ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

এটিএম আজহারুল ইসলাম: 'সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক'


এটিএম আজহারুল ইসলাম:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এবং রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "এই দেশ আমাদের সবার। আমরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন চাই না। আমরা সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু শব্দও শুনতে চাই না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। নাগরিক হিসেবে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।"

আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১টায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ব্যাপার। মুসলিমরা মুসলিমদের ধর্ম পালন করবে, হিন্দুরা হিন্দু ধর্ম পালন করবে। বাংলাদেশে প্রধান চারটি ধর্ম হলো ইসলাম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম ও খ্রিষ্টধর্ম। এ ছাড়া আরও ছোট ছোট ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে। তাদের সংখ্যা কম বলে আমরা তাদের কম চিনি বা তাদের খোঁজখবর কম রাখি। কিন্তু সবাই শান্তিতে বসবাস করে আসছে। তাহলে আজ কেন পাহারা দিতে হয়? কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এত কষ্ট করতে হয়? আমিতো এই অঞ্চলেরই সন্তান। আজ থেকে ৫০-৬০ বছর আগে তো এমনটা শোনা যায়নি।"

আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন

তিনি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের দেশ স্বাধীন হলো, অথচ আমরা নিশ্চিন্তে ধর্ম পালন করতে পারছি না; পাহারা দিতে হয়। কিন্তু কেন? আসলে আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। এর মাধ্যমেই আমরা সবাই মিলে যার যার ধর্ম পালন করতে পারব।"

জামায়াতের এই নায়েবে আমীর উল্লেখ করেন, "আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি। এই ধর্ম অন্য ধর্মের প্রতি আঘাত করে না। যারা ইসলামকে পছন্দ করে না, তারাই ইসলামের নাম ব্যবহার করে অন্য ধর্মের মানুষের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করে ইসলামের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়। ইতিহাসে দেখবেন, ইসলামে কখনো কোনো ধর্মের প্রতি আঘাত করা হয়নি। এ জন্য আমরা চাই, সবাই যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করব। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।"

এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "দেশের আইন মেনে চলতে হবে, দেশের আইনের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হোক, এটা কেউ চায় না। এমনটা হলে আমরা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হব।"

ফেসবুকে নানা ধরনের গুজব ও ভুল তথ্য ছড়ানো হয় উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "ফেসবুকের সব খবর বিশ্বাস করবেন না। কোনো বিষয়ে সন্দেহ হলে পুলিশ বা উপজেলা প্রশাসনকে জানাবেন। এটি শুধু আমি হিন্দু ভাইদের বলছি না, মুসলিমদেরও বলছি।"

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী

তিনি আরও বলেন, "মুসলিম বা হিন্দু—কেউই গোলযোগ চায় না। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশে ফেরার জন্য গোলযোগ পাকানোর চেষ্টা করতে পারে। তাদের ফাঁদে আপনারা পা দেবেন না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ জন্য সবাইকে আমি অনুরোধ করব, আমরা সবাই দেশকে ভালোবাসি। আমরা রাজনীতির মাঠে লড়াই করতে পারি, নির্বাচনের মাঠে প্রতিযোগিতা করতে পারি; তবে দেশের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে এক থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"

সভায় সভাপতিত্ব করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বদরগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. মোনাব্বর হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জাহিদ সরকার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শাহ মুহাম্মাদ রোস্তম আলী, সেক্রেটারি মাওলানা মিনহাজুল ইসলাম, রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আজিজুল হক প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে, রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ পূজা মণ্ডপ গুলোর প্রতিনিধিদের হাতে চাল বরাদ্দের সরকারি ডিও লেটার তুলে দেন।

জানা গেছে, চলতি বছর বদরগঞ্জ উপজেলার দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১২৫টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসব উদ্‌যাপনে সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে মোট হাজার কেজি (৭৫ টন) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশমিকা ৪০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


রাশমিকা ৪০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ নিলেন

বিয়ের পর প্রথমবার একসঙ্গে বড় পর্দায় আসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। তাদের নতুন সিনেমা ‘রণবলী’ নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। তবে ছবিটি মুক্তির আগেই মানবিক উদ্যোগের জন্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন রাশমিকা।

সিনেমায় যোদ্ধা রণবলীর স্ত্রী জয়াম্মার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ৪০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী তিন মাস ধরে এসব পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই উদ্যোগের কথা প্রকাশ করেছেন রাশমিকা। তার সহযোগী দলের সদস্যদের পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের একটি ভিডিও তিনি শেয়ার করেছেন।

রাশমিকার আশা, এই সহায়তার মাধ্যমে পরিবারগুলো আগামী তিন মাসের বাজার খরচ বাঁচিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে সক্ষম হবে।

কেন তিনি এমন উদ্যোগ নিয়েছেন? রাশমিকার বক্তব্য, সিনেমায় জয়াম্মার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে নিজের সঙ্গে চরিত্রটির কিছু মিল খুঁজে পেয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, "আপনারা অনেকেই জানতে চান, জয়াম্মার সঙ্গে আমার কোনো মিল রয়েছে কি না। আমার উত্তর, হ্যাঁ। এই জায়গাতেই আমাদের মিল। আমি বরাবরই এমন কিছু করতে ভালোবাসি, জয়াম্মাও তেমনই। আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পাই, তার প্রতিদানে ভবিষ্যতেও এ রকম কাজ করে যেতে চাই।"

এত দিন নিজের এই উদ্যোগের কথা প্রকাশ্যে আনেননি কেন? রাশমিকা জানিয়েছেন, বিষয়টি ব্যক্তিগত রাখতেই চেয়েছিলেন তিনি। তার সহযোগী দলের কয়েকজন সদস্যই এ সম্পর্কে জানতেন। তবে এবার মনে হয়েছে, নিজের উদ্যোগের কথা জানালে অন্যরাও মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

অভিনেত্রীর কথায়, "আমি ভাবলাম, আমার এই কাজ দেখে যদি আপনাদের মধ্যে কেউ এমন কিছু করার অনুপ্রেরণা পান, তা হলে আমার খুব ভাল লাগবে।" তিনি আগামী এক বছর ধরে নিয়মিত এমন উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন।

তিনি বলেন, "আজ ৪০০টি পরিবারকে সাহায্যের দায়িত্ব নিয়েছি। আগামী এক বছর ধরে প্রতিবার ৪০০টি পরিবারকে তিন মাসের জন্য সাহায্য করতে চাই। আশা করি, তারা বাজারের খরচ বাঁচিয়ে সেই টাকা ভবিষ্যতের জন্য জমাতে পারবেন। এই মানুষগুলোর মুখের হাসি আমার কাছে অমূল্য। গত কয়েক বছরে কাজ করতে গিয়ে যত রাত জেগেছি, চোট পেয়েছি, যত কষ্ট ও চোখের জল সামলেছি, এই হাসিগুলো তার সব কিছুর মূল্য মিটিয়ে দেয়।"

রাশমিকা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার আসন্ন সিনেমা ‘রণবলী’র গল্পের পটভূমিতে রয়েছে ব্রিটিশ শাসনামলের দুর্ভিক্ষ। খরা ও ফসলহানির কারণে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়েছিল। অনাহারে প্রাণ হারিয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। সিনেমাটিতে যোদ্ধা রণবলীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয় দেবরকোন্ডা, এবং তার স্ত্রীর চরিত্র জয়াম্মার ভূমিকায় দেখা যাবে রাশমিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে আয়োজিত এ সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা, বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভা শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রিয় জন্মভূমি। এদেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নই। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের গর্বিত নাগরিক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও বিরোধীদলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজামণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা যে সহযোগিতা ও ভূমিকা রেখেছেন, তা হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রশংসা করেছেন। তাদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অসুবিধার কথা সভায় তুলে ধরা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে কাজ করবে বলে বিরোধীদলীয় নেতা তাদের আশ্বস্ত করেছেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও মতবিনিময় অব্যাহত থাকবে এবং তাদের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি এডভোকেট দীনুবন্ধু রায়, মহাসচিব এড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য নারায়ণ চন্দ্র সরকার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পার্থ সারথী ঘোষ এবং যুগ্ম মহাসচিব অমল চৌধুরী সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উপদাপন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অর্পনা রায় ও সাধারণ সম্পাদক মিন্টন বৈদ্যসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধনসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারীসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের (প্রভাষ-পলাশ) সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায় ও নির্বাহী মহাসচিব পলাশ কান্তি দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত ফোরামের সভাপতি রামানন্দ দাস ও সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার দাস সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সভাপতি আশিষ রঞ্জন দাস ও সাধারণ সম্পাদক এড. সুমন কুমার রায়সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস ফোরামের সভাপতি চাঁদমোহন রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি দিলীপ রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক ফুল চাঁদ রবিদাসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি মি. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ও সাধারণ সম্পাদক মি. সঞ্জিব দ্রং সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণলাল ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও সব নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও বঞ্চনার বিষয় তুলে ধরে এসব সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর উদ্যোগ ছাত্রদলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


জবির বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর উদ্যোগ ছাত্রদলের

দীর্ঘ যাত্রাপথে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা কমানোর লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দুটি বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্কা-২ ও উত্তরণ-২ নামের দুটি বাসে ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্দেশ্যে রাউটারগুলো হস্তান্তর করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারিক বিন আতিক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের দূরবর্তী অঞ্চল থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াত করেন। দীর্ঘ সময় বাসে অবস্থান করার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এ সময়টুকু পড়াশোনা, অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি কিংবা অন্যান্য একাডেমিক কাজে ব্যবহার করতে চান। কিন্তু পর্যাপ্ত মোবাইল ডাটা না থাকা, ইন্টারনেট প্যাকেজের সীমাবদ্ধতা এবং যাত্রাপথে দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

শিক্ষার্থীদের এই অসুবিধাগুলো মাথায় রেখে বাসে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার হোসেন। প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বাসকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যাতায়াতের সময় শিক্ষার্থীরা আরও সহজে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, যাতায়াতের দীর্ঘ সময়টুকু কাজে লাগাতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উত্তরণ বাসে নিয়মিত যাতায়াতকারী ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান বলেন, “আমরা প্রতিনিয়তই ক্যাম্পাসে যাতায়াতের সময় ভালো ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হই। বাসে যাতায়াতের সময় পড়াশোনা, অ্যাসাইনমেন্টসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেটের দরকার হয়। কিন্তু মোবাইল ডাটা ও নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে অনেক সময় তা ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। বাসে রাউটার স্থাপনের উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ উপকারী হবে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময়টুকু কাজে লাগাতে সহায়তা করবে।”

উদ্যোগ গ্রহণের কারণ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন জানান, “শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময়টুকু যেন কাজে লাগে, সে চিন্তা থেকেই বাসে রাউটার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া করেন। এ সময় ইন্টারনেটের প্রয়োজন হলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তারা তা ব্যবহার করতে পারেন না। শিক্ষার্থীদের এ ভোগান্তি কিছুটা কমাতে এবং তাঁদের পড়াশোনা ও প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রমে সহায়তা করতেই আমার এ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সেবার মান বাড়াতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন জকসুর পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সেক্টরের অনেক সংকট আছে। সংকটের মাঝেও আমরা চেষ্টা করেছি, যেন শিক্ষার্থীদের যেভাবে হচ্ছে পরিবহনে যেভাবে সুবিধা দেওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন ভাই নিজ থেকে আমাদের পরিবহন দপ্তরে দুটি রাউটার হস্তান্তর করেছেন। ওই চারটা রাউটার আমরা উল্কা-২ বাস এবং উত্তরণ-২ এই দুইটা বাসে হস্তান্তর করে দিয়েছি। ভাইয়ের যে মানবিক কাজগুলো, শিক্ষার্থীবান্ধব যে কাজগুলো, সেগুলো চলমান থাকুক। শাহরিয়ার ভাইকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নেওয়া এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারিক বিন আতিক বলেন, “আমরা রাউটার হাতে পেয়েছি এবং তা বাস দুটিতে স্থাপন করা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে বলে আশা করছি। আমরা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় যাতে পড়াশোনার ব্যাঘাত না ঘটে এজন্য শাহরিয়ারের এ উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ প্রদান করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, যদি সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা যায়, তবে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজতর হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। তিনি সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

সমস্যা সমাধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ সময় প্রতিনিধিদল আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুষ্ঠেয় কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) এবং রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)-সহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%