বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:০৪ পি.এম
ডিজিটাল যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। এটি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ব্যবহার করেন। বিপুল ব্যবহারকারীর কারণে এটি এখন সাইবার প্রতারকদের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। প্রতারণার ঘটনা যেমন ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, পরিচয় জালিয়াতি, ফিশিং লিংক, লটারির প্রলোভন বা বিনিয়োগের নামে প্রতারণা তা নিয়মিত ঘটে আসছে। অনেক সময় একটি ভুল ক্লিকের কারণে ব্যক্তি নিজস্ব তথ্য হারাতে পারেন অথবা ব্যাংক হিসাবের অর্থও হারাতে পারেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে এ ধরনের প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
অপরিচিত নম্বর থেকে বার্তা এলে সতর্ক থাকতে হবে।
অচেনা কোনো নম্বর থেকে হঠাৎ বার্তা এলে শুরু থেকেই সতর্ক থাকবেন। বিশেষ করে বার্তায় আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাব, মোটা অঙ্কের আয়ের প্রতিশ্রুতি, লটারিতে জেতার দাবি, অথবা জরুরি সাহায্যের কথা বলা হলে অবশ্যই সন্দেহ করবেন।
অনেক প্রতারক ভুল নম্বরে বার্তা পাঠানোর ভান করে কথোপকথন শুরু করে। আবার কেউ নিয়োগদাতা, প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বা পরিচিত কারও বন্ধু পরিচয় দেয়। উদ্দেশ্য হলো—বিশ্বাস অর্জন করে পরে প্রতারণা করা। এমন ধরনের বার্তার জবাব না দিয়ে নম্বরটি ব্লক ও রিপোর্ট করাই নিরাপদ পন্থা।
অপরিচিত লিংকে ক্লিক করবেন না।
প্রতারকেরা প্রায়শই ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে, যা দেখতে ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান, কুরিয়ার সেবা বা জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানের আসল ওয়েবসাইটের মতো। অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো কোনো লিংকে ক্লিক করবেন না। পরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিংক হলেও প্রয়োজনে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন। মনে রাখবেন, কোনো ব্যাংক বা সরকারি প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে লিংক পাঠিয়ে লগইন, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য চাবে না।
ওটিপি বা স্ক্রিন শেয়ার করবেন না।
কোনো ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা বৈধ সেবাদাতা সংস্থা কখনোই হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি (ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড) চায় না। অন্য কাউকে ওটিপি জানিয়ে দিলে ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়। একইভাবে কেউ যদি ফোন বা ভিডিও কলে স্ক্রিন শেয়ার করতে বলে, তবে তাতেও রাজি হবেন না। স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে আপনার ফোনে থাকা ব্যাংকিং অ্যাপ, পাসওয়ার্ড, ওটিপি ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য দেখা সম্ভব।
পরিচিতের পরিচয়ে টাকা চাইলে যাচাই করুন।
সম্প্রতি নতুন নম্বর থেকে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয় পরিচয়ে টাকা চাওয়ার ঘটনা বেড়েছে। প্রতারকেরা ছেলে, মেয়ে, ভাই বা বোন পরিচয়ে জরুরি সমস্যার কথা বলে দ্রুত টাকা পাঠাতে অনুরোধ করে।
এ ধরনের বার্তা পেলে টাকা পাঠানোর আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিত নম্বরে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
সন্দেহজনক নম্বর রিপোর্ট করুন।
হোয়াটসঅ্যাপে সন্দেহজনক নম্বর খুব সহজেই রিপোর্ট করা যায়। এজন্য সংশ্লিষ্ট চ্যাট খুলে উপরের নাম বা নম্বরে চাপ দিয়ে নিচে স্ক্রল করে ‘রিপোর্ট’ অপশন নির্বাচন করুন। চাইলে একই সঙ্গে নম্বরটি ব্লকও করতে পারবেন। রিপোর্ট করলেই প্রেরক কোনো নোটিফিকেশন পান না। তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি বার্তা হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করে, যা প্রতারণামূলক কার্যক্রম শনাক্তে সহায়তা করে।
নিরাপত্তা বাড়াতে যেসব সেটিংস চালু করবেন।
নিরাপদ থাকতে, হোয়াটসঅ্যাপের কিছু নিরাপত্তা সুবিধা ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে প্রোফাইল ছবি, স্ট্যাটাস ও সর্বশেষ অনলাইন থাকার তথ্য শুধু পরিচিত ব্যক্তিদের জন্য দৃশ্যমান রাখুন। কলস অপশনে গিয়ে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ চালু করলে অপরিচিত নম্বরের কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নীরব হবে। অ্যাকাউন্ট থেকে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ চালু করে ছয় সংখ্যার একটি পিন নির্ধারণ করুন। ফলে কেউ আপনার নম্বর অন্য ডিভাইসে নিবন্ধনের চেষ্টা করলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যুক্ত হবে।
হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা বা অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা নতুন নয়। সাইবার অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। তাই প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার, তথ্য যাচাই এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখার সচেতনতা সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরক্ষা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে নতুন করে নির্মিত তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন আজ উদ্বোধন করা হয়, যা ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি উদ্বোধন করেন। এ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া, ধলিয়া ও ছনুয়া ইউনিয়নের তিনটি বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে।
সকাল ৯টায় পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এরপর, সকাল ১০টায় ধলিয়া ইউনিয়নের মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সকাল ১১টায় ছনুয়া ইউনিয়নের দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহমিদা আক্তার, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী দীপ্ত দাশ গুপ্ত এবং সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার খালেদা পারভীন।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ফজলুর রহমান বকুল, পৌর আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল ও সদর উপজেলা সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির।
অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, 'উন্নয়ন শুরু হয়েছে, সামনে উন্নয়ন হতে থাকবে। উন্নয়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমি অতীতে উন্নয়ন করেছি। সামনেও উন্নয়ন করে যাবো।'
তিনি আরও বলেন, 'আপনারা আপনাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য বাড়ী থেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসুন। সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা দিন। বাচ্চাদের ঠিকমত বিদ্যালয়ে পাঠাবেন।'
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পাঁচগাছিয়ার মাথিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ১১ লাখ ৩৫ হাজার ২২ টাকা, ছনুয়ার দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৯ হাজার ৯শ’ ৭৭ টাকা এবং ধলিয়ার মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ব্যয় হয়েছে ৯১ লাখ ৪১ হাজার ৪শ’ ৭০ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় অবৈধভাবে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা উৎপাদনের অভিযোগে, তিনটি খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্লি গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। অভিযানে কাউকে আটক করা না গেলেও, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের যৌথ মোবাইল কোর্ট এ অভিযান চালায়।
সাভারের ভাকুর্তা এলাকার নির্জন স্থানে পরিচালিত অভিযানে, তিনটি নামবিহীন খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্লি এক্সকাভেটরের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেয় সাভার থানা পুলিশ।
ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অভিযান চলাকালে সেখানে কাউকে উপস্থিত পাইনি। ফলে কাউকে আটক করা যায়নি। এক্ষেত্রে জরিমানা করার সুযোগ হয়নি। একপর্যায়ে আমরা ভাট্টিগুলো উচ্ছেদ করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবারো অবৈধভাবে এমন কাজ করলে পরিবেশ অধিদফতর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবে। তবে এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কেউ তথ্য দিতে চায় না।’
অনুসন্ধানে অবৈধ সীসা উৎপাদনের সঙ্গে কয়েকটি সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর ধোলাইপাড়ের নাসির ও গাইবান্ধার সাজুর নেতৃত্বাধীন চক্রের নাম উঠে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, তারা পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে খোলা স্থানে পুড়িয়ে উৎপাদিত সীসা কালোবাজারে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। সরকারকে কোনো ভ্যাট বা কর না দেওয়ায় তাদের লাভও বেশি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির বলেন, ‘দেশে অনেকেই এভাবে কাজ করে, শুধু আমরাই না।’ এটি বেআইনি কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বেআইনি বলেই তো সরকারি লোকজন এসে উচ্ছেদ করেছে।’
অন্যদিকে গাইবান্ধার সাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, উচ্ছেদকৃত ভাট্টিগুলো ধোলাইপাড়ের নাসিরের।
চিকিৎসকদের মতে, খোলা স্থানে পুরোনো ব্যাটারি বা সীসা পোড়ানোর ফলে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি।
বর্তমানে সরকার অনুমোদিত কয়েকটি ব্যাটারি রিসাইক্লিং শিল্প-কারখানায় পরিবেশসম্মত প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরোনো ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পায় এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়। তবে অবৈধ সীসা পোড়ানো চক্রের কারণে, একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
পরিবেশ অধিদফতর জানিয়েছে, অবৈধ সীসা পোড়ানোর খোলা ভাট্টি নির্মূলে অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মোবাইল কোর্টের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজে অফিস সহকারীর প্রতারণার ফলে ১০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। তাদের প্রবেশপত্র না পাওয়ার কারণে, মানবিক বিভাগের এই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারায়। এই ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থী এবং তাদের স্বজনরা কলেজে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, যখন তারা পরীক্ষা দিতে পারেননি, তখন তারা হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে কলেজে এসে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজ থেকে এ বছর তিনটি বিভাগে মোট ৬০০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর, অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে তাদের ফরম পূরণ করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন কলেজের অফিস সহকারী (কম্পিউটার অপারেটর) সাব্বির হোসেন শাওন। এ সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করেন।
২৪ জুন কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ হলে, ঐ ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয়, দেরিতে ফরম পূরণের কারণে তাদের প্রবেশপত্র পেতে কিছুটা সময় লাগবে। এরপর বুধবার (১ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত কলেজে অপেক্ষা করার পরও তারা প্রবেশপত্র পাননি। প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড না থাকায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন বুধবার থেকেই মোবাইল ফোন বন্ধ রেখেছেন। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন।
মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিযুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি দুঃখজনক। ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) তাদের নবনির্মিত একাডেমিক ভবন ‘বিল্ডিং-৫’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রয়েছে বিইউবিটি ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য, উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বক্তারা বক্তৃতা দেয়ার সময় আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ সৃষ্টি করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এরপর অতিথিরা নবনির্মিত ভবনের বিভিন্ন একাডেমিক এবং প্রশাসনিক সুবিধাসমূহের পরিদর্শন করেন। এ সময় বিশেষায়িত ল্যাবরুম, কমন ল্যাব, মেডিকেল সেন্টার, কন্ট্রোলার সেকশনসহ বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবনের এসব সুবিধাগুলো শিগগিরই পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আধুনিক শিক্ষা-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমও আরো গতিশীল হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন ‘বিল্ডিং-৫’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষতা অর্জন এবং আধুনিক শিক্ষার পরিবেশন গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামো সম্প্রসারণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ