ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটিয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জুলুস


পটিয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জুলুস

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ওয়াহিদুর পাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য জুলুস।

শনিবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ওয়াহিদুর পাড়া এলাকায় এই জুলুসের আয়োজন করা হয়। এই জুলুসে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জুলুসের নেতৃত্ব দেন ঐতিহ্যবাহী ধরমন্ডল গাউছিয়া দরবার শরীফের সুযোগ্য শাহজাদা নাঈম উদ্দিন দিলমোহন কাদেরী।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে গভীর রাতে সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রীরা, লরি চাপায় নিহত ৫

এ সময় অংশগ্রহণকারীরা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। জুলুসে দুরুদ-সালাম পাঠ করা হয় এবং বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানে গোটা এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়াহিদুর পাড়া নতুন জামে মসজিদের খতিবসহ স্থানীয় আলেম-উলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ।

আয়োজকরা জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের পাশাপাশি মুসলিম সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাস-লরির সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ীতে থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


যাত্রাবাড়ীতে থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানার একটি অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের নাম হলো- মো. নাঈম সিকদার, মো. রোহান, মো. আরিফ, মো. সোহেল, মো. সাব্বির রহমান, মো. কামরুল, মো. সোহান, মো. রনি, মো. সজিব, মো. হোসেন শেখ, শান্ত, মো. আকাশ, মো. আকরাম হোসেন, রিফাত, মো. ইমরান, মো. হৃদয় হোসেন, মো. জনি, মো. রেদোয়ান আহম্মেদ ও সাইফ।

পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার শরিফুলের বিশ্বরেকর্ড অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


এবার শরিফুলের বিশ্বরেকর্ড অর্জন

 

ডারউইন টেস্টে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। আর এবার ম্যাকাইয়ের বাইশ গজে ইতিহাস লিখলেন শরিফুল ইসলাম।

অস্ট্রেলিয়া সফর বাংলাদেশের এই দুই তরুণ পেসারের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় টেস্টে শরিফুল এমন এক অসাধ্য সাধন করেছেন। যা টেস্ট ক্রিকেটের সমৃদ্ধ ইতিহাসে আর কোনো ক্রিকেটার করে দেখাতে পারেননি!

ম্যাকাই টেস্টে টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার—সবাই যখন ড্রেসিংরুমে ফেরার তাড়নায় ব্যস্ত, তানজিদ হাসান থেকে শুরু করে মেহেদী হাসান মিরাজরা যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শেষ ব্যাটার শরিফুল।

ব্যাট হাতে ১৯ বলে ৩ চারে করেছিলেন মাত্র ১৪ রান। টেস্ট ইতিহাসে ১১ নম্বরে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার ১৩তম ঘটনা ছিল এটি, বাংলাদেশের হয়ে যা দুই দশক আগে একবারই করে দেখিয়েছিলেন তালহা জুবায়ের।

তবে আসল রোমাঞ্চ তখনও বাকি ছিল। ব্যাটিং শেষে বল হাতে নিয়ে যা করলেন, তাতেই জন্ম হলো এক নতুন বিশ্বরেকর্ডের! ইনিংসের একাদশে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার পর একই ইনিংসে বল হাতে ফাইফার (৫ উইকেট) নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়ার একমাত্র নজির এখন শরিফুলের।

ফ্রেডেরিক স্পোফোর্থ, অ্যাস্টন অ্যাগার, কিংবা নাথান লায়নদের মতো ক্রিকেট কিংবদন্তিরা ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ রান করলেও একই ম্যাচে বল হাতে পাঁচ উইকেট পাননি।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে শরিফুল সময় নেননি একেবারেই। নিজের প্রথম ওভারেই দুই বিপজ্জনক ব্যাটার ট্র্যাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তিনি।

চা বিরতির পর দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে জমে যাওয়া জুটি ভেঙে এলবিডব্লিউ করেন স্টিভ স্মিথকে।

এরপর যেন স্রেফ ঘূর্ণিঝড় বইয়ে দিলেন! মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে বিউ ওয়েবস্টার ও অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে সাজঘরে পাঠিয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ফাইফার। পরবর্তীতে মিচেল স্টার্ককেও নিজের শিকার বানিয়ে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট পকেটে পুরেন এই টাইগার স্পিডস্টার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ৬ জন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ৬ জন কারাগারে

গোপালগঞ্জের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে গ্রেফতারকৃত ৬ জনকে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে। বিজ্ঞ বিচারক জেলা কারাগারে তাদের পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর পর তাদের জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের বাজুনিয়া গ্রামের মনা মার্কেট এলাকা থেকে পুলিশ ওই ৬ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠি গ্রামের ঠান্ডা মোল্লার ছেলে রাতুল মোল্লা, আহমেদ শেখের ছেলে মুন্না শেখ, মোহাম্মদ রিপন শেখের ছেলে রিফাত শেখ, মাঝিগাতি গ্রামের জাকির শেখের ছেলে রিশাদ শেখ, চর সোনাকুড় গ্রামের শারাফত শেখের ছেলে মেহেদী হাসান এবং রমজান আলীর ছেলে হৃদয় খান।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার, গোপালগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক খান রিপনের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাজুনিয়া গ্রামের মনা মার্কেট এলাকায় মিছিল বের করেন। এই সময়ে তারা বিভিন্ন ধরনের কটুক্তিমূলক শ্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৬ জনকে গ্রেফতার করে, অন্যরা পালিয়ে যায়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একটি মিছিল বের করার খবর পাই। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আক্তাদের সন্ত্রাস দমন আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার বলে কোর্টে চালান করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতিতে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতিতে ইরান

ইরান ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতির ঘোষণা করেছে, যা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে পরিবর্তন। দেশটির সামরিক বাহিনী জানাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামরিক মতবাদ ধীরে ধীরে ‘আক্রমণাত্মক’ নীতিতে সরে যাচ্ছে।

এছাড়া ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যদি দেশটিতে কোনও স্থল অভিযান হয়, তাহলে মার্কিন সেনা হত্যা বা আটক করা হলে একটি পুরস্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য প্রদান করেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া।

তিনি বলেন, অতীতে ইরানের সামরিক মতবাদ ছিল প্রতিরক্ষামূলক। কিন্তু সাম্প্রতিক ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ এবং ‘৪০ দিনের যুদ্ধের’ অভিজ্ঞতা থেকে সেই অবস্থানে পরিবর্তন ঘটেছে।

তিনি আরো বলেন, “সামরিক মতবাদ অতীতে প্রতিরক্ষামূলক ছিল। তবে এই দুই যুদ্ধের সময় আমরা দেখেছি, সামরিক মতবাদ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।”

তবে আক্রমণাত্মক সামরিক মতবাদ গ্রহণের ফলে সব ক্ষেত্রে আগাম হামলা চালানো যাবে না বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন। তার মতে, এর অন্যতম দিক হবে শত্রুর হামলার দ্রুত ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে প্রাথমিক হামলার চেয়েও বিস্তৃত পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া।

আকরামিনিয়া দাবি করেন, যুদ্ধের এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে সরাসরি প্রবেশের আগেই ইরান জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। তার দাবি মতে, ওই হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম, স্থাপনা ও জনবলের ‘গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি’ হয়।

তিনি বলেন, নতুন এই সামরিক মতবাদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, ইরানের ওপর কোনও হামলা হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা আঘাত দেওয়া। সেই জবাব শুধুমাত্র প্রতিপক্ষের হামলার সমপরিমাণ হবে না, বরং আরও বিস্তৃত হতে পারে।

তার মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর মাধ্যমে দ্রুত ও বিস্তৃত পাল্টা হামলা এবং কিছু ক্ষেত্রে আগাম অভিযান পরিচালনা করার মাধ্যমে ইরানের সামরিক মতবাদের এই পরিবর্তনটি স্পষ্ট হয়েছে।

মার্কিন সেনা হত্যা বা আটকে পুরস্কারের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে, আকরামিনিয়া বলেন, ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন স্থল অভিযান মোকাবেলায় সেনাবাহিনী একটি বিশেষ পুরস্কার কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে।

তিনি জানান, যদি কোনও মার্কিন সেনা ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এবং তাকে হত্যা বা আটক করা হয়, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য অথবা বৈধ শিকারি নাগরিককে ৫ বিলিয়ন তোমান পুরস্কার দেয়া হবে। এই অর্থের মান প্রায় ২৬ হাজার ডলার।

নারীদের ক্ষেত্রে, তারা যদি কোনও মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটক করে, তাহলে পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করে ১০ বিলিয়ন তোমান, অর্থাৎ প্রায় ৫৩ হাজার ডলার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আকরামিনিয়া জানান, অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রটিও তার মূল্যের দ্বিগুণ দামে কেনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পরে এই অস্ত্রটি মালিকের নামসহ সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে এবং তাকে একটি বিকল্প অস্ত্র প্রদান করা হবে।

সামরিক কমান্ড কাঠামোয় পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনি জানান, ইরানের সামরিক বাহিনীর কাঠামোতে সাম্প্রতিক সময়ে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সকে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের সঙ্গে একীভূত করার লক্ষ্য হলো ইরানের সেনাবাহিনীকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করা। এটির মাধ্যমে বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং ঐক্যবদ্ধ কমান্ড ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

আকরামিনিয়া আরো দাবি করেন যে, এই একীভূত কাঠামোর ফলে হুমকির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি, সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয়ও আরও কার্যকর হবে।

কাতারে নিখোঁজ তিন ইরানি পাইলটের বিষয়ে তিনি জানান, ইরানের চারজন এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমানের পাইলটের বিষয়ে কাতারের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, কাতারে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় অংশ নেওয়া চার পাইলটের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমি নিহত হয়েছেন এবং পরে তাকে ইরানের শিরাজ শহরে দাফন করা হয়েছে। তবে বাকি তিন পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

আকরামিনিয়া বলেন, বিষয়টি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সেনাবাহিনী কাতার এবং আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও আইনি মাধ্যমে অনুসরণ করবে।

তিনি কাতারকে ওই তিন পাইলটের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আকরামিনিয়া সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গড়ে ওঠা একটি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন।

তার দাবি হল, এই আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর গঠন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

আকরামিনিয়া বলেন, ভবিষ্যতে ওই ব্যবস্থার কার্যকারিতা কেমন হবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে বাইরে রেখে একটি আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠা প্রমাণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আগের চেয়ে কমেছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর এই বক্তব্য সেই মুহূর্তে এসেছে, যখন সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে দেশটি তার সামরিক কৌশল ও কমান্ড কাঠামো নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করছে। প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আরও সক্রিয় ও আক্রমণাত্মক কৌশলে যাওয়ার এই ঘোষণা ভবিষ্যতে ইরানের আঞ্চলিক সামরিক কর্মকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%