০৯:১৫ এম
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত চিকিৎসক এনামুল হোসেনের জামিন আদালত বহাল রেখেছে। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে বাদীকে মারধর করে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানা এ বিষয়ে আদেশ প্রদান করেন।
আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইশতিয়াক হোসেন জনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।
এনামুল হোসেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ছিলেন। গত ২ জুলাই তিনি জামিন পান। পরে গত ১২ সেপ্টেম্বর বাদীকে একা পেয়ে মারধর করে মামলা তুলে নিতে বলার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ওই তরুণী শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিষয়টি আদালতকে জানিয়ে এনামুলের জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য ছিল। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এবং মো. শামছুজ্জামান দিপু, বাদীপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মহসিন মিয়াসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন বাতিলের পক্ষে বক্তব্য দেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা খান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী তানজিল আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন পর্যন্ত এনামুলের জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, তিন বছর আগে এক বন্ধুর মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে এনামুলের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২৫ মে রাতে এনামুল ওই তরুণীকে স্ত্রী পরিচয়ে কলাবাগানের পান্থপথ এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে তরুণী বিয়ের কথা বললে এনামুল নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে তিনি তরুণীর আগের সম্পর্কের অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। এরপর থেকে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং তরুণীর সঙ্গে দেখা করা এড়িয়ে চলেন।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৪ নভেম্বর কলাবাগান থানায় মামলা করেন ওই তরুণী। তদন্ত শেষে গত ৩১ মে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পরিদর্শক নাজমা আকতার এনামুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ স্থলভাগে প্রবেশ, উপকূলে তাণ্ডবের আশঙ্কা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন