ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি কাদের গণি চৌধুরীর


জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি কাদের গণি চৌধুরীর

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেছেন, জুলাইয়ে সংঘটিত গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানোর সাহস পাবে না।

আজ (বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত সমাবেশে কাদের গণি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্টদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

কাদের গণি একজন সমাজকর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন যে, ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানে অসংখ্য ছাত্র, শিশু ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেকেই আহত হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

বিএফইউজের মহাসচিব আরও জানিয়েছেন, আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য প্রকৃত দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে। তিনি বলেন, দেশে অবস্থানকারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদেশে অবস্থানকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

কাদের গণি চৌধুরী সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এর আগে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে একটি বিজয় র‌্যালি বের হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‌্যালি ও সমাবেশে সাংবাদিক নেতা, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী এবং সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম।

র‌্যালি ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল বাছিরও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।

আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, বিএফইউজের সহ-সভাপতি খাইরুল বাশার, প্রচার সম্পাদক সাজান সাজু, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য তালুকদার রুমি, ফখরুল ইসলাম, রাজু আহমেদ ও এইচ এম আলামিন, জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য শাহনাজ বেগম পলি এবং সাংবাদিক নেত্রী মাসুদা আক্তার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না: রেজাউল করীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না: রেজাউল করীম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

তিনি মন্তব্য করেছেন, যে লক্ষ্য সামনে রেখে মানুষ জীবন ও রক্ত দিয়েছে, তা আজ উপেক্ষিত হচ্ছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর পল্টন মোড়ে গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

দলের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও তার বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

এ সময় দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, গণঅভ্যুত্থান শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য হয়নি, বরং বৈষম্য ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ছিল মানুষের। কিন্তু সেই পরিবর্তন না এসে অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

সমাবেশ শেষে গণমিছিল বের করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতালির ১০ কোটি ইউরো সহায়তা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতালির ১০ কোটি ইউরো সহায়তা ঘোষণা

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : নেপলস অঞ্চলে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কারণে ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলা করার জন্য ইতালি সরকার ১০ কোটি ইউরো পরিমান সহায়তা বরাদ্দ করেছে। মঙ্গলবার, দেশটির নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রী এই তথ্য প্রদান করেন।

খবরের উৎস হচ্ছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা ৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ছিল গত ৪০ বছরের মধ্যে নেপলস এলাকায় সবচেয়ে শক্তিশালী। এই ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ৭০০ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে হতে বাধ্য করা হয়েছে।

ভূমিকম্পে ২৬ জন আহত হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো মধ্যেও অধিকাংশই শহরের পশ্চিমে অবস্থিত পোজুওলি এলাকায় রয়েছে, যেখানে সরিয়ে নেওয়া বেশিরভাগ মানুষ বসবাস করতেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রী নেলো মুসুমেচি জানান, বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মেরামতে ব্যবহার করা হবে।

দমকল বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে যে, ৩৯৫টি বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সরিয়ে নেওয়া ৭০০ জনের মধ্যে ৫৬৮ জনের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানেও ১২৮ জন হোটেলে অবস্থান করছেন।

এই অঞ্চলটি ইউরোপের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের অবস্থান এবং এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও ভূ-কম্পনমূলক কার্যক্রম ঘটে। শুক্রবারের ভূমিকম্পের পর রাতভর অপেক্ষাকৃত কম মাত্রার বেশ কয়েকটি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে উত্তর কোরিয়ার ‘সামরিক পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে উত্তর কোরিয়ার ‘সামরিক পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টোকিও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ করায় বুধবার জাপানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাওয়ার’ অভিযোগ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে জাপান ধীরে ধীরে সরে আসছে। দেশটি সামরিক খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে, প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত চুক্তি সম্প্রসারণ করছে এবং দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা মোতায়েন করছে।

মঙ্গলবার জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘জরুরি অবস্থা ও সংকটবোধ’ সম্পর্কে দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের নতুন নিরাপত্তা মূল্যায়নে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেছেন, ‘জাপানের এই রূপান্তরের কারণে পিয়ংইয়ংয়ের নেতৃত্ব অতিরিক্ত সামরিক বিকল্প গ্রহণ করবে।’

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) প্রকাশিত উক্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী রাষ্ট্র জাপান দ্রুতই নিজেকে একটি যুদ্ধরাষ্ট্রে রূপান্তর করছে।’

কিম ইয়ো জং আরও বলেন, সম্প্রতি জাপানের টমাহক দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ এবং মে মাসে ফিলিপাইনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া-এসবই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সমর্থনে ‘বিপজ্জনক সামরিক তৎপরতার’ প্রমাণ।

তিনি সতর্ক করে বলেন, জাপান আগাম আক্রমণের সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জাপানের সামরিক সক্ষমতার এই বিকাশ যদি গুরুতর হুমকিতে পরিণত হয়, তাহলে আমরা চুপচাপ বসে থাকব না।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণের আগে জাপান পুরো কোরীয় উপদ্বীপ দখল করে রেখেছিল। পরে ৩৮তম অক্ষরেখা বরাবর কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া-দুটি পৃথক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

জাপানের ঔপনিবেশিক শাসনের সহিংস অতীতের প্রভাব এখনো উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে বিদ্যমান।

কিম ইয়ো জংয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘সামরিকবাদের উত্তরসূরিরা, যাঁরা ধূর্ততা ও আগ্রাসনের উত্তরাধিকার বহন করছেন, যদি তাঁদের হাতে প্রাণঘাতী অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়, তবে অপ্রীতিকর কিছু ঘটবে।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণের পর থেকেই জাপানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

২০২৫ সালে জাপান তার সামরিক ব্যয় ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়িয়ে ৬২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। এই ব্যয় দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৪ শতাংশ। এটি ১৯৫৮ সালের পর সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়।

উত্তর কোরিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র চীনও সম্প্রতি জাপানের এই সামরিক সম্প্রসারণকে ‘নতুন সামরিকবাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নভেম্বরে জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি মন্তব্য করেন, চীন যদি তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করে, তবে জাপানের সামরিক বাহিনীর প্রতিক্রিয়া জানানো প্রয়োজন হতে পারে। এরপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতি হয়েছে।

চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়নি।

২০১৯ সালে নেতা কিম জং উন ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হওয়া বৈঠক পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিধি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ভেঙে গেছে। ওই সময় থেকে পিয়ংইয়ং বারবার নিজেকে একটি ‘অপরিবর্তনীয় পারমাণবিক রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য একাই ছাত্রদলই যথেষ্ট: রাকিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য একাই ছাত্রদলই যথেষ্ট: রাকিব

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য একা ছাত্রদলই যথেষ্ট। তিনি এও বলেছেন, শিবির যদি একইভাবে রাজনীতি চালিয়ে যায়, তাহলে এর 'পরিণতি' ভোগ করতে হবে।

বুধবার, ৫ আগস্ট সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

রাকিব বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাটি কাম্য নয়। একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে অস্ত্রের মহড়া দেওয়া হয়েছে। রাতভর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আছে।

তিনি বলেন, হামলার পর ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাকে সমর্থন করেছেন। তারা দাবি করেছেন, ছাত্রদল শিবিরের সঙ্গে দুই মিনিটও টিকতে পারে না। এমনকি রংপুরে ছাত্রদলের অস্তিত্ব রাখা হবে না বলেও প্রচার চালানো হয়েছে।

ছাত্রদল সভাপতি বলেছেন, শুধুমাত্র শিবিরের নেতাকর্মী নয়, জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও এ ঘটনার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। ছাত্রলীগের কায়দায় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর ঘটনাকে তারা বীরত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন। পরদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী গিয়ে 'মব' সৃষ্টি করেছেন। তাদের চিন্তা-চেতনায় 'মব' সংস্কৃতি রয়েছে। তারা উচ্চবাচ্য করতে চায়, অন্যের চরিত্রহনন করতে চায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ ধরনের সংস্কৃতির কোনো স্থান নেই।

রাকিব বলেছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির ভেবেছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। কিন্তু জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের চোখে চোখ রেখে রাজনীতি করেছে। তারা কোনওদিন আত্মগোপন করে রাজনীতি করেনি। ছাত্রলীগের শাসনামলেও ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী প্রাণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের পতাকাতলে গিয়ে রাজনীতি করেননি। যারা আত্মগোপনে রাজনীতি করেছে, তারা ছাত্রদলের সেই বাস্তবতা বুঝবে না। ছাত্রদলের উপর আঘাত এলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। এক বিন্দুও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন সদস্যের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতারা অত্যন্ত সহিষ্ণু আচরণ করেছিলেন। সেখানে শিবিরের নেতাকর্মীদের শান্তভাবে সরে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু শিবির আরও উদ্ধত আচরণ করেছে, যার ফলেই সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা কলেজের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে রাকিবুল ইসলাম বলেন, নিউমার্কেট থানা ছাত্রশিবিরের এক নেতা ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের বর্তমান সদস্যসচিবকে হুমকি দিয়েছেন। ওই নেতা জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েও প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন। তাকে রাতভর হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে শুধু হুমকি দিলেই হয় না, সেটি বাস্তবায়নের সক্ষমতাও থাকতে হয়, আর সেই সক্ষমতা শিবিরের নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, বুধবার ঢাকায় শিবিরের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে লাঠি, সোটা ও পাইপ প্রদর্শন করেছেন বলে তথ্য পেয়েছেন। এ সময় রাকিব বলছেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলছি, জামায়াত এবং শিবির—এই দুই দলকে মোকাবিলা করার জন্য একা ছাত্রদলই যথেষ্ট। আমার যুবদল লাগবে না, স্বেচ্ছাসেবক দল লাগবে না, বিএনপিও লাগবে না। শুধু ছাত্রদলই যথেষ্ট।

তিনি আরো বলেন, যদি ইসলামী ছাত্রশিবির দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি, মববাজি ও সন্ত্রাসী কায়দায় রাজনীতি করতে চায়, তাহলে তাদের সেই পরিণতি ভোগ করতে হবে।

রাকিব বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সারা দেশে নিজেদের নেতাকর্মীদের সংযত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। জুলাই-আগস্টের স্মৃতিবিজড়িত এই সময়ে কোন প্রকার উত্তেজনা ছড়িয়ে শিবিরকে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দিতে চায় না ছাত্রদল।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি রয়েছে। তারপরও কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় নেতাকর্মীরা সংযম দেখাচ্ছেন। তবে শিবির যদি ভবিষ্যতেও একইভাবে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি ও মববাজির রাজনীতি চালিয়ে যায়, তাহলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার মতো পরিণতি তাদের আবারও ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%