ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নই বন্যার ফলে প্রাণহানির কারণ: রিজভী


ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নই বন্যার ফলে প্রাণহানির কারণ: রিজভী

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। এর জন্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণই এর কারণ। এই মন্তব্য তিনি সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে একটি সংবাদ সম্মেলনে করেন।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে হাওরের মাঝ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে হাওরের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঠিকাদারি সুবিধা দিতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশকে খুশি করার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা সরকার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছিল। এর ফলে সুন্দরবনসংলগ্ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।’

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এছাড়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিএনপি সারা দেশে শোক পালন করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটি উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন এবং দলীয় পতাকার পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন করেছেন।’

তিনি এ সময় বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের পাশাপাশি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোক বইয়ে সই করলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোক বইয়ে সই করলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শোক বইয়ে সই করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানী ঢাকার গুলশানে অবস্থিত কাতার দূতাবাসে খোলা বইয়ে সরকারের জ্যেষ্ঠতম মন্ত্রী হিসেবে সই করতে গিয়েছিলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

শোকবার্তায় মন্ত্রী শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে জানান। তিনি বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশের জনগণ এবং নিজপক্ষ থেকে কাতার সরকার, রাজপরিবার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী যোগ করেন, বাংলাদেশ কাতারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ, আন্তরিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে।

তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালন করবে।

এছাড়া কাতারের আমির, রাজপরিবার এবং ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি ও সমবেদনা জানাতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দোহা সফর করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপোতাক্ষের সাঁকো ভেসে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন ২০ গ্রামের যোগাযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


কপোতাক্ষের সাঁকো ভেসে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন ২০ গ্রামের যোগাযোগ

 

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদের ওপর নির্মিত কাঠ ও বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। নদের স্রোতের কারণে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নদীর দুই পাড়ের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

ভারি বৃষ্টির ফলে নদের তীব্র স্রোতে এবং কচুরিপানার চাপের কারণে সাঁকোটি শনিবার (১১ জুলাই) রাতের বেলায় ভেঙে ভেসে যায়। ফলে দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষের স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যশোরের কেশবপুর ও সাতক্ষীরার শার্শা এলাকা হয়ে যাতায়াতের জন্য সাঁকোটিই একমাত্র ভরসা ছিল।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি, কোমরপোল, চিংড়া, বগা, নেহালপুর, মহাদেবপুর ও রেজাকাটি গ্রাম এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সারসা, সরুলিয়া, সেনেরগাতি, ধানদিয়া সহ প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করতেন শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে।

সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ফলে এখন জীবন রক্ষা করে নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে।

সাগরদাঁড়ি গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, নদের তীব্র স্রোতে ও বৃষ্টির মধ্যে এলাকার মানুষ স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ঝুঁকির মধ্যে নৌকায় পারাপার করছেন।

সাগরদাঁড়ি কাঁচাবাজারের সবজি ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বলেছেন, ‘প্রতিদিন ওপার থেকে অনেক ক্রেতা ও কৃষক বাজারে আসেন। সাঁকো ভেঙে যাওয়ার কারণে ক্রেতা কমে গেছে, মালামাল আনতেও সমস্যা হচ্ছে।

এতে আমাদের ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।’

সাগরদাঁড়ি আবু শারাফ সাদেক কারিগরি বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্যামল কুমার ঘোষ মন্তব্য করেছেন, ‘সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ফলে নদের ওপারের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পার হয়ে স্কুল কলেজে আসতে হচ্ছে।’ বিশেষ করে চলতি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াতেও ভোগান্তি হচ্ছে।’

সাগরদাঁড়ি বাজার কমিটির সভাপতি সুভাষ দেবনাথ বলেছেন, ‘প্রায় ১৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের সাঁকোটি নদের স্রোতে ভেঙে ভেসে যাওয়ায় ওপারের ব্যবসায়ীরা মালামাল নিয়ে বাজারে আসতে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।’

সাগরদাঁড়ি স্থানীয় সংবাদ কর্মী মুফতি তাহেরুজ্জামান তাছু বলেছেন, ‘সাঁকোটি ছিল কপোতাক্ষ নদের দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াতের মেলবন্ধন। দ্রুত ওই সাঁকোটি নতুন করে তৈরি করা না হলে এলাকার মানুষদের চরম ভোগান্তিতে নৌকায় পারাপার করতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরু জবাই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জয় পেল থালাপতি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


গরু জবাই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জয় পেল থালাপতি সরকার

পবিত্র ঈদুল আজহা এবং অন্যান্য যেকোনো দিনে ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন টিভিকে সরকার। এবার এই চ্যালেঞ্জে প্রাথমিক জয় অর্জন করেছে থালাপতি সরকার।

সোমবার (১৩ জুলাই) মাদ্রাজ হাইকোর্টের আলোচিত সেই নিষেধাজ্ঞার ওপর রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। গরু জবাইয়ের নিষেধাজ্ঞার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এই নির্দেশটির ক্ষেত্রে আইনি 'সংশোধন' বা পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় তামিলনাড়ুর সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।

এর আগে, গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসের একটি পুরোনো সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমগ্র তামিলনাড়ু রাজ্যে গরু জবাইয়ের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের সেই আদেশকে সর্বোচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করে বিজয় সরকার যুক্তি প্রদর্শন করে যে, যখন দেশের বিদ্যমান আইন ও সংবিধিবদ্ধ বিধান নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নির্ধারিত স্থানে একটি বিশেষ ক্যাটাগরির বা শ্রেণির গরু জবাইয়ের স্পষ্ট অনুমতি প্রদান করে, তখন সেই বিধিবদ্ধ আইনের পরিপন্থি কোনো বিচার বিভাগীয় নির্দেশ বা নিষেধাজ্ঞা কোনোভাবেই টেকসই হতে পারে না।

মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের স্বার্থে ১৯৭৬ সালের সেই পুরনো আদেশটি জারির কথা উল্লেখ করেছিলেন। রায়ের লেখক বিচারপতি স্বামীনাথন আরও জোর দিয়ে বলেছিলেন, ভারতীয় সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্য সরকারের দায়িত্ব হলো গরু, বাছুর এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত ও মালবাহী গবাদি পশু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এমনকি, গণপরিষদের বিতর্কের ইতিহাস টেনে তিনি উল্লেখ করেন যে, গরু একটি অত্যন্ত পূজনীয় প্রাণি ও হিন্দু ধর্মের ভগবান কৃষ্ণের সময় থেকেই এটি তাদের সভ্যতার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

ঐতিহ্যগতভাবে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র ঈদুল আজহার সময় স্থানীয় বিধিবিধান মেনে বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশ ও ব্যক্তিগত প্রাঙ্গণে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি বা উৎসর্গ করে থাকেন। এর পাশাপাশি, তামিলনাড়ুর বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরেও তাদের বার্ষিক উৎসবের সময় ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পশু বলিদানের প্রথা চালু রয়েছে।

মুসলিম ও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তি দিয়েছেন যে, কোরবানি বা এই ধরনের ধর্মীয় উৎসর্গকে শুধুমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও সরকারি কসাইখানায় সীমাবদ্ধ করা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অসম্ভব; কারণ উৎসবের দিনগুলোতে বিপুল পরিমাণ পশুর চাহিদার চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ধারণক্ষমতা বা অবকাঠামো ওই নির্দিষ্ট কসাইখানাগুলোর নেই।

থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার আদালতে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে যে, তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন ও কসাইখানা পরিচালনার অন্যান্য বিদ্যমান নিয়ম-কানুন এরই মধ্যে কোন স্থানে ও কী ধরনের শর্তাধীনে পশু জবাই করা যাবে, তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এসব আইন কোনোভাবেই রাজ্যে পশু জবাইয়ের ওপর কোনো ঢালাও বা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুটানে দুইয়ের বেশি সন্তান নিলেই মিলবে নগদ অর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


ভুটানে দুইয়ের বেশি সন্তান নিলেই মিলবে নগদ অর্থ

ভুটান দেশে দ্রুত কমে যাওয়া জন্মহার এবং তরুণদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে নতুন একটি প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় এখন থেকে যদি কোনো পরিবারে তৃতীয় বা পরবর্তী প্রতিটি সন্তানের জন্য নতুনভাবে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের নগদ অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

ভুটানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ভুটান ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের (বিবিএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ার এই ধারাকে দেশে একটি ‘অস্তিত্বের সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই সরকার গত জুনে ‘থার্ড চাইল্ড প্লাস’ নামের বিশেষ এই কর্মসূচিটি চালু করে। নতুন এই নীতিমালার আওতায়, কোনো পরিবারে তৃতীয় বা তার পরবর্তী সন্তান জন্ম নিলে, শিশুর তিন বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ১০৫ মার্কিন ডলার (স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার গুলট্রাম) করে দেওয়া হবে।

কর্মসূচির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে তুলে ধরেছেন, ভুটানে বর্তমানে প্রজনন হার জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে অনেকটাই নিচে নেমে গেছে। যদি এটি এখনই ঠেকানো না যায়, তবে ভবিষ্যতে জাতি বড় ধরনের শ্রম ও মেধা সংকটে পড়তে পারে।

ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত হিমালয় অঞ্চলের দেশ ভুটানের মোট জনসংখ্যা আট লাখেরও কম। জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রতি নারীর গড় সন্তান জন্মদানের হার ১ দশমিক ৮ রয়েছে। অথচ একটি দেশের জনসংখ্যাকে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে এই প্রতিস্থাপনের হার অন্তত ২ দশমিক ১ হওয়া আবশ্যক। জনসংখ্যা হ্রাসের সঙ্গে দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ শতাংশ মানুষের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার বেড়ে ১৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

তবে বাজার বিশ্লেষক ও সাধারণ নাগরিকদের অনেকের অভিমত হলো, শুধু এই সাময়ীক নগদ সহায়তা দিয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। ৩৫ বছর বয়সী দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা খান্দু ওয়াংমো বলে উল্লেখ করেন, সরকারের এই উদ্যোগটি অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু সন্তান লালন-পালনের দীর্ঘমেয়াদি খরচ অনেক বেশি। বিশেষ করে শিক্ষা, বাসস্থান ও শিশুর যত্নের উচ্চ ব্যয় বিবেচনা করলে কেবল এই আর্থিক প্রণোদনা তরুণ দম্পতিদের সন্তান নিতে আগ্রহী করার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%