমাণু শক্তির দেশ হয়েছে। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট চালাচ্ছে। তোমাদের মাঝে বিজ্ঞান মনস্ক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এই প্রত্যাশা করছি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং গবেষক ড. আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং বিজ্ঞানী ও গবেষক মারজানা আক্তারকে विज्ञान বিষয়ে অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক তরুণ উদ্ভাবক, গবেষক, শিক্ষক ও বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স ভবনের ফ্লোরে মাধ্যমিক পর্যায়, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় ও বিশেষ পর্যায়ের খুদে ও তরুণ বিজ্ঞানীদের দ্বারা উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রজেক্ট পরিদর্শন করেন।

‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এ প্রতিপাদকে সামনে রেখে সারাদেশে ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে এবারের ১৪-১৬ জুন ২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%